মাঝে ছন্দ হারিয়ে ফেলা লিটন দাস আজ হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে রানে ফিরেছেন। ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, বেশ চাপেই ছিলেন তিনি। এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া লিটন স্ত্রীকে কৃতিত্ব দিয়েছেন।
নিজের সর্বশেষ আট ম্যাচে লিটনের রান ছিল ১০১। মাঝে চোটও বেশ ভুগিয়েছে তাঁকে। লিটনের জন্য চ্যালেঞ্জটা একটু বেশিই ছিল। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে সেই চাপটা যেন আরও বেশি অনুভব করেছেন লিটন। যে লিটনের স্ট্রোকের ফুলঝুড়ি ছোটাতে সময় লাগে না, সেই তিনি প্রথম বাউন্ডারি পেতে অপেক্ষা করেছেন ৩৭ বল। ম্যাচ শেষে চাপ নিয়ে বলতে গিয়েই স্ত্রী সঞ্চিতা দাসকে কৃতিত্ব দিলেন লিটন, ‘করোনার পর আন্তর্জাতিকে ফেরাটা একটু কঠিন হয়ে গেছে। মাথায় অনেক চিন্তা ছিল যে ভালো করতে হবে। পরিস্থিতিও কঠিন ছিল। চেষ্টা করেছি যে ইনিংসই খেলি না কেন যেন ভালো করতে পারি। দলকে কিছু দিতে পারি। পাশাপাশি সিনিয়র খেলোয়াড়েরা সমর্থন দিয়েছেন। পরিবার, বিশেষ করে স্ত্রীর কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছি।’
আজ হারারের উইকেট ছিল যথেষ্ট কঠিন। কঠিন এই উইকেটে কীভাবে সফল হয়েছেন, সেটিও জানালেন লিটন, ‘চেষ্টা করেছি ২০-২৫ ওভার পর্যন্ত টেস্টের মতো ব্যাটিং করে যাওয়ার। চিন্তা করেছি যে কন্ডিশন এখন আমার অনুকূলে নয়। কঠিন সময়টা কাটিয়ে উঠতে হলে উইকেটে থাকতে হবে। তাহলেই পরের ধাপে যেতে পারব। রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ) আসার পর খেলাটা বদলে যায়। ওরা যখন স্পিন আনে তখন পিচে ব্যাটিং করাও সহজ হয়।’
ব্যাটিংয়ের সময় রান নিতে গিয়ে পিছলে পড়ে গিয়ে ডান হাতের কবজিতে চোট পেয়েছেন লিটন। পরে তো ফিল্ডিংয়েই নামতে পারেননি। চোটটা অবশ্য গুরুতর নয় বলেই জানিয়েছেন লিটন।

ডিআর কঙ্গোর প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো একটা দিনই পার হলো বলতে হয়। ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নিয়েছে তাঁর দল। এরপর সংবাদ সম্মেলনে বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান তিনি। এর চেয়ে নির্মম আর কী হতে পারে!
২৬ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ার কয়েক দিন পর দেশে ফিরেছেন জাপানের ফুটবলাররা। ব্রাজিলের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও দেশে ফেরার পর সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন হাজিমে মোরিয়াসুর শিষ্যরা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরুর আগে স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন দলের নির্ভরযোগ্য সেন্টারব্যাক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সবকিছু ঠিক থাকলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচেই তাঁকে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসিকে থামানো যেকোনো ডিফেন্ডারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার রবার্তো পিকো লোপেসের মা জুডি লোপেস এটাকে ছেলের জন্য ভয় হিসেবে দেখছেন না। বরং তাঁর বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মেসির বিপক্ষে খেলতে মোটেও চাপ অনুভব করবে না তাঁর ছেলে।
২ ঘণ্টা আগে