
বিপিএল শুরুর আগে থেকেই আলোচনা জুড়ে ছিল ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) প্রযুক্তি না থাকা। বিসিবি কর্মকর্তা থেকে ক্রিকেটারদেরও এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। ডিআরএস ছাড়াই বিপিএলের ঢাকা পর্ব শেষ হয়েছে। তাতে আলোচনা কমেনি বৈ আরও বেড়েছে। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয়েছে ব্যাটারদের। এরপর নড়চড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অনেকটা বাধ্য হয়ে তাই বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে ডিআরএসের বিকল্প হিসেবে যুক্ত হচ্ছে ‘স্লো মোশন’ প্রযুক্তি। বিষয়টি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বিসিবি। এ প্রযুক্তিতে ক্যাচের অস্পষ্টতা দূর করা না গেলেও এলবিডব্লিউর ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বল কোথায় পড়ে কোথায় গিয়ে আঘাত করতে পারত সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়। প্রতি দল সর্বোচ্চ দুটি রিভিউ নিতে পারবে। সর্বোচ্চ ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ব্যাটারকে রিভিউয়ের ব্যাপারে মাঠের আম্পায়ারকে জানাতে হবে। শুধুমাত্র এলবিডব্লিউর ক্ষেত্রে রিভিউ নিতে পারবেন ব্যাটাররা।
এ প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি, ম্যাচ অফিশিয়াল ও টিভি প্রোডাকশন দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল বিসিবি। সেখান থেকেই ডিআরএসের এই বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত। মাঠের আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেটারের অসন্তুষ্টি থাকলে সেটার জন্য টিভি আম্পায়ারের সহায়তা নেওয়া যাবে। রিপ্লে দেখে তিনি যাতে আরও নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
বিপিএলের ঢাকা পর্বে কিছু আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত ভুগিয়েছে। সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে মিনিস্টার ঢাকার ওপেনার নাঈম শেখ ও আন্দ্রে রাসেলের ভুল আউটের পরই মূলত নড়েচড়ে বসে বিসিবি। মাঠের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত দুটি ভুল এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্ত দেন। ওপেনার তামিম ইকবালও নিজের আউট মেনে নিতে পারেননি। অনেক সময় এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার শঙ্কা থাকে। বল পিচ করে কোন দিকে কতটা বাঁক নিয়ে ব্যাটারের প্যাডে আঘাত করছে, খালি চোখে সেটা নির্ণয় করা কঠিন বলে মনে করেন আম্পায়াররা। এ জন্যই মূলত বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বিসিবি।

বিপিএল শুরুর আগে থেকেই আলোচনা জুড়ে ছিল ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) প্রযুক্তি না থাকা। বিসিবি কর্মকর্তা থেকে ক্রিকেটারদেরও এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। ডিআরএস ছাড়াই বিপিএলের ঢাকা পর্ব শেষ হয়েছে। তাতে আলোচনা কমেনি বৈ আরও বেড়েছে। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয়েছে ব্যাটারদের। এরপর নড়চড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অনেকটা বাধ্য হয়ে তাই বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে ডিআরএসের বিকল্প হিসেবে যুক্ত হচ্ছে ‘স্লো মোশন’ প্রযুক্তি। বিষয়টি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বিসিবি। এ প্রযুক্তিতে ক্যাচের অস্পষ্টতা দূর করা না গেলেও এলবিডব্লিউর ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বল কোথায় পড়ে কোথায় গিয়ে আঘাত করতে পারত সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়। প্রতি দল সর্বোচ্চ দুটি রিভিউ নিতে পারবে। সর্বোচ্চ ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ব্যাটারকে রিভিউয়ের ব্যাপারে মাঠের আম্পায়ারকে জানাতে হবে। শুধুমাত্র এলবিডব্লিউর ক্ষেত্রে রিভিউ নিতে পারবেন ব্যাটাররা।
এ প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি, ম্যাচ অফিশিয়াল ও টিভি প্রোডাকশন দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল বিসিবি। সেখান থেকেই ডিআরএসের এই বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত। মাঠের আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেটারের অসন্তুষ্টি থাকলে সেটার জন্য টিভি আম্পায়ারের সহায়তা নেওয়া যাবে। রিপ্লে দেখে তিনি যাতে আরও নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
বিপিএলের ঢাকা পর্বে কিছু আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত ভুগিয়েছে। সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে মিনিস্টার ঢাকার ওপেনার নাঈম শেখ ও আন্দ্রে রাসেলের ভুল আউটের পরই মূলত নড়েচড়ে বসে বিসিবি। মাঠের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত দুটি ভুল এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্ত দেন। ওপেনার তামিম ইকবালও নিজের আউট মেনে নিতে পারেননি। অনেক সময় এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার শঙ্কা থাকে। বল পিচ করে কোন দিকে কতটা বাঁক নিয়ে ব্যাটারের প্যাডে আঘাত করছে, খালি চোখে সেটা নির্ণয় করা কঠিন বলে মনে করেন আম্পায়াররা। এ জন্যই মূলত বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বিসিবি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৩ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৪ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৭ ঘণ্টা আগে