সাকিব আল হাসান-মুশফিকুর রহিমরা যখন মাঠে ভারতীয় বোলারদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তখন ধারাভাষ্য কক্ষে বসে বেশ মজাই করছিলেন। উগরে দিচ্ছিলেন পুরোনো দিনের স্মৃতি। চেন্নাই টেস্টে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে মাইক্রোফোন হাতে বেশ কৌতুকপূর্ণ কথাও বলছিলেন তিনি।
আজ তৃতীয় দিনের সকালের সেশনে বাংলাদেশি স্পিনারদের ওপর বেশ চড়াও হয়ে খেলছিলেন দুই ভারতীয় ব্যাটার ঋষভ পন্ত ও শুবমান গিল। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে লিড বড় করার চেষ্টায় ছিলেন দুজনে। দুজনের ছয় মারা দেখে তামিম ও শাস্ত্রীর মধ্যে ছয় মারার কৌশল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
বাংলাদেশ ওপেনার তামিম যুক্তি দেন, টেস্ট ম্যাচে বড় স্কোরের জন্য পেশিশক্তি দরকার বলে জানান। তিনি পন্তের নিচু হয়ে ব্যাটিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে সেটি উল্লেখ করেন। সে জায়গা থেকে শাস্ত্রী বিতর্ক শুরু করেন তামিমের সঙ্গে। তাঁর দাবি, এটা (ছয় মারা) শারীরিক শক্তির চেয়ে বেশি কৌশলগত বিষয়। তিনি পন্ত ও গিলের ছয় মারার দিকে ইঙ্গিত করে জানান, দুজনের ব্যাটিংয়ের সময় কীভাবে ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করেন। তাঁদের মাথার অবস্থানও কেমন থাকে সেটি বলেন শাস্ত্রী।
এ সময় শাস্ত্রী আলোচনার সময় তামিমকে তাঁর ছয় মারা নিয়ে একটু কৌতুক করে হাসতে হাসতে বলেন, ‘কেন তুমি অভিযোগ করছো? তুমি তো আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার (হলিউড অভিনেতা) নও, বাংলাদেশের হয়ে তুমি সবচেয়ে বেশি (টেস্টে) ৬ মেরেছো। ৪১!’
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি ৬ মেরেছেন তামিম। সংখ্যাটা—৪১। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও সর্বোচ্চ ৬ তামিমের—১৮৮।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে