নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রথম ম্যাচে হেরে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখনই অনেকটা ‘যদি-কিন্তু’র সামনে। সুপার ফোরে যেতে হলে আগামীকাল লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া বিকল্প উপায় নেই তাদের। আফগানদের বিপক্ষে জিতলেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথটা মসৃণ হবে না সাকিব আল হাসানদের।
কারণ, বাংলাদেশের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি ম্যাচ আছে আফগানিস্তানের। ওই ম্যাচে রশিদ খানরা জিতলে, তখন আবার হিসেব-নিকেশ শুরু হবে নেট রান রেটের। ওই সব হিসেব তো পরে, আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষ ম্যাচটাই জিততে হবে বাংলাদেশকে।
তাই আপাতত অন্য কিছু নয়, বাংলাদেশের ভাবনায় শুধু আগামীকাল আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটা ঘিরেই। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহও এটাই বললেন, ‘ (এশিয়া কাপের) ফাইনাল নিয়ে ভাবার আগে আমাদের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হবে। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে, আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কী ঘটেছে। আমরা জানি, এটা অবশ্যই জিততে হবে। আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি আগের ম্যাচে। আমরা নিজেদের ঠিকভাবে প্রতিনিধিত্বও করতে পারিনি। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের সেরাটা আগামীকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে পারব।’
পাকিস্তানের কন্ডিশন আফগানিস্তানের মতোই। সেখানে আফগানদের কিছুটাও এগিয়ে থাকাও স্বাভাবিক। সর্বশেষ বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে তারা। গতকাল আফগানিস্তান কোচ জোনাথান ট্রট তো নিজের দলকে ফেভারিট বলেই দিয়েছেন।
আজ হাথুরুর মতেও ম্যাচটা বাংলাদেশ জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। এর ব্যাখ্যাও দিলেন বাংলাদেশ কোচ, ‘আফগানিস্তানের বোলিং আক্রমণ অন্যতম সেরা। অবশ্যই এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে সম্প্রতি আমরা তাদের বিপক্ষে খেলেছি। ব্যাটাররা সাফল্য পেয়েছে কিছু। এটা নির্ভর করছে ওই দিনে আপনি কীভাবে পারফর্ম করছেন। আমরা ভালোভাবেই জানি কী চ্যালেঞ্জ নিতে হবে আমাদের।’
হাথুরুর ভাবনায় এখন শুধু আফগান ম্যাচ, ‘আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবছি না এই মুহূর্তে। ফোকাস হচ্ছে এশিয়া কাপ খেলা। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য।’

প্রথম ম্যাচে হেরে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখনই অনেকটা ‘যদি-কিন্তু’র সামনে। সুপার ফোরে যেতে হলে আগামীকাল লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় ছাড়া বিকল্প উপায় নেই তাদের। আফগানদের বিপক্ষে জিতলেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথটা মসৃণ হবে না সাকিব আল হাসানদের।
কারণ, বাংলাদেশের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি ম্যাচ আছে আফগানিস্তানের। ওই ম্যাচে রশিদ খানরা জিতলে, তখন আবার হিসেব-নিকেশ শুরু হবে নেট রান রেটের। ওই সব হিসেব তো পরে, আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষ ম্যাচটাই জিততে হবে বাংলাদেশকে।
তাই আপাতত অন্য কিছু নয়, বাংলাদেশের ভাবনায় শুধু আগামীকাল আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচটা ঘিরেই। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহও এটাই বললেন, ‘ (এশিয়া কাপের) ফাইনাল নিয়ে ভাবার আগে আমাদের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হবে। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে, আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কী ঘটেছে। আমরা জানি, এটা অবশ্যই জিততে হবে। আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি আগের ম্যাচে। আমরা নিজেদের ঠিকভাবে প্রতিনিধিত্বও করতে পারিনি। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের সেরাটা আগামীকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে পারব।’
পাকিস্তানের কন্ডিশন আফগানিস্তানের মতোই। সেখানে আফগানদের কিছুটাও এগিয়ে থাকাও স্বাভাবিক। সর্বশেষ বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে তারা। গতকাল আফগানিস্তান কোচ জোনাথান ট্রট তো নিজের দলকে ফেভারিট বলেই দিয়েছেন।
আজ হাথুরুর মতেও ম্যাচটা বাংলাদেশ জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। এর ব্যাখ্যাও দিলেন বাংলাদেশ কোচ, ‘আফগানিস্তানের বোলিং আক্রমণ অন্যতম সেরা। অবশ্যই এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে সম্প্রতি আমরা তাদের বিপক্ষে খেলেছি। ব্যাটাররা সাফল্য পেয়েছে কিছু। এটা নির্ভর করছে ওই দিনে আপনি কীভাবে পারফর্ম করছেন। আমরা ভালোভাবেই জানি কী চ্যালেঞ্জ নিতে হবে আমাদের।’
হাথুরুর ভাবনায় এখন শুধু আফগান ম্যাচ, ‘আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবছি না এই মুহূর্তে। ফোকাস হচ্ছে এশিয়া কাপ খেলা। এই ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য।’

মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
৪ মিনিট আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামের পাশে যুক্ত হতে পারত আরও একটি গোল। ১০০০ গোলের যে মিশনে তিনি নেমেছেন, তাতে এগিয়ে যেতে পারতেন আরও এক ধাপ। আল শাবাবের রক্ষণভাগে তিনি পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলটা তিনি করতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে