‘এশিয়া কাপের দলই হবে বিশ্বকাপ দল’—এই সুর কিছুদিন আগেই বদলে ফেলেছেন বিসিবির নীতিনির্ধারকেরা। আসলে বদলাতে বাধ্যই হয়েছেন। কারণ, বিশ্বকাপ শুরুর সময় ঘনিয়ে এলেও ব্যাটিং পজিশনের কয়েকটি জায়গায় সমস্যার সমাধানসূত্র বের করতে পারেনি বিসিবি। আর তাই সমাধান পাওয়ার জন্য তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ২১ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে।
ওপেনিংয়ে বরাবরের সমস্যা এখনো বিদ্যমান। চৌকস টপ অর্ডার পাওয়া আগের মতোই যেন দূরের ছবি! লোয়ার মিডল অর্ডারেও যিনি ভালো করবেন বলে ধরা হচ্ছে, তিনি আশানুরূপ পারফর্ম করতে ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আগে এসব সমস্যার সমাধান পাওয়ার শেষ সুযোগ নিউজিল্যান্ড সিরিজই। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ হবে ২৬ সেপ্টেম্বর। এই ম্যাচ খেলেই পরদিন বিশ্বকাপ খেলতে ভারতের উদ্দেশে উড়াল দেবেন সাকিব আল হাসানরা। তাই সমাধানসূত্রের সন্ধানে বিশ্বকাপের আগপর্যন্তও লেগে থাকতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। ‘যারা বিশ্বকাপ দলে থাকার দাবিদার, এশিয়া কাপে তারা হতাশ করেছে’—জানিয়ে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ড সিরিজেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলবে।
বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে একটি শক্তিশালী টপ অর্ডারের আশায় টিম ম্যানেজমেন্ট। নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ফিরছেন তামিম। তবে এই বাঁহাতি ওপেনারকে আগে পুরোপুরি ফিট দেখতে চান হাথুরু। কিউই সিরিজের দলে ফিরলেও তামিমের এই বছরের পারফরম্যান্স স্বস্তিতে রাখছে না নির্বাচকদের। ১০ ওয়ানডেতে ২৬.৫৫ গড়ে করেছেন ২৩৯ রান। বড় ইনিংস বলতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ফিফটি। তাঁর ওপেনিং পার্টনার লিটন ১৫ ম্যাচে ২৫.৫৩ গড়ে করেছেন ৩৩২ রান।
তবে দুজনের জায়গায় বিশ্বকাপে ব্যাকআপ ওপেনার হিসেবে যাঁদের পরখ করা হয়েছে, তাঁদের পারফরম্যান্স আরও খারাপ। মোহাম্মদ নাঈম ও তানজিদ হাসান তামিম ব্যর্থ। চলতি বছরে ৬ ম্যাচে ১৫.৬৬ গড়ে ৯৪ রান নাঈমের। এশিয়া কাপে হতাশ করে শেষ পর্যন্ত বাদই পড়েছেন নিউজিল্যান্ড সিরিজের দল থেকে। ৬.৫০ গড়ে জুনিয়র তামিম দুই ম্যাচে করেছেন ১৩ রান। এশিয়া কাপের এক ম্যাচে তিনে নেমেছেন এনামুল হক বিজয়, করেছেন ৪ রান। তাঁর ব্যাটিং দেখেও মনে হয়নি বিশ্বকাপের মঞ্চে এই জায়গায় বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারকে সামলানোর জন্য তিনি প্রস্তুত। নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে অবশ্য আছেন বিজয়। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের কাছাকাছি সময়ে এসে টপ অর্ডার নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েই গেছে। সে প্রশ্নের উত্তর কিউই সিরিজেই পেতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। লিটন ও ‘সিনিয়র’ তামিম ফর্মে ফিরলেই কেবল টপ অর্ডার নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।
টপ অর্ডার নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানিয়ে গতকাল আজকের পত্রিকাকে বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বললেন, ‘আমরা একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে এগোচ্ছি। যেহেতু একটা সুযোগ পাচ্ছি। তামিম দলের বাইরে ছিল, অনেক দিন পর ফিরছে, লিটনও ফর্মে নেই (ফর্মে ফেরা দরকার)। এ ছাড়া বাকিদেরও দেখা হবে এই সিরিজে।’
কোচ হাথুরুর অস্বস্তির জায়গা দলের লোয়ার মিডল অর্ডার। যে পজিশনে আফিফ হোসেন, শামীম হোসেন ও শেখ মেহেদী হাসানকেও পরখ করা হয়েছে। কিন্তু চিন্তা ভাঁজ কপাল থেকে দূর করতে ব্যর্থ তাঁরা। এশিয়া কাপে ব্যর্থ আফিফ এই বছর ওয়ানডেতে ৭ ইনিংসে করেছেন ৬৭ রান, গড় ১১.১৬। ৪ ম্যাচে শামীমের ৩৩ রান, ৮. ২৫ গড়। দুই ম্যাচে ইয়াসির আলি রাব্বির রান ২৪। এই ব্যর্থতার কারণে কিউই সিরিজে অভিজ্ঞতার দিকে ঝুঁকেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কিউইদের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকারকে ডেকেছেন নির্বাচকেরা। বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে তাই কিউই সিরিজে তাঁদের পারফরম্যান্সটা দেখতে চান নির্বাচকেরা। এ ব্যাপারে হাবিবুল বাশারের সুরে কথা বললেন আরেক নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাকও, ‘যেহেতু এখনো সময় আছে, দেখার সুযোগ আছে। সামনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ। যদি নতুন করে কাউকে পাওয়া যায় কিংবা যাদেরকে চিন্তা করা হচ্ছে, তারা যদি ভালো করে, তাহলে তো ভালোই।’

লিওনেল মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার গল্প শেষের এক সপ্তাহও পেরোয়নি। গত ৩১ আগস্ট সামাজিক মাধ্যমে এক ঘোষণায় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছেন তিনি। আর্জেন্টাইন তারকার অবসরের রেশ কাটতে না কাটতেই অবসরে গেলেন আরেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফুটবলার।
১২ মিনিট আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একসময় স্মৃতি মান্ধানা ও মিতালি রাজ ছিলেন সতীর্থ। সময়ের পরিক্রমায় এখন মিতালি ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার। তাঁর সাবেক সতীর্থ স্মৃতি ব্যাট হাতে ছুটিয়ে চলেছেন রানের ফুলঝুড়ি। এবার সেই মিতালিকে টপকে মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের রেকর্ডটা হয়ে গেল স্মৃতির।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্টার মায়ামিতে মাতিয়াস গালার্সার যোগদানের খবর শোনা যাচ্ছিল কদিন ধরেই। অবশেষে এল সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এখন তিনি খেলবেন লিওনেল মেসি-রদ্রিগো দি পলদের সঙ্গে মায়ামিতে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটিতে গালার্সা যোগ দিয়েছেন ধারে।
১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত পদকের অপেক্ষা দীর্ঘ। ১৯৮৬ সালে বক্সিংয়ে মোশাররফ হোসেন ব্রোঞ্জ জিতে শুরু করেছিলেন বাংলাদেশের পদকযাত্রা। এরপর কাবাডি ও ক্রিকেটে এসেছে আরও পদক। তবে ব্যক্তিগত ইভেন্টে সেটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র পদক। আর ২০১০ সালের গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেট দল সোনা জিতে
১৫ ঘণ্টা আগে