
লেগ স্পিন ভেলকিতে মুড়ি মুড়কির মতো উইকেট তুলে নেন রশিদ খান। একের পর এক রেকর্ড বইয়ে উঠছে তাঁর নাম। আফগান এই লেগস্পিনারের এবার নাম উঠে গেল একটি বাজে রেকর্ডে। যে রেকর্ড দেখলে তিনি নিশ্চিতভাবেই মুখ ফিরিয়ে নিতে চাইবেন।
ইংল্যান্ডের ১০০ বলের টুর্নামেন্ট ‘দ্য হান্ড্রেডে’ এবার রশিদ খেলছেন ওভাল ইনভিনসিবলসের হয়ে। এজবাস্টনে গতকাল তাঁর দল খেলেছে বার্মিংহাম ফোনিক্সের বিপক্ষে। ২০ বল করে খরচ করেন ৫৯ রান। ‘দ্য হান্ড্রেড’-এর ইতিহাসে এটা সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ড। এর আগে যৌথভাবে এই লজ্জাজনক রেকর্ডটি ছিল ডেভিড ভিসে ও ডেভিড পেইনের। দুজনেই দিয়েছিলেন ৫৩ রান করে। একটি করে উইকেটও ছিল তাঁদের। ভিসেরটা হয়েছে ২০২২ সালে। পেইন ২০২৩ সালে করেছিলেন এই রেকর্ড।
রশিদ যেমন গতকাল বাজে রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন, তেমনি হারের বেদনা নিয়ে তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া ওভাল ১০০ বলে ৮ উইকেটে করেছে ১৮০ রান। ১৮১ রানের লক্ষ্যে নামা বার্মিংহাম একটা পর্যায়ে শেষ ২৫ বলে ৬১ রানের সমীকরণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সেই সময় রশিদের ওভারে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৬ রান তোলেন বার্মিংহাম ব্যাটার লিয়াম লিভিংস্টোন। বার্মিংহাম শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে। ৫৯ রানের মধ্যে ৫২ রানই বাউন্ডারিতে দিয়েছেন রশিদ। ৪ চার ও ৬ ছক্কা হজম করেছেন।
রশিদকে বেধড়ক পেটানো লিভিংস্টোনই পেয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার। ২৭ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৯ রান করেন লিভিংস্টোন। ৫ বল করে ৯ রান খরচ করে পেয়েছেন ১ উইকেট। ওভালের পরের ম্যাচ ১৬ আগস্ট ওয়েলশ ফায়ারের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ৬ উইকেট নিয়ে এবারের দ্য হান্ড্রেডে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী রশিদ ও স্যাম কারান। রশিদের ওভালেই খেলছেন কারান। ‘দ্য হান্ড্রেড’ টি-টোয়েন্টির মর্যাদা পাওয়ায় স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে রশিদের উইকেট ৬৫৪।
দ্য হান্ড্রেডে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ড
রান খরচ উইকেট সাল
রশিদ খান ৫৯ ০ ২০২৫
ডেভিড ভিসে ৫৩ ১ ২০২২
ডেভিড পেইন ৫৩ ১ ২০২৩
স্টিভেন ফিন ৫১ ২ ২০২১
ক্রিস উড ৪৯ ০ ২০২৩

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৪ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৫ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৬ ঘণ্টা আগে