
ডিপ স্কয়ার লেগে পুল করে চার মারার পর হেলমেটটা খুললেন বেন কারেন। তারপর দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দিয়েছেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির কারেনের উদযাপন বলতে এটুকুই। যে কারানের ইনিংস থেমে যেতে পারত ৪ রানেই, তিনি ১১১ রান করে অপরাজিত থেকেছেন। তাঁর তিন অঙ্ক ছোঁয়ার দিনে বাংলাদেশের সামনে ২৪৮ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে।
হারারেতে প্রথম ওয়ানডেতে ১৪২ রানের লক্ষ্য পেয়েও ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২৫ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। একই মাঠে আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মিরাজের দল নেমেছে টিকে থাকার লড়াইয়ে। এই ম্যাচ জিততে না পারলে টানা পাঁচ ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কীর্তি আর গড়া হবে না বাংলাদেশের।
আজও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট হারায় স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে প্রথম চার বল অফস্টাম্পের বাইরে করে পঞ্চম বলটা ইনসুইং করেছেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের বল বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে গেছেন বেনেট।
প্রথম ওভারে উইকেট পাওয়া তাসকিন উইকেট পেয়েছেন নিজের দ্বিতীয় ওভারেও। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে তাসকিনকে তুলে মারতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফেলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। মিড অফে সহজ ক্যাচ ধরেন মিরাজ। কাইয়ার ৪ রান এসেছে বাউন্ডারি থেকেই।
৯ রানেই জিম্বাবুয়ে হারাতে পারত তৃতীয় উইকেট। শরীফুল ইসলামের অফস্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে যান কারেন। শর্ট কাভারে তাওহীদ হৃদয় বল তালুবন্দী করতে পারেননি। কারেনের রান তখন ৪। জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি ব্যাটার একপ্রান্তে সাবলীল ব্যাটিং করলেও অন্যপ্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। যেখানে নবম ওভারের প্রথম বলে ক্রেগ আরভিনকে (৯) দারুণ এক ইয়র্কারে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। আর ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওয়েসলি মাধেভেরেক (১৫) ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
আরভিন-মাধেভেরের বিদায়ে জিম্বাবুয়ের স্কোর হয়ে যায় ১৬.২ ওভারে ৪ উইকেটে ৬৬ রান। ছয় নম্বরে নামা সিকান্দার রাজা হাল ধরেছেন কারেনের সঙ্গে। পঞ্চম উইকেটে ৯৮ বলে ৬৮ রানের জুটি গড়েন রাজা-কারেন। ৩৩তম ওভারের প্রথম বলে রাজাকে ফিরিয়েছেন মিরাজ। এবার কাভারে ক্যাচ ধরতে ভুল করেননি হৃদয়। ৫৩ বলে ৪ চারে ৩৩ রান করেন রাজা।
রাজার বিদায়ের পর দ্রুত বিদায় করেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক ব্যাটার ক্লাইভ মাদান্দে (৪)। ৩৭তম ওভারের পঞ্চম বলে রিশাদ হোসেনকে কাট করতে গিয়ে মাদান্দে ধরা পড়েন উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নুরুল হাসান সোহানের হাতে।
রাজা, মাদান্দের উইকেট হারিয়ে ৩৬.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রানে পরিণত হয় জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিকদের আর কোনো উইকেটই আর ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। যেখানে তাসকিনকে ৪৬তম ওভারের প্রথম দুই বলে চার মেরে সেঞ্চুরি তুলে নেন কারেন। জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি ব্যাটারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নিতে লেগেছে ১২২ বল।
সপ্তম উইকেটে কারেন-ব্র্যাড ইভান্স গড়েন ৮০ বলে ৯৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েছেন। বিশেষ করে স্লো ওভার রেটের শাস্তি হিসেবে যখন বৃত্তের ভেতরে ফিল্ডার বেশি রেখে বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে, তখন আরও বেশি চড়াও হয়েছে জিম্বাবুয়ে। শেষ দুই ওভারে সফরকারীরা যোগ করেছে ২৮ রান। যার মধ্যে একাই ২৫ রান নিয়েছেন ইভান্স। ইনিংসের শেষ ওভার বোলিং করতে আসা তাসকিনকে ৩ ছক্কা ও ১ চারে ২২ রান নিয়েছেন ইভান্স। জিম্বাবুয়ে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে করে ২৪৭ রান।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসে সর্বোচ্চ ১১১ রান করেন কারেন। ১৩৫ বলের ইনিংসে ৯ চারে এই ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন জিম্বাবুয়ের ওপেনার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ইভান্স। তিনি ২ চার ও ৫ ছক্কা মেরেছেন। বাংলাদেশের মিরাজ, তাসকিন দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। যার মধ্যে মিরাজ ১০ ওভারে খরচ করেন ৩২ রান। দিয়েছেন এক ওভার মেডেন। আর তাসকিন ২ ওভার মেডেন দিলেও ১০ ওভারে খরচ করেন ৫৭ রান। একটি করে উইকেট পেয়েছেন রিশাদ ও রানা।

কানসাস সিটির রিভারফ্রন্ট এলাকায় আর্জেন্টিনা দলের বেস ক্যাম্পের সামনে পরশু রাতে কিছু ভক্ত-সমর্থক যথারীতি ড্রাম বাজাচ্ছিলেন, উল্লাস করে যাচ্ছিলেন। আটলান্টায় মিসরের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কানসাসে বেস ক্যাম্পে ফিরেছে আর্জেন্টিনা। রাত ১০টায় নিরাপত্তাকর্মীরা ভক্ত-সমর্থকদের ড্রাম বাজান
৩ মিনিট আগে
কাতারের আল-বায়ত স্টেডিয়ামের রাতটি মরক্কোর ফুটবল ইতিহাসে আজও এক গভীর স্মৃতি। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে রূপকথার যাত্রা থেমে গিয়েছিল আটলাস লায়নদের। তবে সেই হার শুধু স্বপ্নভঙ্গই নয়, শিখিয়েছিল বড় মঞ্চে ছোট ছোট ভুলের মূল্য কতটা বড় হতে পারে।
২২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে মরক্কোর শেষ স্মৃতি সুখের নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ২–০ গোলের হারে। তবে সেই হার মরক্কোর ইতিহাস মুছে দেয়নি। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার গৌরব আজও তাদের।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনে মিসরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জিতলেও ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে ঘিরে অস্বস্তি ভর করেছিল আর্জেন্টিনা দলে। তবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে সেই অস্বস্তি দূর হতেও বেশি সময় লাগল না। বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে