
এবার কি মুক্তি মিলবে ভারতের? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। আইসিসির কোনো টুর্নামেন্ট এলে এই প্রশ্ন অবধারিতভাবেই আসে তাদের সামনে।
ভারতের মতো দলের ক্ষেত্রে অবশ্য প্রশ্নটা ওঠাই স্বাভাবিক। কেননা, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তারা আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে না। সর্বশেষ ২০১৩ সালে মাহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এরপর থেকে হতাশা সঙ্গী হয়েছে তাদের।
আজ যখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত খেলতে নামছে, তখন প্রশ্নটা আবারও ঘুরেফিরে আসছে ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ীদের সামনে। প্রশ্নটা ভারতীয় ক্রিকেটারদের এতবার শুনতে হয়েছে যে গতকাল ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানালেন, সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দীর্ঘ চ্যাম্পিয়ন-খরা না কাটানোর উত্তর দিয়েছেন তিনি। রোহিত বলেছেন, ‘আমরা জানি, কী জিতেছি আর কী হেরেছি। এ নিয়ে বারবার ভেবে লাভ নেই। গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়েও আমাকে একই প্রশ্ন করা হয়েছিল এবং আমার উত্তর একই ছিল। খেলোয়াড়েরা জানে কখন কী করা প্রয়োজন।’
চ্যাম্পিয়ন না হওয়ার চাপটা ভারত এবারও অনুভব করছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেছেন, ‘না। একেবারই না। আইসিসি ট্রফি জেতার চেষ্টায় আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না। তবে আইসিসি টুর্নামেন্ট জিততে পারলে অবশ্যই ভালো লাগবে।’
এক দশকের শিরোপাখরা থাকলেও আইসিসির টুর্নামেন্টে ভারতের পারফরম্যান্স কিন্তু খারাপ ছিল না। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতার পর এখন পর্যন্ত ৮টি টুর্নামেন্ট খেলেছে ভারত। এর মধ্যে শুধু ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। বাকি টুর্নামেন্টের মধ্যে চারটিতে সেমিফাইনাল ও তিনটিতে রানার্সআপ হয়েছে। শুধু শিরোপা হাতে উদ্যাপনটাই করা হয়নি তাদের।
নবমবারের মতো আইসিসির টুর্নামেন্টে সেই খরা কাটবে কি না—এখন সেটাই দেখার বিষয়। টেস্টে চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণেও ফাইনাল খেলেছিল ভারত। সেবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল তারা। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সব হিসাব চুকে নেওয়ার পালা। সেই লক্ষ্যে কথা জানিয়েছেন রোহিতও।
রোহিত বলেছেন, ‘আমি বা আমার আগের যারা অধিনায়ক ছিল, সবাই ভারতীয় দলকে জয়ের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। যতটা সম্ভব চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে চেয়েছে। আমারও চাওয়া একই। অনেক ম্যাচ জয়ের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে চাই। এটার জন্যই আমরা খেলি।’

এবার কি মুক্তি মিলবে ভারতের? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। আইসিসির কোনো টুর্নামেন্ট এলে এই প্রশ্ন অবধারিতভাবেই আসে তাদের সামনে।
ভারতের মতো দলের ক্ষেত্রে অবশ্য প্রশ্নটা ওঠাই স্বাভাবিক। কেননা, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তারা আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে না। সর্বশেষ ২০১৩ সালে মাহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এরপর থেকে হতাশা সঙ্গী হয়েছে তাদের।
আজ যখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত খেলতে নামছে, তখন প্রশ্নটা আবারও ঘুরেফিরে আসছে ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ীদের সামনে। প্রশ্নটা ভারতীয় ক্রিকেটারদের এতবার শুনতে হয়েছে যে গতকাল ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক রোহিত শর্মা জানালেন, সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দীর্ঘ চ্যাম্পিয়ন-খরা না কাটানোর উত্তর দিয়েছেন তিনি। রোহিত বলেছেন, ‘আমরা জানি, কী জিতেছি আর কী হেরেছি। এ নিয়ে বারবার ভেবে লাভ নেই। গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়েও আমাকে একই প্রশ্ন করা হয়েছিল এবং আমার উত্তর একই ছিল। খেলোয়াড়েরা জানে কখন কী করা প্রয়োজন।’
চ্যাম্পিয়ন না হওয়ার চাপটা ভারত এবারও অনুভব করছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেছেন, ‘না। একেবারই না। আইসিসি ট্রফি জেতার চেষ্টায় আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না। তবে আইসিসি টুর্নামেন্ট জিততে পারলে অবশ্যই ভালো লাগবে।’
এক দশকের শিরোপাখরা থাকলেও আইসিসির টুর্নামেন্টে ভারতের পারফরম্যান্স কিন্তু খারাপ ছিল না। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতার পর এখন পর্যন্ত ৮টি টুর্নামেন্ট খেলেছে ভারত। এর মধ্যে শুধু ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। বাকি টুর্নামেন্টের মধ্যে চারটিতে সেমিফাইনাল ও তিনটিতে রানার্সআপ হয়েছে। শুধু শিরোপা হাতে উদ্যাপনটাই করা হয়নি তাদের।
নবমবারের মতো আইসিসির টুর্নামেন্টে সেই খরা কাটবে কি না—এখন সেটাই দেখার বিষয়। টেস্টে চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণেও ফাইনাল খেলেছিল ভারত। সেবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিল তারা। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সব হিসাব চুকে নেওয়ার পালা। সেই লক্ষ্যে কথা জানিয়েছেন রোহিতও।
রোহিত বলেছেন, ‘আমি বা আমার আগের যারা অধিনায়ক ছিল, সবাই ভারতীয় দলকে জয়ের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। যতটা সম্ভব চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে চেয়েছে। আমারও চাওয়া একই। অনেক ম্যাচ জয়ের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে চাই। এটার জন্যই আমরা খেলি।’

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১১ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
১২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
১৪ ঘণ্টা আগে