নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদশের জন্য এই ম্যাচের সমীকরণ শুধু একটাই, জিততেই হবে। তিন পরিবর্তন নিয়ে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের হতাশা ভুলতে এই ম্যাচে ব্যাটারদের কাছে বড় স্কোরের আশা প্রকাশ করেছিলেন সাকিব।
বাংলাদেশ অধিনায়ককে আশাহত করেননি তাঁর ব্যাটাররা। জোড়া সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানকে বড় লক্ষ্যেই দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ৩৩৪ রান। আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এটাই সর্বোচ্চ সংগ্রহ বাংলাদেশের। আগের সর্বোচ্চ ৩০৬ রান ছিল।
বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৬০ রান। ৩২ বলে ২৮ রান করে নাঈম আউট হন। তিন রানের মধ্যে আউট হয়ে ফেরেন তিনে নামা তাওহীদ হৃদয়। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিরাজ দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে তোলেন।
দুজনের জুটি থেকে আসে ২১৫ রান। সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দুজনই। ১১৯ বলে ১১২ রান করে রিটায়ার্ড হয়ে যান মিরাজ। তাঁর ইনিংসে ৭ চার ও ৩ ছক্কা। শান্ত অবশ্য রান আউট হয়েছেন ১০৪ রানে। ১০৫ বলের ইনিংসে তিনি ৯ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন।
তবে বাংলাদেশের ইনিংস বড় হওয়ার পেছনে কৃতিত্ব সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের। দুজনের দুটি ক্যামিং ইনিংস আফগানদের সামনে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। রান আউট হওয়ার আগে এক ছক্কা ও এক চারে ২৫ রান করেন মুশফিক।
সাকিবও কম যাননি। ১৮ বলে বাংলাদেশ অধিনায়কের অপরাজিত ইনিংসটি ৩২ রানের। ১৭৭.৭৮ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে চার ছক্কা ও এক চার। শেষ দিকে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও অভিষেক রাঙ্গিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি। ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেন তিনি। রান আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেন। এদিন সুবিধা করতে পারেনি আফগান বোলিং আক্রমণ। ফজলহক ফারুকী ৬ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে উইকেটশূণ্য থেকেছেন। রশিদ খানও ১০ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি।

বাংলাদশের জন্য এই ম্যাচের সমীকরণ শুধু একটাই, জিততেই হবে। তিন পরিবর্তন নিয়ে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের হতাশা ভুলতে এই ম্যাচে ব্যাটারদের কাছে বড় স্কোরের আশা প্রকাশ করেছিলেন সাকিব।
বাংলাদেশ অধিনায়ককে আশাহত করেননি তাঁর ব্যাটাররা। জোড়া সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানকে বড় লক্ষ্যেই দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ৩৩৪ রান। আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এটাই সর্বোচ্চ সংগ্রহ বাংলাদেশের। আগের সর্বোচ্চ ৩০৬ রান ছিল।
বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৬০ রান। ৩২ বলে ২৮ রান করে নাঈম আউট হন। তিন রানের মধ্যে আউট হয়ে ফেরেন তিনে নামা তাওহীদ হৃদয়। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিরাজ দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে তোলেন।
দুজনের জুটি থেকে আসে ২১৫ রান। সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দুজনই। ১১৯ বলে ১১২ রান করে রিটায়ার্ড হয়ে যান মিরাজ। তাঁর ইনিংসে ৭ চার ও ৩ ছক্কা। শান্ত অবশ্য রান আউট হয়েছেন ১০৪ রানে। ১০৫ বলের ইনিংসে তিনি ৯ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন।
তবে বাংলাদেশের ইনিংস বড় হওয়ার পেছনে কৃতিত্ব সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের। দুজনের দুটি ক্যামিং ইনিংস আফগানদের সামনে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। রান আউট হওয়ার আগে এক ছক্কা ও এক চারে ২৫ রান করেন মুশফিক।
সাকিবও কম যাননি। ১৮ বলে বাংলাদেশ অধিনায়কের অপরাজিত ইনিংসটি ৩২ রানের। ১৭৭.৭৮ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে চার ছক্কা ও এক চার। শেষ দিকে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও অভিষেক রাঙ্গিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি। ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেন তিনি। রান আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেন। এদিন সুবিধা করতে পারেনি আফগান বোলিং আক্রমণ। ফজলহক ফারুকী ৬ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে উইকেটশূণ্য থেকেছেন। রশিদ খানও ১০ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১০ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে