ক্রীড়া ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইমাম-উল-হক সবশেষ খেলেছেন এ বছরের এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। তবে ২০১৭ সালে পাকিস্তানের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পর তিন সংস্করণ মিলে কোনোমতে ১০০-এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ইমাম ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন।
ইমাম ইংল্যান্ডে চলমান ওয়ানডে কাপে খেলছেন ইয়র্কশায়ারের হয়ে। তিন ম্যাচে ১১০.৩৩ গড়ে ৩৩১ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক তিনি। ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে ফিফটি দিয়ে শুরু। এরপর নর্থ্যান্টস ও ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। রানের বন্যা বইয়ে দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নির্বাচকদের যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন, সুযোগ পেলে তিনি কী করতে পারেন। টানা দুটি সেঞ্চুরি করা ইমাম সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনার হাত থেকে ফস্কে গেলেও যতটা পারুন, চেষ্টা করতে থাকুন। ঠাণ্ডা থাকুন। কাজে মনোযোগ দিন। আপনার কাছে অবশ্যই সেই সুযোগটা আসবে।’
ইমাম যখন ইংল্যান্ডে ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত, পাকিস্তান তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলছিল। টি-টোয়েন্টি সিরিজ পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে জেতে। ওয়ানডেতে প্রথম ম্যাচ জিতলেও টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হেরে বসে পাকিস্তান। তাতে ৩৪ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জেতে উইন্ডিজ। এই সিরিজে হাসান নাওয়াজ (১১২) ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার তিন ম্যাচ মিলে ১০০ রানও করতে পারেননি। ৮ আগস্ট ওয়ানডে অভিষেকে ফিফটি (৬৩) করে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন নাওয়াজ। সিরিজে মাত্র একবারই তাঁকে আউট করতে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আব্দুল্লাহ শফিক, সাইম আইয়ুব—প্রথম সারির ব্যাটাররা ব্যর্থ হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও অবশ্য ইমাম ফর্মে নেই অনেক দিন ধরে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ১ ফিফটি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টে চার ইনিংস খেলেও এক ফিফটি করেছেন। এ বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে করেছেন ১০ রান। এদিকে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ায় পাকিস্তানের এখন টি-টোয়েন্টি ম্যাচই বেশি। এ মাসের শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে পাকিস্তান যাবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। শারজায় এই সিরিজে খেলবে পাকিস্তান-আফগানিস্তান-আরব আমিরাত।
ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষে এশিয়া কাপের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যাবে পাকিস্তানের। ৯ সেপ্টেম্বর মরুর দেশে শুরু হবে এশিয়া কাপ। ‘এ’ গ্রুপে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ইমাম খেলেছেন কেবল ২ ম্যাচ। সেই দুটি ম্যাচই খেলেছেন ২০১৯ সালে। পাকিস্তানি এই বাঁহাতি ব্যাটার সবশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে। ছন্দে থাকা ইমাম কবে জাতীয় দলের দরজা ফের খুলতে পারেন, সেটা সময়ই বলে দেবে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইমাম-উল-হক সবশেষ খেলেছেন এ বছরের এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। তবে ২০১৭ সালে পাকিস্তানের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পর তিন সংস্করণ মিলে কোনোমতে ১০০-এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ইমাম ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন।
ইমাম ইংল্যান্ডে চলমান ওয়ানডে কাপে খেলছেন ইয়র্কশায়ারের হয়ে। তিন ম্যাচে ১১০.৩৩ গড়ে ৩৩১ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক তিনি। ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে ফিফটি দিয়ে শুরু। এরপর নর্থ্যান্টস ও ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। রানের বন্যা বইয়ে দিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নির্বাচকদের যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন, সুযোগ পেলে তিনি কী করতে পারেন। টানা দুটি সেঞ্চুরি করা ইমাম সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনার হাত থেকে ফস্কে গেলেও যতটা পারুন, চেষ্টা করতে থাকুন। ঠাণ্ডা থাকুন। কাজে মনোযোগ দিন। আপনার কাছে অবশ্যই সেই সুযোগটা আসবে।’
ইমাম যখন ইংল্যান্ডে ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত, পাকিস্তান তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলছিল। টি-টোয়েন্টি সিরিজ পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে জেতে। ওয়ানডেতে প্রথম ম্যাচ জিতলেও টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হেরে বসে পাকিস্তান। তাতে ৩৪ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জেতে উইন্ডিজ। এই সিরিজে হাসান নাওয়াজ (১১২) ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার তিন ম্যাচ মিলে ১০০ রানও করতে পারেননি। ৮ আগস্ট ওয়ানডে অভিষেকে ফিফটি (৬৩) করে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন নাওয়াজ। সিরিজে মাত্র একবারই তাঁকে আউট করতে পেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আব্দুল্লাহ শফিক, সাইম আইয়ুব—প্রথম সারির ব্যাটাররা ব্যর্থ হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও অবশ্য ইমাম ফর্মে নেই অনেক দিন ধরে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ১ ফিফটি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টে চার ইনিংস খেলেও এক ফিফটি করেছেন। এ বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে করেছেন ১০ রান। এদিকে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ায় পাকিস্তানের এখন টি-টোয়েন্টি ম্যাচই বেশি। এ মাসের শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে পাকিস্তান যাবে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। শারজায় এই সিরিজে খেলবে পাকিস্তান-আফগানিস্তান-আরব আমিরাত।
ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষে এশিয়া কাপের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যাবে পাকিস্তানের। ৯ সেপ্টেম্বর মরুর দেশে শুরু হবে এশিয়া কাপ। ‘এ’ গ্রুপে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ইমাম খেলেছেন কেবল ২ ম্যাচ। সেই দুটি ম্যাচই খেলেছেন ২০১৯ সালে। পাকিস্তানি এই বাঁহাতি ব্যাটার সবশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে। ছন্দে থাকা ইমাম কবে জাতীয় দলের দরজা ফের খুলতে পারেন, সেটা সময়ই বলে দেবে।

বিকেলে আজ সাংবাদিকদের সামনে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম। এবার তাঁর পদত্যাগের দাবি উঠেছে। যদি তিনি পদত্যাগ না করেন, তাহলে খেলা বন্ধের হুমকি দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
১৫ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কি আমরা টাকা ফেরত চাচ্ছি—বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম আজ বিকেলে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর দুঃখপ্রকাশ করেছে বিসিবি। এমনকি সেই পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্য
৩১ মিনিট আগে
নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
২ ঘণ্টা আগে