‘সকালের সূর্য সব সময় সঠিক পূর্বাভাস দেয় না’—এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) হ্যারি ব্রুকের সঙ্গে যেন এই প্রবাদ ভালোভাবে মেলে। প্রথম তিন ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া ব্রুক গতকাল করলেন দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরি ভারতীয় ভক্তদের ‘মুখ বন্ধ’ করার জন্য ছিল বলে জানিয়েছেন ইংলিশ এই ব্যাটার।
এবারই প্রথম আইপিএল খেলছেন ব্রুক। রাজস্থান রয়্যালস, লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস, পাঞ্জাব কিংস—এই তিন দলের বিপক্ষে করেছেন ১৩,৩ ও ১৩ রান। হতশ্রী শুরুর পর সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপের শিকার হন ব্রুক। এসবের জবাব দিতে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সকেই। ইডেন গার্ডেনসে ৫৫ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন ইংলিশ এই ব্যাটার। এবারের আইপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি করা ব্রুক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে গেলে অনেক জঘন্য কথা শোনা যায়। নিজের ওপর চাপ বাড়ছিল। ভারতীয় অনেক ভক্তই এখন আমাকে সাবাশ বলবে। কিন্ত কিছুদিন আগে তারাই অনেক বাজে কথা বলেছিল আমাকে। তাদের মুখ বন্ধ করতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে।’
ব্রুকের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে এবারের আইপিএলে টানা দুই জয় পেয়েছে হায়দরাবাদ। ৪ ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ৭ নম্বরে আছে এইডেন মার্করামের দল।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে