
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজ অস্ট্রেলিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে নিউজিল্যান্ড। তাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে ২০১১ সালের পর প্রথম জয়ের দেখা পেল কিউইরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়কে স্বাভাবিকভাবে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন ওপেনার ডেভন কনওয়ে।
কনওয়ের দুর্দান্ত ইনিংসই নিউজিল্যান্ডের জয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। ৫৮ বলে ৯২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে এই বাঁহাতি ওপেনারের হাতে। উইকেটের পেছনে দুটো ক্যাচও ধরেন কনওয়ে।
ম্যাচশেষে তাই বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা মিলল তাঁকে। পুরস্কার-বিতরণী অনুষ্ঠানে দলের জয় নিয়ে বলছিলেন, ‘সবাই অসাধারণ খেলেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যেকোনো জয়ই বড় অর্জন।’
আমিরাতে গত বিশ্বকাপে এই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে শিরোপা-স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই অজিদের হারিয়ে মধুর প্রতিশোধও নেওয়া হয়ে গেল কিউইদের। এদিন শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় কেন উইলিয়ামসনের দল।
ওপেনিংয়ে ঝোড়ো সূচনা এনে দেন তরুণ ফিন অ্যালেন। শুরুতে তাঁকে সঙ্গ দিলেও ম্যাচ যত গড়িয়েছে হাত খুলে খেলেন কনওয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে উইলিয়ামসন, মাঝে গ্লেন ফিলিপস ও শেষ দিকে জিমি নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ে কনওয়ে।
বোলিংয়ে অবশ্য অজিদের কোনো সুযোগই দেননি ট্রেন্ট বোল্ট-টিম সাউদিরা। তবে কনওয়ের মতে ম্যাচের গতিপথ তৈরি করে দেন আসলে অ্যালেন। তাঁর ১৬ বলে ৪২ রানের ইনিংসই অজিদের ভড়কে দেয়। কনওয়ে বলেন, ‘ফিনকে (অ্যালেন) কৃতিত্ব দিতে হবে। সে ম্যাচের মোমেন্টাম তৈরি করে দিয়েছে। খুবই দারুণ ইনিংস খেলেছে সে। তাকে (অ্যালেন) বারবার আমি এমন ইনিংস খেলতে দেখেছি। ফিন আমার খেলাকে পূর্ণতা দিয়েছে।’

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজ অস্ট্রেলিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে নিউজিল্যান্ড। তাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে ২০১১ সালের পর প্রথম জয়ের দেখা পেল কিউইরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়কে স্বাভাবিকভাবে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন ওপেনার ডেভন কনওয়ে।
কনওয়ের দুর্দান্ত ইনিংসই নিউজিল্যান্ডের জয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। ৫৮ বলে ৯২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে এই বাঁহাতি ওপেনারের হাতে। উইকেটের পেছনে দুটো ক্যাচও ধরেন কনওয়ে।
ম্যাচশেষে তাই বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা মিলল তাঁকে। পুরস্কার-বিতরণী অনুষ্ঠানে দলের জয় নিয়ে বলছিলেন, ‘সবাই অসাধারণ খেলেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যেকোনো জয়ই বড় অর্জন।’
আমিরাতে গত বিশ্বকাপে এই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে শিরোপা-স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই অজিদের হারিয়ে মধুর প্রতিশোধও নেওয়া হয়ে গেল কিউইদের। এদিন শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় কেন উইলিয়ামসনের দল।
ওপেনিংয়ে ঝোড়ো সূচনা এনে দেন তরুণ ফিন অ্যালেন। শুরুতে তাঁকে সঙ্গ দিলেও ম্যাচ যত গড়িয়েছে হাত খুলে খেলেন কনওয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে উইলিয়ামসন, মাঝে গ্লেন ফিলিপস ও শেষ দিকে জিমি নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ে কনওয়ে।
বোলিংয়ে অবশ্য অজিদের কোনো সুযোগই দেননি ট্রেন্ট বোল্ট-টিম সাউদিরা। তবে কনওয়ের মতে ম্যাচের গতিপথ তৈরি করে দেন আসলে অ্যালেন। তাঁর ১৬ বলে ৪২ রানের ইনিংসই অজিদের ভড়কে দেয়। কনওয়ে বলেন, ‘ফিনকে (অ্যালেন) কৃতিত্ব দিতে হবে। সে ম্যাচের মোমেন্টাম তৈরি করে দিয়েছে। খুবই দারুণ ইনিংস খেলেছে সে। তাকে (অ্যালেন) বারবার আমি এমন ইনিংস খেলতে দেখেছি। ফিন আমার খেলাকে পূর্ণতা দিয়েছে।’

২০২৪ সালের দুঃস্মৃতি এখনো দগদগে দক্ষিণ আফ্রিকার ভক্তদের মনে। দেখতে দেখতেই আরও একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নামছে। আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হবে এই সংস্করণের বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্ব।
৩ মিনিট আগে
টানা ৩ হারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে অ্যাশেজ হেরেছে ইংল্যান্ড। অবশেষে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অজিদের হারিয়ে ব্যবধান কমিয়েছে তারা। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মর্যাদাপূর্ণ সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে দুই দল। ম্যাচটির জন্য ১২ সদস্যের দল দিয়েছে ইংল্যান্ড।
২৯ মিনিট আগে
জয় দিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি পর্ব শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই হেরে যায় চট্টগ্রাম কিংস। ঘুরে দাঁড়াতেও বেশি সময় নিল না তারা। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১০ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে শেখ মেহেদি হাসানের দল।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর একগাদা ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের হোম সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সময়কালে নিজেদের মাঠে পাঁচটি দলের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজরা। এর মধ্যে আছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ডের মতো ক্রিকেট বিশ্বের শক্তিশালী দলগুলো।
২ ঘণ্টা আগে