ক্রীড়া ডেস্ক

চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে গত রাতে যুজবেন্দ্র চাহালের অপেক্ষা যেন ফুরোচ্ছিল না। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য আকাশে বল ভেসে থাকলেও সেই মুহূর্ত অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছিল চাহালের। অবশেষে লং অনে মার্কো ইয়ানসেন ক্যাচটা ধরতেই হ্যাটট্রিক হয়ে গেল।
চাহাল হ্যাটট্রিক করার পর সতীর্থরা বাঁধভাঙা উল্লাস করলেও তাঁর (চাহাল) উদ্যাপনটা একরকম সাদামাটাই ছিল। হাত মুঠো করে স্বাভাবিক উদ্যাপন করলেন। চাহাল এরপর চিদাম্বরমের ঘাসে হালকা পিছলে বসে পড়লেন। এই হ্যাটট্রিকে ভারতীয় এই লেগ স্পিনার গড়লেন একগাদা রেকর্ড। চলুন, তাহলে দেখে নেওয়া যাক, কী কী রেকর্ড তিনি গড়েছেন।

চাহালের এই কীর্তি গড়ার রাতেই মহাবাস নামে এক নারী রেডিও জকি (আরজে) সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। আরজে মহাবাস নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তা ভর করলেন নাকি তাঁর ওপর। যুজবেন্দ্র চাহাল স্যার, আপনি যোদ্ধা।’ আরজে মহাবাসের সঙ্গে চাহালকে এর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, আইপিএলে দেখা গেছে বলে শোনা যাচ্ছে।
চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে গত রাতে নিজের প্রথম ২ ওভারে ২৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি চাহাল। ইনিংসের ১৯তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভার করতে যান তিনি। ১৯তম ওভারের প্রথম বলটা চাহাল ওয়াইড দিয়ে শুরু করেন। পরের বলেই তাঁকে (চাহাল) লং অন দিয়ে বিশাল ছক্কা মারেন ধোনি। কিন্তু দ্বিতীয় বলেই ধোনিকে লংঅফে নেহাল ওয়াধেরার ক্যাচ বানিয়ে ড্রেসিংরুমে পাঠান চাহাল। তৃতীয় বলে ২ রান নেন দীপক হুদা।
১৯তম ওভারের শেষ তিন বলে চাহাল পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। চতুর্থ বলে হুদা ক্যাচ দেন প্রিয়াংশ আর্যের হাতে। পঞ্চম বলে অনশুল কাম্বোজকে বোল্ড এবং নুর আহমাদকে ফিরিয়ে চাহাল তুলে নেন আইপিএলে রেকর্ড হ্যাটট্রিক। চাহালের রেকর্ডের রাতে আইপিএলে ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে পাঞ্জাব কিংস। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করা চেন্নাই সুপার কিংস ১৯.২ ওভারে ১৯০ রানে অলআউট হয়েছে। লক্ষ্যে নেমে ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৪ রান করে পাঞ্জাব। রুদ্ধশ্বাস জয়েও অবশ্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পাননি চাহাল। ৪১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার।

চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে গত রাতে যুজবেন্দ্র চাহালের অপেক্ষা যেন ফুরোচ্ছিল না। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য আকাশে বল ভেসে থাকলেও সেই মুহূর্ত অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছিল চাহালের। অবশেষে লং অনে মার্কো ইয়ানসেন ক্যাচটা ধরতেই হ্যাটট্রিক হয়ে গেল।
চাহাল হ্যাটট্রিক করার পর সতীর্থরা বাঁধভাঙা উল্লাস করলেও তাঁর (চাহাল) উদ্যাপনটা একরকম সাদামাটাই ছিল। হাত মুঠো করে স্বাভাবিক উদ্যাপন করলেন। চাহাল এরপর চিদাম্বরমের ঘাসে হালকা পিছলে বসে পড়লেন। এই হ্যাটট্রিকে ভারতীয় এই লেগ স্পিনার গড়লেন একগাদা রেকর্ড। চলুন, তাহলে দেখে নেওয়া যাক, কী কী রেকর্ড তিনি গড়েছেন।

চাহালের এই কীর্তি গড়ার রাতেই মহাবাস নামে এক নারী রেডিও জকি (আরজে) সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। আরজে মহাবাস নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তা ভর করলেন নাকি তাঁর ওপর। যুজবেন্দ্র চাহাল স্যার, আপনি যোদ্ধা।’ আরজে মহাবাসের সঙ্গে চাহালকে এর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, আইপিএলে দেখা গেছে বলে শোনা যাচ্ছে।
চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে গত রাতে নিজের প্রথম ২ ওভারে ২৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি চাহাল। ইনিংসের ১৯তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভার করতে যান তিনি। ১৯তম ওভারের প্রথম বলটা চাহাল ওয়াইড দিয়ে শুরু করেন। পরের বলেই তাঁকে (চাহাল) লং অন দিয়ে বিশাল ছক্কা মারেন ধোনি। কিন্তু দ্বিতীয় বলেই ধোনিকে লংঅফে নেহাল ওয়াধেরার ক্যাচ বানিয়ে ড্রেসিংরুমে পাঠান চাহাল। তৃতীয় বলে ২ রান নেন দীপক হুদা।
১৯তম ওভারের শেষ তিন বলে চাহাল পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। চতুর্থ বলে হুদা ক্যাচ দেন প্রিয়াংশ আর্যের হাতে। পঞ্চম বলে অনশুল কাম্বোজকে বোল্ড এবং নুর আহমাদকে ফিরিয়ে চাহাল তুলে নেন আইপিএলে রেকর্ড হ্যাটট্রিক। চাহালের রেকর্ডের রাতে আইপিএলে ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে পাঞ্জাব কিংস। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করা চেন্নাই সুপার কিংস ১৯.২ ওভারে ১৯০ রানে অলআউট হয়েছে। লক্ষ্যে নেমে ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৪ রান করে পাঞ্জাব। রুদ্ধশ্বাস জয়েও অবশ্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পাননি চাহাল। ৪১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
১ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৭ ঘণ্টা আগে