এবারে আইপিএলে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও আজকের দিনকে নিশ্চিতভাবেই ভুলে যেতে চাইবেন বিরাট কোহলি। কেননা আইপিএলের ইতিহাসে এই দিনে ‘গোল্ডেন ডাকের’ হ্যাটট্রিক করেছেন ভারতীয় ব্যাটার।
তাই ২৪ এপ্রিলকে মনে রাখতে চাইবেন না কোহলি। ঠিক যেমন আনলাকি থার্টিনকে পছন্দ করেন না অনেকে। আজ রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ইনিংস শুরু করতে নেমে প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গেলুরুর অধিনায়ককে এলবিডব্লিউ করে টুর্নামেন্টে লজ্জাজনক রেকর্ডটি উপহার দিয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট।
এর আগে আরও দুই মৌসুমে এই দিনেই প্রথম বলেই আউট হয়েছেন কোহলি। গত মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে তিনে ব্যাটিং করতে নেমে মার্কো ইয়ানসেনের বলে গোল্ডেন ডাক মারেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
আর এই দিনে সর্বপ্রথম কোহলি শূন্য রানে আউট হন ২০১৭ আইপিএলে। টুর্নামেন্টের ২৭ তম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলার নাথান কোল্টার নাইনের বলে কোনো রান না করেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যান তিনি। আজ এলবিডব্লিউ হলেও গত দুই ম্যাচে ক্যাচ আউট হয়েছেন ক্রিকেটে ‘রানমেশিন’ নামে খ্যাত এই ব্যাটার।
আজ এমন লজ্জার রেকর্ড গড়লেও টুর্নামেন্ট ফর্মে আছেন কোহলি। ৭ ম্যাচে ৪৬.৫০ গড়ে ২৭৯ রান করে রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনে আছেন ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটার। আর সমান ম্যাচে ৬৭.৫০ গড়ে ৪০৫ রান করে সবার শীর্ষে আছেন তাঁরই দলের সতীর্থ ও অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে