ক্রীড়া ডেস্ক

ভারতের হয়ে ৫ ওয়ানডে খেললেও সবশেষ এই সংস্করণে চেতেশ্বর পূজারা খেলেছিলেন ২০১৪ সালে। খেলতেন শুধু টেস্ট। সেই সংস্করণেও গত দুই বছর ধরে ছিলেন তিনি ব্রাত্য। অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পূজারা।
সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় ভারতীয় ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন পূজারা। নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে আজ এক পোস্টে ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার লিখেছেন, ‘ভারতের জার্সি পরে জাতীয় সংগীত গেয়ে যতবার খেলতে নেমেছি, সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। কিন্তু সব ভালো কিছুরই একদিন শেষ হয়। তাই অসীম কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের সব ধরনের সংস্করণ থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পূজারার অভিষেক ২০০৫ সালে সৌরাষ্ট্রের জার্সিতে। পাঁচ বছর পর টেস্টে অভিষেক হয় তাঁর। ২০১০ সালে বেঙ্গালুরুতে অভিষেক টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন ৪ ও ৭২ রান। ২০২৩ পর্যন্ত ১৩ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০৩ ম্যাচে ৪৩.৬০ গড়ে করেন ৭১৯৫ রান। করেছেন ১৯ সেঞ্চুরি ও ৩৫ ফিফটি। ৪৪.৩৬ স্ট্রাইকরেটই প্রমাণ করে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মাটি আঁকড়ে কীভাবে পড়ে থাকতেন তিনি।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই), সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কাউন্টি ক্রিকেটের হয়ে খেলেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পূজারা। ইনস্ট্রাগামে তিনি লেখেন, ‘রাজকোটে একটা ছোট্ট ছেলে তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত। তারকা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বেরিয়েছিলাম। ভারতীয় ক্রিকেট দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। যে খেলা সম্পর্কে ধারণা কম ছিল, সেই খেলাই পরবর্তীতে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। বিসিসিআই ও সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে তারা দারুণভাবে সমর্থন দিয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য দল যেমন যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কাউন্টি ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করেছি, তাদের প্রতিও সমানভাবে কৃতজ্ঞ।’
যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পূজারার শুরু, সেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টেস্টের ইতি টানেন তিনি। ২০২৩ সালে লন্ডনের ওভালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ১৪ ও ২৭ রান করেছেন তিনি। অজিদের বিপক্ষে ২৫ টেস্টে ৪৯.৩৮ গড়ে করেন ২০৭৪ রান। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে তাদের বিপক্ষে ৫ সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১১ ফিফটি করেছেন। এদিকে ওয়ানডেতে ৫ ম্যাচে সর্বসাকল্যে করেন ৫১ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন বাংলাদেশের বিপক্ষে।

ভারতের হয়ে ৫ ওয়ানডে খেললেও সবশেষ এই সংস্করণে চেতেশ্বর পূজারা খেলেছিলেন ২০১৪ সালে। খেলতেন শুধু টেস্ট। সেই সংস্করণেও গত দুই বছর ধরে ছিলেন তিনি ব্রাত্য। অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পূজারা।
সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় ভারতীয় ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন পূজারা। নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে আজ এক পোস্টে ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার লিখেছেন, ‘ভারতের জার্সি পরে জাতীয় সংগীত গেয়ে যতবার খেলতে নেমেছি, সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। কিন্তু সব ভালো কিছুরই একদিন শেষ হয়। তাই অসীম কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের সব ধরনের সংস্করণ থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পূজারার অভিষেক ২০০৫ সালে সৌরাষ্ট্রের জার্সিতে। পাঁচ বছর পর টেস্টে অভিষেক হয় তাঁর। ২০১০ সালে বেঙ্গালুরুতে অভিষেক টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন ৪ ও ৭২ রান। ২০২৩ পর্যন্ত ১৩ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০৩ ম্যাচে ৪৩.৬০ গড়ে করেন ৭১৯৫ রান। করেছেন ১৯ সেঞ্চুরি ও ৩৫ ফিফটি। ৪৪.৩৬ স্ট্রাইকরেটই প্রমাণ করে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে মাটি আঁকড়ে কীভাবে পড়ে থাকতেন তিনি।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই), সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কাউন্টি ক্রিকেটের হয়ে খেলেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পূজারা। ইনস্ট্রাগামে তিনি লেখেন, ‘রাজকোটে একটা ছোট্ট ছেলে তার মা-বাবার সঙ্গে থাকত। তারকা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বেরিয়েছিলাম। ভারতীয় ক্রিকেট দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। যে খেলা সম্পর্কে ধারণা কম ছিল, সেই খেলাই পরবর্তীতে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। বিসিসিআই ও সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে তারা দারুণভাবে সমর্থন দিয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য দল যেমন যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কাউন্টি ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করেছি, তাদের প্রতিও সমানভাবে কৃতজ্ঞ।’
যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পূজারার শুরু, সেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টেস্টের ইতি টানেন তিনি। ২০২৩ সালে লন্ডনের ওভালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ১৪ ও ২৭ রান করেছেন তিনি। অজিদের বিপক্ষে ২৫ টেস্টে ৪৯.৩৮ গড়ে করেন ২০৭৪ রান। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে তাদের বিপক্ষে ৫ সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১১ ফিফটি করেছেন। এদিকে ওয়ানডেতে ৫ ম্যাচে সর্বসাকল্যে করেন ৫১ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন বাংলাদেশের বিপক্ষে।

এম নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। আজও তাঁর দাবি একটাই। নাজমুল পদত্যাগ না করলে মাঠে না নামার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
১৭ মিনিট আগে
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এতক্ষণে মিরপুরে চট্টগ্রাম রয়্যালস-নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ম্যাচের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে যেত। বেলা ১টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল ম্যাচ। তবে ক্রিকেটাররা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের পরিবর্তে চলে গেছেন বনানি শেরাটন হোটেলে। নির্ধারিত সময়ে তাই দুপুরের ম্যাচ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
২৯ মিনিট আগে
ছেলেদের সাফে গতকাল লড়াই হলো বেশ। অথচ মেয়েদের সাফে বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ভারত। অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের জোড়া গোলে দারুণ জয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভারতকে আজ ৩-১ গোলে হারিয়েছে সাঈদ খোদারাহমির দল।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), আইপিএল, পাকিস্তান সুপার লিগ, আইএল টি-টোয়েন্টি, এসএ টোয়েন্টিসহ বিশ্বের প্রায় সব ধরনের টুর্নামেন্টেই দেখা যায় আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদের। মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মুজিব উর রহমান, ফজল হক ফারুকিদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই টুর্নামেন্টগুলোতে
২ ঘণ্টা আগে