ক্রীড়া ডেস্ক

অর্থের ঝনঝনানি তো রয়েছেই। দেশি-বিদেশি অনেক তারকা ক্রিকেটার খেলেন বলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) থাকে অন্য রকম আবহ। কিন্তু ভারতের পারভেজ রসুলের আইপিএল নিয়ে কথাটা রীতিমতো চমক জাগানিয়া। জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের চেয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগকে (ডিপিএল) এগিয়ে রাখছেন তিনি।
বাংলাদেশের ডিপিএলটা মূলত লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট। অন্যদিকে আইপিএল হয় টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। এমনকি আইপিএলের জন্য আলাদা একটা স্লটও ভাগ করা থাকে। তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ কম থাকে। ভারতের পারভেজ আইপিএল, ডিপিএল দুই টুর্নামেন্টেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইনস্টাগ্রামে কোনো এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় এই ক্রিকেটার বলেন, ‘বাংলাদেশের ঢাকা লিগে পাঁচ বছর খেলেছি। ঢাকা লিগ আইপিএলের চেয়েও কঠিন। আইপিএল এবং ঢাকা লিগেও খেলেছি আমি।’
দুই টুর্নামেন্টেই খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আইপিএলের সঙ্গে ওয়ানডে ভিত্তিক ডিপিএলের তুলনা পারভেজ করতে পেরেছেন সহজেই। কেন ডিপিএল কঠিন, সেই ব্যাখ্যায় ভারতীয় ক্রিকেটার বলেন,‘আইপিএলে চুক্তি করা হয় মৌসুমের জন্য। খেলার সুযোগ এল কি এল না, সেটা বিবেচনা না করে চুক্তি করা হয়। একাদশে থাকা দলের ওপর নির্ভর করে। এক-দুই ম্যাচ খারাপ খেলে বাদ পড়লেও দলের সঙ্গে থাকা যায়। কিন্তু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে চাপ অনেক বেশি। কারণ, এখানে দুই ম্যাচের জন্য চুক্তি করা হয়। ভালো করলে টিকে যাবেন। তা না হলে ফেরার টিকিট ধরতে হবে।’
২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ভারতের জার্সিতে কেবল ২ ম্যাচ খেলতে পেরেছেন পারভেজ। একটি করে ওয়ানডে ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। আইপিএলেও তেমন একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, পুনে ওয়ারিয়র্স-এই তিন দল মিলে ১১ ম্যাচ খেলেছেন ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্টে। ৮.২১ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৪ উইকেট। আইপিএলে দল না পাওয়ায় ডিপিএলে খেলা শুরু করেন পারভেজ। এখন পর্যন্ত গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স, লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে ৪ মৌসুম খেলেছেন ভারতীয় এই ক্রিকেটার।
পারভেজ ছাড়াও ডিপিএলে অনেক বিদেশি তারকা খেলেছেন। অরুণ লাল,ওয়াসিম জাফর, অজয় জাদেজা,অরবিন্দ ডি সিলভা, সনাথ জয়াসুরিয়া, ওয়াসিম আকরামের মতো তারকারাও খেলেছেন এক সময়।

অর্থের ঝনঝনানি তো রয়েছেই। দেশি-বিদেশি অনেক তারকা ক্রিকেটার খেলেন বলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) থাকে অন্য রকম আবহ। কিন্তু ভারতের পারভেজ রসুলের আইপিএল নিয়ে কথাটা রীতিমতো চমক জাগানিয়া। জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের চেয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগকে (ডিপিএল) এগিয়ে রাখছেন তিনি।
বাংলাদেশের ডিপিএলটা মূলত লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট। অন্যদিকে আইপিএল হয় টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। এমনকি আইপিএলের জন্য আলাদা একটা স্লটও ভাগ করা থাকে। তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ কম থাকে। ভারতের পারভেজ আইপিএল, ডিপিএল দুই টুর্নামেন্টেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইনস্টাগ্রামে কোনো এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় এই ক্রিকেটার বলেন, ‘বাংলাদেশের ঢাকা লিগে পাঁচ বছর খেলেছি। ঢাকা লিগ আইপিএলের চেয়েও কঠিন। আইপিএল এবং ঢাকা লিগেও খেলেছি আমি।’
দুই টুর্নামেন্টেই খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আইপিএলের সঙ্গে ওয়ানডে ভিত্তিক ডিপিএলের তুলনা পারভেজ করতে পেরেছেন সহজেই। কেন ডিপিএল কঠিন, সেই ব্যাখ্যায় ভারতীয় ক্রিকেটার বলেন,‘আইপিএলে চুক্তি করা হয় মৌসুমের জন্য। খেলার সুযোগ এল কি এল না, সেটা বিবেচনা না করে চুক্তি করা হয়। একাদশে থাকা দলের ওপর নির্ভর করে। এক-দুই ম্যাচ খারাপ খেলে বাদ পড়লেও দলের সঙ্গে থাকা যায়। কিন্তু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে চাপ অনেক বেশি। কারণ, এখানে দুই ম্যাচের জন্য চুক্তি করা হয়। ভালো করলে টিকে যাবেন। তা না হলে ফেরার টিকিট ধরতে হবে।’
২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ভারতের জার্সিতে কেবল ২ ম্যাচ খেলতে পেরেছেন পারভেজ। একটি করে ওয়ানডে ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। আইপিএলেও তেমন একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, পুনে ওয়ারিয়র্স-এই তিন দল মিলে ১১ ম্যাচ খেলেছেন ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্টে। ৮.২১ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৪ উইকেট। আইপিএলে দল না পাওয়ায় ডিপিএলে খেলা শুরু করেন পারভেজ। এখন পর্যন্ত গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স, লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জ, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে ৪ মৌসুম খেলেছেন ভারতীয় এই ক্রিকেটার।
পারভেজ ছাড়াও ডিপিএলে অনেক বিদেশি তারকা খেলেছেন। অরুণ লাল,ওয়াসিম জাফর, অজয় জাদেজা,অরবিন্দ ডি সিলভা, সনাথ জয়াসুরিয়া, ওয়াসিম আকরামের মতো তারকারাও খেলেছেন এক সময়।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
৮ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৩৩ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে