
ম্যাচ শুরুর আগে বিরাট কোহলি আর গৌতম গম্ভীরের লড়াই দেখার অপেক্ষার কথা জানিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ ও বরুণ অ্যারন। তবে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্মিথ এবং ভারতীয় পেসার বরুণকে ফ্রেমে বাঁধাই করে রেখে দেওয়ার মুহূর্ত এনে দিয়েছেন কোহলি-গম্ভীর।
একে অপরে আলিঙ্গন করে সকল মান অভিমানের সমাপ্তি টেনেছেন দুজনে। বিরল এই মুহূর্তটির জন্ম হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং ইনিংসের দ্বিতীয় ‘টাইম আউটের’ সময়। কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর হিসেবে এবার দায়িত্ব পালন করা গম্ভীর বিরতির সময় মাঠে প্রবেশ করে কোহলির দিয়ে এগিয়ে যান। সাবেক জাতীয় দলের সতীর্থকে এগিয়ে আসতে দেখতে কোহলিও হাত বাড়িয়ে দেন। এরপর দুজনে হাত মিলিয়ে আলিঙ্গনে শান্তি খুঁজে নেন।
দুজনকে এ সময় বেশ কিছুক্ষণ হাসিমুখে কথা বলতেও দেখা যায়। হয়তো এ সময় পুরোনো দিনের বিবাদের কথাই স্মরণ করে হাসছিলেন তারা! তাঁদের এই হাস্যোজ্জ্বল মুখের দৃশ্যে পরে মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। খোদ আইপিএলও নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি পোস্ট করেছে। হাসির ইমোজি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছে, ‘মুহূর্তটি দেখতে আমরা ভালোবাসি।’ ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এখন হাজারো স্বাগত মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। তবে বাংলাদেশের কিছু সমর্থক অবশ্য স্মরণীয় এই দৃশ্য দেখে আফসোসও করছেন।
কোহলি-গম্ভীরের এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য দেখে খুশি হয়েছেন দুই ভারতীয় কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার ও রবি শাস্ত্রী। ধারাভাষ্যকক্ষে বিষয়টি নিয়ে একটু মজাও করেছেন দুজনে। শাস্ত্রী বলেছেন, ‘কোহলি ও গম্ভীরের এই আলিঙ্গনের জন্য কলকাতা ফেয়ার প্লে পুরস্কার পাওয়া উচিত।’ গাভাস্কার আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, ‘শুধু ফেয়ার প্লে পুরস্কার নয়, দুজনকে অস্কারও দেওয়া উচিত।’
মান-অভিমান ভুলে যাওয়ার ম্যাচে একটা রেকর্ডও গড়েছেন কোহলি। বেঙ্গালুরুর হয়ে এখন আইপিএলে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক তিনি। তাঁর ২৪১ ছক্কার পরেই আছেন ক্রিস গেইল (২৩৯) ও এবি ডি ভিলিয়ার্স (২৩৮)। তবে রেকর্ড গড়ার ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক। তাঁর ৮৩ রানের ইনিংসে ভর করে কলকাতাকে ১৮৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বেঙ্গালুরু। তাড়া করতে নেমে ১৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পায় মেন্টর গম্ভীরের দল।

ম্যাচ শুরুর আগে বিরাট কোহলি আর গৌতম গম্ভীরের লড়াই দেখার অপেক্ষার কথা জানিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ ও বরুণ অ্যারন। তবে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্মিথ এবং ভারতীয় পেসার বরুণকে ফ্রেমে বাঁধাই করে রেখে দেওয়ার মুহূর্ত এনে দিয়েছেন কোহলি-গম্ভীর।
একে অপরে আলিঙ্গন করে সকল মান অভিমানের সমাপ্তি টেনেছেন দুজনে। বিরল এই মুহূর্তটির জন্ম হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং ইনিংসের দ্বিতীয় ‘টাইম আউটের’ সময়। কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর হিসেবে এবার দায়িত্ব পালন করা গম্ভীর বিরতির সময় মাঠে প্রবেশ করে কোহলির দিয়ে এগিয়ে যান। সাবেক জাতীয় দলের সতীর্থকে এগিয়ে আসতে দেখতে কোহলিও হাত বাড়িয়ে দেন। এরপর দুজনে হাত মিলিয়ে আলিঙ্গনে শান্তি খুঁজে নেন।
দুজনকে এ সময় বেশ কিছুক্ষণ হাসিমুখে কথা বলতেও দেখা যায়। হয়তো এ সময় পুরোনো দিনের বিবাদের কথাই স্মরণ করে হাসছিলেন তারা! তাঁদের এই হাস্যোজ্জ্বল মুখের দৃশ্যে পরে মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। খোদ আইপিএলও নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি পোস্ট করেছে। হাসির ইমোজি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেছে, ‘মুহূর্তটি দেখতে আমরা ভালোবাসি।’ ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এখন হাজারো স্বাগত মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। তবে বাংলাদেশের কিছু সমর্থক অবশ্য স্মরণীয় এই দৃশ্য দেখে আফসোসও করছেন।
কোহলি-গম্ভীরের এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য দেখে খুশি হয়েছেন দুই ভারতীয় কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার ও রবি শাস্ত্রী। ধারাভাষ্যকক্ষে বিষয়টি নিয়ে একটু মজাও করেছেন দুজনে। শাস্ত্রী বলেছেন, ‘কোহলি ও গম্ভীরের এই আলিঙ্গনের জন্য কলকাতা ফেয়ার প্লে পুরস্কার পাওয়া উচিত।’ গাভাস্কার আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, ‘শুধু ফেয়ার প্লে পুরস্কার নয়, দুজনকে অস্কারও দেওয়া উচিত।’
মান-অভিমান ভুলে যাওয়ার ম্যাচে একটা রেকর্ডও গড়েছেন কোহলি। বেঙ্গালুরুর হয়ে এখন আইপিএলে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক তিনি। তাঁর ২৪১ ছক্কার পরেই আছেন ক্রিস গেইল (২৩৯) ও এবি ডি ভিলিয়ার্স (২৩৮)। তবে রেকর্ড গড়ার ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক। তাঁর ৮৩ রানের ইনিংসে ভর করে কলকাতাকে ১৮৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বেঙ্গালুরু। তাড়া করতে নেমে ১৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পায় মেন্টর গম্ভীরের দল।

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩৬ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে