
কয়েক মাস বাদেই আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির খেলা। এই মিনি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতীয় ক্রিকেট দল পাকিস্তান সফর করবে কি না, সে ব্যাপারে এখনো পরিষ্কার কোনো বার্তা আসেনি। টুর্নামেন্ট যত কােছ আসছে, পরিস্থিতি যেন আরও ঘোলাটে হচ্ছে।
বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা এবং দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে, তারা পাকিস্তান সফরে যেতে চায় না, খেলতে চায় হাইব্রিড মডেলের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। এদিকে ২৯ বছর পর দেশের মাঠে আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য সব রকমের প্রস্তুতি প্রায় সেরে ফেলেছে পাকিস্তান।
এর মধ্যেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি তাই ‘হাইব্রিড মডেলে’ আয়োজনের চিন্তাভাবনা চলছে বলে ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন হয়েছে। ভারতের ম্যাচগুলো দুবাই কিংবা শারজায় নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে পিসিবি! তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এ খবরে ব্যাপক খেপেছে বলে জানিয়েছে। হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে দ্রুতই।
গতকাল লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ পরিদর্শনকালে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেছেন, ‘গত দুই মাস ধরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পাকিস্তান সফর করবে না ভারত। এ ব্যাপারে আমি আমার দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং আমাদের অবস্থান পরিষ্কার: তাদের (ভারত) কোনো আপত্তি থাকলে সেটা লিখিত আকারে দিতে হবে।’
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ইস্যুতে ভারত অবশ্য কিছুটা বেকায়দায়। এশিয়া কাপের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও হাইব্রিড মডেলের কথা বললেও, এ ব্যাপারে এরই মধ্যে আপত্তি জানিয়েছে অন্য দলগুলো। ভারত বাদে বাকি সব দলই পাকিস্তানে খেলতে রাজি। কোনো দলকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হলেও সেটি মানবে না তারা। নাকভি বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত হাইব্রিড মডেল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি এবং আমরা সেটি মানতে প্রস্তুত নই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এটি নিয়ে খবর প্রকাশ করছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে পিসিবির কাছে কোনো বার্তা পৌঁছায়নি।’
নাকভির মতে, অতীতে ভারতের প্রতি অনেকবার দারুণ উদারতা দেখিয়েছে পাকিস্তান। ভারত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে না গেলেও পাকিস্তান ঠিকই ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে গিয়েছে। খেলাধুলায় রাজনীতিকে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পিসিবির প্রধান, ‘যদি ভারতের কাছ থেকে চিঠি পাই, তাহলে সেটা নিয়ে সরকারের কাছে যেতে হবে আমাকে এবং তাদের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। পাকিস্তান অতীতে অসাধারণ উদারতা দেখিয়েছে ভারতকে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, তারা যেন সব সময়ের মতো আমাদের কাছ থেকে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের প্রত্যাশা না করে।’
নাকভির হুমকি, ভারত যদি পাকিস্তান সফর না করে, তবে ভবিষ্যতে কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে পাকিস্তান যাবে না ভারতে, ‘যদি তারা আসতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে পাকিস্তান ভারতে যাবে কি না, সে বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। পিসিবি কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। ক্রিকেটকে রাজনীতিমুক্ত রাখা উচিত। কোনো খেলাকেই রাজনীতির সঙ্গে মেশানো উচিত নয়। কোনো দেশের সঙ্গে যদি সম্পর্ক ভালো না থাকে, তাহলে সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু খেলাধুলায় রাজনীতিকে জড়ানো উচিত নয়।’

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৭ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে