
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড টেস্ট সিরিজ ছাপিয়ে মুশফিকুর রহিম বন্দনায় মেতেছেন সবাই। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নেমে বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফদের প্রশংসায় ভাসছেন সাবেক অধিনায়ক। মিরপুরে টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে অনুমিতভাবেই সংবাদ সম্মেলনের বড় একটা অংশজুড়ে মুশফিককে নিয়ে কথা বলেছেন মুমিনুল হক।
শততম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখার পথে মুশফিক। ৯৯ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। আর মাত্র ১ রান করলেই পেয়ে যাবেন সেঞ্চুরির দেখা। ইতোমধ্যে ১২টি টেস্ট সেঞ্চুরি আছে তাঁর নামের পাশে। এছাড়া একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এই সংস্করণে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। বাকিদের থেকে আলাদা বলেই তাঁর অর্জনের পাল্লা ভারী বলে মনে করেন মুমিনুল। বাংলাদেশে আর মুশফিকের মতো একজন ক্রিকেটার জন্মাবে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে তাঁর।
মুমিনুল বলেন, ‘জানি না বাংলাদেশে এমন একজন মানুষ জন্ম নেবে কিনা। যে মানুষ রান করুক বা না করুক, তাঁর জিম রানিং, ফুড থেকে শুরু করে সব চলতে থাকে। অনেকে তো অফফর্মে থাকলে হতাশ হয়ে পড়ে। উনার ভেতর কোনো হতাশা নেই। সব ঠিক রেখে চলতে থাকেন। আমার মনে উনি ওইটারই ফল পাচ্ছেন। ১০০ টেস্ট উনি ডিজার্ব করেন। ইনশাআল্লাহ কাল ২০০ রান করলেও সে ডিজার্ব করেন।’
শততম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকের জন্য সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমন আয়োজন দেখে মুমিনুলের মনে হয়েছিল বিদায় ম্যাচ খেলতে নামছেন মুশফিক। মুমিনুল বলেন, ‘এমন পরিবেশ আগে কখনো দেখেনি। একটা সময় মনে হচ্ছিল উনাকে বিদায় দেওয়ার আয়োজন হচ্ছে। অন্যান্য দেশে কারএ বিদায়ের আগে এমন সংবর্ধনা দেখা যায়। এসব দেখে নিজের কাছে ভালো লেগেছে। এই কালচার সব সময় থাকলে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা ১০০ টেস্ট খেলার জন্য অনুপ্রাণিত হবে।’
বাংলাদেশের হয়ে শততম টেস্ট খেলতে চান কিনা এই প্রসঙ্গে মুমিনুল বলেন, ‘আমার কথা যদি বলি, আমি কাল বাঁচব কী বাঁচব না, পরেরটা পরে দেখা যাবে। আজকেরটা আজ, পরেরটা পরে।’
অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ বছরে কম টেস্ট খেলে। এটা নিয়ে কোনো হতাশা নেই মুমিনুলের, ‘আমাদের দেশের সঙ্গে অন্য দেশের পার্থক্য আছে। এটা নিয়ে আমার কোনো হতাশা নেই। আল্লাহ যা দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ।’

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে। অথচ গতকাল প্রথম দিনে প্রথম দুই সেশনে পাকিস্তান যেভাবে খেলছিল, সেটা বজায় থাকলে হতে পারত অন্য কিছু। তবে দল ভালো অবস্থায় থাকায় লিটন দাসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন রানা। যার মধ্যে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে তিনবার আউট করেছেন রানা। তবে বাংলাদেশের আলোচিত গতিতারকাকে ভয় পান না বাবর।
১১ ঘণ্টা আগে
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন হয়, সেটা টের পাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো বটেই, আইপিএলেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন তিনি। বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই দৃষ্টান্তও স্থাপন করছেন তিনি। তবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোহলি।
১২ ঘণ্টা আগে
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং ও বাউন্সারে ব্যাটারদের হরহামেশাই কুপোকাত করেন নাহিদ রানা। আগুনে বোলিংয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই ফেলে দিয়েছেন রানা। বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে কখনো কোনো বোলার বাউন্সার মারলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের গতিতারকা।
১৪ ঘণ্টা আগে