Ajker Patrika

প্রতিশোধ নিতে দেড় বছরের অপেক্ষায় ছিল আফগানিস্তান, কিন্তু…

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ০৭
প্রতিশোধ নিতে দেড় বছরের অপেক্ষায় ছিল আফগানিস্তান, কিন্তু…
দুই সুপার ওভারের ম্যাচে হেরে গেছে আফগানিস্তান। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আফগানিস্তান ম্যাচের দৃশ্যপট অনেক দিন চোখে লেগে থাকবে ভক্তদের। ক্ষ্যাপাটে এই ম্যাচে উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে প্রোটিয়ারা। তাতে প্রতিশোধের অপেক্ষা বাড়ল রশিদের খানের দলের।

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল আফগানিস্তান। সে ক্ষতে প্রলেপ দিতে গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় ছিল দলটি; সঙ্গে ছিল অক্লান্ত পরিশ্রমের গল্প। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে হারের বদলা প্রায় নিয়েই ফেলেছিল আফগানরা। কিন্তু ভাগ্য দেবতা এদিন কথা বলেনি তাদের হয়ে। তাই আরও একবার হারের তিক্ততা সঙ্গী হয়েছে আফগানিস্তানের।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এদিন যেন এক নাটক-ই মঞ্চস্থ হয়ে গেল। আগে ব্যাট করা দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮৭ রানের জবাবে সমান রানেই থামে আফগানিস্তান। প্রথম সুপার ওভারে ওভারেও হয়েছে তা-ই। রান তাড়ায় আফগানদের সমান ১৭ রান করে উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দেয় এইডেন মার্করামের দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর তাদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি আফগানিস্তান। দ্বিতীয় সুপার ওভারে ২৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে রহমানুল্লাহ গুরবাজের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পরও ১৯ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানিস্তান। এমন একটি ম্যাচ হেরে ভীষণ হতাশ রশিদ। আরও একবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের হারিয়ে সুপার এইটের পথে এক পা দিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা দুই হারে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে গেল রশিদরা।

ম্যাচ শেষে রশিদ বলেন, ‘ছেলেরা দারুণ খেলেছে, বিশেষ করে যেভাবে তারা ব্যাটিং শুরু করেছিল। তাদের (দক্ষিণ আফ্রিকা) ১৯০ রানের নিচে আটকে রাখতে পারাটা ছিল অসাধারণ। হেরে যাওয়া দলের অংশ হতে পেরে আমরা নিজেদের খুবই দুর্ভাগ্যবান মনে করছি। মাঠে সবাই শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে। এই উইকেটটা খুব ভালো, আইপিএলে আমি এখানে অনেক খেলেছি। দলের সঙ্গে আলোচনা ছিল—ওরা ভালো শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু শেষ ১০ ওভারে যেন রান আটকে রাখা যায়। ওর ইনিংসটা (রহমানুল্লাহ গুরবাজ) ছিল দুর্দান্ত, সে এ জন্যই বিখ্যাত। পাওয়ার প্লের শেষ কয়েক ওভারে আমরা দ্রুত উইকেট হারানোয় সে কিছুটা চাপে পড়ে যায়। তবুও সে অসাধারণ খেলেছে।’

সুযোগ হাতছাড়া করায় হারতে হয়েছে বলে মনে করেন রশিদ, ‘আমাদের সুযোগ ছিল। শেষ সুপার ওভারেও এক বলে ৫ রান—যেকোনো দিকেই যেতে পারত। আমরা আরেকটু স্মার্ট হতে পারতাম। একটা ডাইভ, একটা বল দিয়েই ম্যাচ শেষ হয়ে যেতে পারত। এই ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ডে ওঠার জন্য আমরা গত দেড় বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। তাই এটা ভীষণ হতাশাজনক। তবে যখনই দেশের প্রতিনিধিত্ব করি, সেটা গর্বের মুহূর্ত। আমি চেষ্টা করব দলকে যতটা সম্ভব মানসিকভাবে চাঙা রাখতে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত