
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের গতির পাশাপাশি বাউন্সার ও ইয়র্কারে ব্যাটারদের রীতিমতো নাচিয়ে ছাড়েন নাহিদ রানা। কীভাবে তাঁর বল খেলবেন, সেই দুশ্চিন্তায় তটস্থ থাকেন ব্যাটাররা। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে নিষ্প্রভ থাকলেও জ্বলে উঠেছেন আসল সময়েই। বাংলাদেশের গতিতারকার বোলিং দেখে ইমরান খানের কথা মনে পড়ে গেল বাসিত আলীর।
রানার বিশেষ এক ডেলিভারি দেখে ইমরান খানের কথা মনে পড়ে গেল বাসিতের। গতকাল মিরপুর টেস্টের শেষ দিনে রানার ইনসুইং ডেলিভারি না বুঝে ছাড়তে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। নিজের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বাসিত বলেন, ‘রানা যেভাবে রিজওয়ানের স্ট্যাম্প উড়িয়ে দিল ইনসুইংগারে, সেভাবে ইমরান ভাই বিশ্বনাথের স্ট্যাম্প উড়িয়ে দিত।’
২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাঠে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে রানা নজর কেড়েছেন। সেই সিরিজে বাংলাদেশের গতিতারকা নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। এবার মিরপুর টেস্টে ১৪০ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট। যার মধ্যে ৫ উইকেট নিয়েছেন দ্বিতীয় ইনিংসে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৭ ও ৮১ রানের দুটি ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হলেও বাসিতের চোখে ম্যাচসেরা রানা। নিজের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বাসিত বলেন, ‘শান্তকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে ম্যাচসেরা নাহিদ রানা। নাহিদ রানা নামটাই যথেষ্ট। সে মার খাবে এবং উইকেটও নেবে।’
প্রথম ইনিংসে রানাকে যেভাবে নিষ্প্রভ দেখাচ্ছিল, তাতে মনে হচ্ছিল পাকিস্তানি ব্যাটাররা তাঁকে নিয়ে অনেক হোমওয়ার্ক করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনের সময় ঠিকই জ্বলে উঠলেন রানা। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেল পাকিস্তান। গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করেছেন। শান মাসুদ, সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, নোমান আলীর পর শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি টেনেছেন রানা।
বাসিতের মতে রানার মতো স্ট্রাইক বোলাররা পিটুনি খেলেও জ্বলে ওঠার মন্ত্রটা তাঁদের ভালোই জানা। পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটার বলেন, ‘‘প্রথম ইনিংসে সে যখন উইকেট পায়নি, তখন অনেকেই বলছিলেন, ‘কী হলো রানার?’ আরে ভাই, আমার চুল তো এমনি এমনি সাদা হয়নি। রানা স্ট্রাইক পেস বোলার। ওভারে ৫-৬ করে রান দিলেও উইকেট সেই নেবে।’
২৬৮ রানের লক্ষ্যে নামা পাকিস্তানকে প্রথম ধাক্কা তাসকিন আহমেদ দিয়েছেন ইমাম উল হককে (২) ফিরিয়ে। সালমান আলী আঘাও (২৬) যখন ইনিংস বড় করতে যাচ্ছিলেন, তাঁকেও ফিরিয়েছেন তাসকিন। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসারকে প্রশংসায় ভাসিয়ে বাসিত বলেন, ‘তাসকিন যে দুটো উইকেট নিয়েছে, সেগুলোও সেরা। ইমাম উল হককে দারুণভাবে আউট করেছে। এরপর সালমান একইভাবে খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে। কারণ, সে জেতার জন্য খেলছিল।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে শুধুই নয়। রানা কাঁপিয়ে এসেছেন পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল)। তাঁর দল পেশোয়ার জালমি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ৫ ম্যাচে ৫.৪৪ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৯ উইকেট। যার মধ্যে এক ম্যাচে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট পেয়েছেন। হায়দরাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালেও নিয়েছেন ২ উইকেট।

ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট—কথাটা ক্লিশে হলেও নাজমুল হোসেন শান্তকে দেখে এটা অনেকে বলতেই পারেন। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১০৭ ও ৮১ রানের দুটি ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন বলেই নয়। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর শরীরী ভাষা ছিল দেখার মতো। শান্তর আশা, বাংলাদেশ আর
৩৫ মিনিট আগে
ভারত যা করতে পারেনি, সেটাই করে দেখিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত টানা তিন টেস্ট পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতেছে বাংলাদেশ। জয়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হকরা যেমন প্রশংসায় ভাসছেন, মুদ্রার উল্টো পিঠে অবস্থান করছে পাকিস্তান। শান মাসুদ, মোহাম্মদ রিজওয়ানদের ওপর দিয়ে বয়ে যা
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দাপুটে জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। শান্ত-মুমিনুল হক-মুশফিকুর রহিমদের দল এবার সুখবর পেল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও।
১৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তান কোনো ম্যাচ হারলেই সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো সমালোচনার ঝড় বইয়ে দেন কামরান আকমাল। দলকে নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেন, তাতে মনে হতে পারে পাকিস্তানের চেয়ে বাজে দল হতেই পারে না। আজ মিরপুরে বাংলাদেশের কাছে হারের পর পাকিস্তানকে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন কামরান।
১৪ ঘণ্টা আগে