আফতাব আহমেদ

এমন ব্যাটিং নিয়ে কি বলা যায়? ব্যাটিংয়ের এমন ভরাডুবি দেখার পর সব শব্দই যেন হারিয়ে ফেলেছি। বাংলাদেশ–দক্ষিণ আফ্রিকার খেলা দেখতে দেখতে টাইম মেশিনে চড়ে প্রথম বিশ্বকাপের সময়টায় ফিরে গিয়েছিলাম। ২০০৭ বিশ্বকাপে টি-টোয়েন্টি সংস্করণটা বলতে গেলে তখনো আমাদের কাছে অচেনা। তখনো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আমরা আগে ব্যাটিং করে ১৪৪ রান করেছিলাম।
এটি মনে করিয়ে দেওয়া আসলে কৃতিত্ব নেওয়ার বিষয় নয়। দুই ম্যাচের মধ্যে একটু তফাত খুঁজতেই এই উদাহরণ সামনে আনা। সেদিন ৩৪ রানে তিন উইকেট হারানোর পরও আমি আর সাকিব চেষ্টা করেছিলাম ইতিবাচক ব্যাটিং করার।
টি-টোয়েন্টিটা এমনই। কটি উইকেট পড়েছে, সেটি দেখার সময় কোথায়? শট খেলতেই হবে। কিন্তু গতকাল আবুধাবিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ইতিবাচক কোনো কিছুই খুঁজে পেলাম না। সবাই যেন নিজেকে বাঁচিয়ে ক্রিকেট খেলছে।
টি-টোয়েন্টিতে ঝুঁকি নিতেই হবে। এখানে মারতে গিয়ে উইকেট খোয়ানোর সম্ভাবনা থাকবে, সেই চিন্তা করে যদি শট খেলা বন্ধ করে দেয় তাহলে সব শেষ। দেখেশুনে খেলে যদি ১০০–১২০ রানের পুঁজি করেন, তাহলে বলব জেতার জন্য খেলছেন না। আমার মনে হয় পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ যদি ঝুঁকি নিয়ে খেলত তাহলে ১৬০ থেকে ১৭০ রানের স্কোর গড়তে পারত।
দলের আটজন ব্যাটার দুই অঙ্ক পেরোতে পারেনি। পুরো ইনিংসে ৪টি চার ও একটি ছক্কা। আমি আট ব্যাটার খেলানোর কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পাই না টি-টোয়েন্টিতে। কারণ এখানে দুই-তিনজন ব্যাটার দেখেশুনে ১০ ওভার খেলবে। বাকি দশ ওভারে অন্যরা আক্রমণে যাবে। যখন ব্যাটার বেশি থাকে তখন একজন চিন্তা করে আরেকজন করবে, আরেকজন চিন্তা করবে অন্যজন রান করবে। এই চিন্তা করতে করতেই সবাই আউট।
আর যদি আট ব্যাটার নিয়েই খেলেন তাহলে চারটা ব্যাটারকে মেরে খেলার লাইসেন্স দিয়ে দিতে হবে। তাদের বলে দিতে হবে, তোমরা মেরে খেলে পাওয়ার প্লের ব্যবহারটা করো, আউট হও সমস্যা নেই। পুরো বিশ্বকাপে তো আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসানদের মতো হার্ট হিটারদের ব্যবহারই করতে পারেনি আমরা। বলছি না তারা সফল হতো, কিন্তু তাদের ওপরে নামিয়ে ঝুঁকিটা নিতে পারত বাংলাদেশ।
এক একটা ম্যাচ যায়, আর বাংলাদেশ দল যেন কত ডট বল খেলা যায় তারই রেকর্ড করছে। আগের ম্যাচে ৫২টা ডট বল দিয়েছিল। গতকাল সেটি ঠেকল ৫৯-এ। টেস্ট ক্রিকেটে আজকাল এত ডট হয় কিনা সন্দেহ।
হারতে পারে, কিন্তু একটা বিষয় আছে না জয়ের জন্যই মাঠে নামব–সেই মানসিক দৃঢ়তা কিন্তু দেখিনি বাংলাদেশ দলের কারও মধ্যে। ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা দেখে মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপটা শেষ করতে পারলেই যেন বাঁচে তারা। এভাবে খেলে ভালো কিছুর আশা করা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়।
এখন আমাদের সামনে আরেকটি ম্যাচ আছে। তাও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। জানি আরও কঠিন প্রতিপক্ষ। কিন্তু আমি বলব–যা হারানোর তা তো হারিয়েই ফেলছি। আমি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এতটুকুই আশা করব–ম্যাচ শেষে যেন বলতে পারি খেলোয়াড়রা অন্তত চেষ্টা করেছে।

এমন ব্যাটিং নিয়ে কি বলা যায়? ব্যাটিংয়ের এমন ভরাডুবি দেখার পর সব শব্দই যেন হারিয়ে ফেলেছি। বাংলাদেশ–দক্ষিণ আফ্রিকার খেলা দেখতে দেখতে টাইম মেশিনে চড়ে প্রথম বিশ্বকাপের সময়টায় ফিরে গিয়েছিলাম। ২০০৭ বিশ্বকাপে টি-টোয়েন্টি সংস্করণটা বলতে গেলে তখনো আমাদের কাছে অচেনা। তখনো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আমরা আগে ব্যাটিং করে ১৪৪ রান করেছিলাম।
এটি মনে করিয়ে দেওয়া আসলে কৃতিত্ব নেওয়ার বিষয় নয়। দুই ম্যাচের মধ্যে একটু তফাত খুঁজতেই এই উদাহরণ সামনে আনা। সেদিন ৩৪ রানে তিন উইকেট হারানোর পরও আমি আর সাকিব চেষ্টা করেছিলাম ইতিবাচক ব্যাটিং করার।
টি-টোয়েন্টিটা এমনই। কটি উইকেট পড়েছে, সেটি দেখার সময় কোথায়? শট খেলতেই হবে। কিন্তু গতকাল আবুধাবিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ইতিবাচক কোনো কিছুই খুঁজে পেলাম না। সবাই যেন নিজেকে বাঁচিয়ে ক্রিকেট খেলছে।
টি-টোয়েন্টিতে ঝুঁকি নিতেই হবে। এখানে মারতে গিয়ে উইকেট খোয়ানোর সম্ভাবনা থাকবে, সেই চিন্তা করে যদি শট খেলা বন্ধ করে দেয় তাহলে সব শেষ। দেখেশুনে খেলে যদি ১০০–১২০ রানের পুঁজি করেন, তাহলে বলব জেতার জন্য খেলছেন না। আমার মনে হয় পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ যদি ঝুঁকি নিয়ে খেলত তাহলে ১৬০ থেকে ১৭০ রানের স্কোর গড়তে পারত।
দলের আটজন ব্যাটার দুই অঙ্ক পেরোতে পারেনি। পুরো ইনিংসে ৪টি চার ও একটি ছক্কা। আমি আট ব্যাটার খেলানোর কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পাই না টি-টোয়েন্টিতে। কারণ এখানে দুই-তিনজন ব্যাটার দেখেশুনে ১০ ওভার খেলবে। বাকি দশ ওভারে অন্যরা আক্রমণে যাবে। যখন ব্যাটার বেশি থাকে তখন একজন চিন্তা করে আরেকজন করবে, আরেকজন চিন্তা করবে অন্যজন রান করবে। এই চিন্তা করতে করতেই সবাই আউট।
আর যদি আট ব্যাটার নিয়েই খেলেন তাহলে চারটা ব্যাটারকে মেরে খেলার লাইসেন্স দিয়ে দিতে হবে। তাদের বলে দিতে হবে, তোমরা মেরে খেলে পাওয়ার প্লের ব্যবহারটা করো, আউট হও সমস্যা নেই। পুরো বিশ্বকাপে তো আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসানদের মতো হার্ট হিটারদের ব্যবহারই করতে পারেনি আমরা। বলছি না তারা সফল হতো, কিন্তু তাদের ওপরে নামিয়ে ঝুঁকিটা নিতে পারত বাংলাদেশ।
এক একটা ম্যাচ যায়, আর বাংলাদেশ দল যেন কত ডট বল খেলা যায় তারই রেকর্ড করছে। আগের ম্যাচে ৫২টা ডট বল দিয়েছিল। গতকাল সেটি ঠেকল ৫৯-এ। টেস্ট ক্রিকেটে আজকাল এত ডট হয় কিনা সন্দেহ।
হারতে পারে, কিন্তু একটা বিষয় আছে না জয়ের জন্যই মাঠে নামব–সেই মানসিক দৃঢ়তা কিন্তু দেখিনি বাংলাদেশ দলের কারও মধ্যে। ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা দেখে মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপটা শেষ করতে পারলেই যেন বাঁচে তারা। এভাবে খেলে ভালো কিছুর আশা করা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়।
এখন আমাদের সামনে আরেকটি ম্যাচ আছে। তাও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। জানি আরও কঠিন প্রতিপক্ষ। কিন্তু আমি বলব–যা হারানোর তা তো হারিয়েই ফেলছি। আমি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এতটুকুই আশা করব–ম্যাচ শেষে যেন বলতে পারি খেলোয়াড়রা অন্তত চেষ্টা করেছে।

২৮ হাজার ১৬ আন্তর্জাতিক রান নিয়ে এত দিন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পরই অবস্থান ছিল কুমার সাঙ্গাকারার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রানের দৌড়ে এবার শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের সামনে শুধুই টেন্ডুলকার, যাঁর আন্তর্জাতিক রান—৩৪ হাজার ৩৫৭।
৪ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে বাবা মোহাম্মদ নবির সঙ্গেই ছিলেন। একই হোটেলে থেকেছেন, দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন বাবার সঙ্গে। তবে এই বিপিএলে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তাঁর। আজ সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ। সেটিও নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন বাবা নবি। ওপেনিংয়ে দারুণ ঔ
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোস্টনে ঘাঁটি গড়বে ফ্রান্স। আর জার্মানির ঘাঁটি হবে নর্থ ক্যারোলাইনায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম দুই ফেবারিট ফ্রান্স ও জার্মানির এই অনুশীলন ক্যাম্পের কথা নিশ্চিত করেছে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন।
৯ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় সম্পর্কে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে না খেলতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে এর মধ্যেই ক্রিকেটীয় কারণে ভারতে গিয়েছেন বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফ
৯ ঘণ্টা আগে