রানা আব্বাস, শারজা থেকে

শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে খোলা আকাশের নিচে খানিকক্ষণ দাঁড়াতে হয়েছিল ট্যাক্সির ভাড়া মেটাতে। ছায়াশূন্য ফাঁকা সড়কে ৩-৪ মিনিট দাঁড়াতেই যেন খবর হয়ে গেল! গরম থেকে বাঁচতে দ্রুত ঢুকে পড়তে হলো প্রেসবক্সে।
শারজা প্রেসবক্সটা একটু ব্যতিক্রম। ভিআইপি স্ট্যান্ড-লাগোয়া প্রেসবক্সটা একেবারেই খোলা। গরম তাড়াতে এসি নয়, এখানে ফ্যানই ভরসা। ঝাঁজাল দুপুরে মাথার ওপর ঢাউস ফ্যানের ঈষৎ উষ্ণ বাতাসও তাই ‘শীতল’ হয়ে ওঠে! খোলা এই প্রেসবক্সের সবচেয়ে ইতিবাচক (নিরিবিলি পরিবেশ লিখতে আগ্রহীদের কাছে এটি অবশ্য নেতিবাচক হবে) দিক হচ্ছে, পুরো মাঠের পরিবেশটা স্পষ্ট বোঝা যায়। গ্যালারি ভর্তি দর্শকদের অবিরত চিৎকার–হর্ষধ্বনি, ডিস্ক জকিদের (ডিজে) মিউজিক আর ২২ গজে চার–ছক্কার উৎসব—লেখা লিখতে হচ্ছে এই ইলেকট্রিক অ্যাটমোসফিয়ার বসে! এমন পরিবেশে যে কারও শরীরে একটা ‘জোশ’ চলে আসতে বাধ্য!
এই ‘গরম’ পরিবেশে ‘গরম’ হয়ে গেছেন ক্রিকেটাররাও! পাওয়ার প্লের শেষ দিকে লাহিরু কুমারার করা ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলটা মিড অফে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন লিটন দাস (১৬)। উইকেট ছেড়ে আসার সময় লিটনের সঙ্গে কিছু তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় লাহিরুর। তখন অন্য প্রান্ত থেকে এগিয়ে আসেন মোহাম্মদ নাঈম। তিনি ধাক্কা দিয়ে বসেন লাহিরুকে। ধাক্কাধাক্কি, কথার লড়াই—অতঃপর আম্পায়ারদের হস্তক্ষেপ—গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ের যে ঝাঁজ, আজ আরেকবার সেটি ফিরে এল শারজায়। সেই ঝাঁজে গ্যালারিপূর্ণ বাংলাদেশি দর্শকেরা ততক্ষণে লঙ্কানদের ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলতে শুরু করেছেন!
আউট হওয়ার হতাশা থেকে লাহিরুর সঙ্গে লিটনের কথার লড়াই হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু নাঈম কেন দৃশ্যপটে ঢুকে পড়লেন? চতুর্থ ওভারের শেষে লাহিরুর করা ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতির বলটা নাঈম ঠেলে দিয়েছিলেন সোজা। ফলো থ্রুতে বলটা কুড়িয়েই নাঈমের কাঁধ বরাবর থ্রো করেন শ্রীলঙ্কান ফাস্ট বোলার। বলটা গায়ে লাগলে চোটেও পড়তে পারতেন নাঈম। সম্ভবত এ ঘটনা থেকেই লাহিরুর ওপর মেজাজ হারিয়েছেন নাঈম।
ওই ঘটনার পর ১৪তম ওভারে লাহিরুকে পেয়ে ব্যাট হাতে নাঈম ভালোই ঝাল ঝেড়েছেন! বোলারের মাথার ওপর দিয়ে তুলে বাউন্ডারি মেরে পূর্ণ করেছেন ফিফটি। এক বল পর আবারও মেরেছেন বাউন্ডারি। পরে বিনুরা ফার্নান্দোর শিকার হয়ে নাঈম থেমেছেন ৫২ বলে ৬২ রানে। দারুণ খেলা বাংলাদেশ দলের তরুণ ওপেনার যে খেলার পর ম্যাচ রেফারির কড়া জেরার মুখে পড়তে পারেন, তা এখনই অনুমান করা যাচ্ছে। ম্যাচ রেফারি নিশ্চিত ডাকবেন লিটন ও লাহিরুকে।
শারজার গরম দুপুরে ‘হিট অব দ্য মোমেন্টে’ যেটাই ঘটে যাক—ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় জরিমানা এড়ানো কঠিনই হতে পারে নাঈম-লিটনের!

শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে খোলা আকাশের নিচে খানিকক্ষণ দাঁড়াতে হয়েছিল ট্যাক্সির ভাড়া মেটাতে। ছায়াশূন্য ফাঁকা সড়কে ৩-৪ মিনিট দাঁড়াতেই যেন খবর হয়ে গেল! গরম থেকে বাঁচতে দ্রুত ঢুকে পড়তে হলো প্রেসবক্সে।
শারজা প্রেসবক্সটা একটু ব্যতিক্রম। ভিআইপি স্ট্যান্ড-লাগোয়া প্রেসবক্সটা একেবারেই খোলা। গরম তাড়াতে এসি নয়, এখানে ফ্যানই ভরসা। ঝাঁজাল দুপুরে মাথার ওপর ঢাউস ফ্যানের ঈষৎ উষ্ণ বাতাসও তাই ‘শীতল’ হয়ে ওঠে! খোলা এই প্রেসবক্সের সবচেয়ে ইতিবাচক (নিরিবিলি পরিবেশ লিখতে আগ্রহীদের কাছে এটি অবশ্য নেতিবাচক হবে) দিক হচ্ছে, পুরো মাঠের পরিবেশটা স্পষ্ট বোঝা যায়। গ্যালারি ভর্তি দর্শকদের অবিরত চিৎকার–হর্ষধ্বনি, ডিস্ক জকিদের (ডিজে) মিউজিক আর ২২ গজে চার–ছক্কার উৎসব—লেখা লিখতে হচ্ছে এই ইলেকট্রিক অ্যাটমোসফিয়ার বসে! এমন পরিবেশে যে কারও শরীরে একটা ‘জোশ’ চলে আসতে বাধ্য!
এই ‘গরম’ পরিবেশে ‘গরম’ হয়ে গেছেন ক্রিকেটাররাও! পাওয়ার প্লের শেষ দিকে লাহিরু কুমারার করা ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলটা মিড অফে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন লিটন দাস (১৬)। উইকেট ছেড়ে আসার সময় লিটনের সঙ্গে কিছু তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় লাহিরুর। তখন অন্য প্রান্ত থেকে এগিয়ে আসেন মোহাম্মদ নাঈম। তিনি ধাক্কা দিয়ে বসেন লাহিরুকে। ধাক্কাধাক্কি, কথার লড়াই—অতঃপর আম্পায়ারদের হস্তক্ষেপ—গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ের যে ঝাঁজ, আজ আরেকবার সেটি ফিরে এল শারজায়। সেই ঝাঁজে গ্যালারিপূর্ণ বাংলাদেশি দর্শকেরা ততক্ষণে লঙ্কানদের ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলতে শুরু করেছেন!
আউট হওয়ার হতাশা থেকে লাহিরুর সঙ্গে লিটনের কথার লড়াই হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু নাঈম কেন দৃশ্যপটে ঢুকে পড়লেন? চতুর্থ ওভারের শেষে লাহিরুর করা ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতির বলটা নাঈম ঠেলে দিয়েছিলেন সোজা। ফলো থ্রুতে বলটা কুড়িয়েই নাঈমের কাঁধ বরাবর থ্রো করেন শ্রীলঙ্কান ফাস্ট বোলার। বলটা গায়ে লাগলে চোটেও পড়তে পারতেন নাঈম। সম্ভবত এ ঘটনা থেকেই লাহিরুর ওপর মেজাজ হারিয়েছেন নাঈম।
ওই ঘটনার পর ১৪তম ওভারে লাহিরুকে পেয়ে ব্যাট হাতে নাঈম ভালোই ঝাল ঝেড়েছেন! বোলারের মাথার ওপর দিয়ে তুলে বাউন্ডারি মেরে পূর্ণ করেছেন ফিফটি। এক বল পর আবারও মেরেছেন বাউন্ডারি। পরে বিনুরা ফার্নান্দোর শিকার হয়ে নাঈম থেমেছেন ৫২ বলে ৬২ রানে। দারুণ খেলা বাংলাদেশ দলের তরুণ ওপেনার যে খেলার পর ম্যাচ রেফারির কড়া জেরার মুখে পড়তে পারেন, তা এখনই অনুমান করা যাচ্ছে। ম্যাচ রেফারি নিশ্চিত ডাকবেন লিটন ও লাহিরুকে।
শারজার গরম দুপুরে ‘হিট অব দ্য মোমেন্টে’ যেটাই ঘটে যাক—ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় জরিমানা এড়ানো কঠিনই হতে পারে নাঈম-লিটনের!

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
২ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
৫ ঘণ্টা আগে