লাইছ ত্বোহা, ঢাকা

আবু হায়দার রনির পা সীমানাদড়ি স্পর্শ করেছে, সেই ছবির সঙ্গে তিনটা ইমোজি জুড়ে দিয়ে গত পরশু মুশফিকুর রহিমের ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন—‘মাশা আল্লাহ’। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজের বিতর্কিত আউট নিয়ে একধরনের প্রতিবাদই করেছেন এই তারকা ক্রিকেটার। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের আম্পায়ারিংয়ে যে বিতর্ক পিছু ছাড়ে না, মুশফিকের এ পোস্টে আবারও সেটা স্পষ্ট হয়েছে।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং নিয়ে বিতর্ক সব সময় আলোচিত এক বিষয়। অতীতে নানাভাবে এর প্রতিবাদও করেছেন তারকা ক্রিকেটাররা। লাথি মেরে স্টাম্প উপড়ে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুশফিকের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ কিংবা তামিম ইকবালের মাঠ ছাড়ার ডাক—এত অপ্রীতিকর দৃশ্য দেখেও সমস্যার সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি বিসিবিকে। বরং তাদের দাবি, কয়েক বছর ধরে বেশ উন্নতি হয়েছে ঘরোয়া লিগের আম্পায়ারিংয়ে।
গত ১৫ এপ্রিল আবাহনীর ওপেনার নাইম শেখের এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন করেন প্রাইম ব্যাংকের খেলোয়াড়েরা, আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। প্রাইমের সিনিয়র সদস্য তামিম সতীর্থদের মাঠ ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। কিছু সময় খেলা বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়।
২৩ এপ্রিল রেলিগেশন লিগের প্রথম ম্যাচে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে বোল্ড হয়ে গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমির ব্যাটার ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা শুরু করলেন, তখন লেগ আম্পায়ারের সংকেত নো-বল! এসব বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এড়াতে ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে থার্ড আম্পায়ারের প্রয়োজনীয়তা বারবার সামনে এলেও বিসিবির ঢাকা মহানগরী ক্রিকেট ক্লাব কমিটি (সিসিডিএম) যেন নীরব ভূমিকায়।
থার্ড আম্পায়ারের ব্যাপারে বাজেটের প্রসঙ্গ টেনে সিসিডিএম চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘এটা আম্পায়ার্স কমিটি ভালো বলতে পারবে। আমরা চাইব সব ধরনের পদ্ধতি থাক (আম্পায়ারিংয়ে)। এগুলোর সঙ্গে খরচেরও একটা ব্যাপার জড়িত থাকে। আমার মনে হয়, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছে। গত ৩ বছরে তারা অনেক কিছু উন্নতি করেছে। তাদের জন্য আমাদের এই স্বীকারোক্তি দিতেই হবে। তবু উন্নতির জায়গা থাকে। আমরা চাই এ ধরনের কিছু হোক (থার্ড আম্পায়ার)। কিন্তু এটা যদি আম্পায়ার্স কমিটির বাজেটের মধ্যে না থাকে, একটা ঝামেলা হয়ে যায়। এটা তাদের সঙ্গে কথা বললে ভালো উত্তর পাওয়া যাবে।’
বিষয়টি নিয়ে আম্পায়ার্স কমিটির প্রধান ইফতেখার রহমান মিঠুর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, পুরোপুরি আউটের নিয়ম না জেনেই মন্তব্য করে। মুশফিকের আউটের নিয়ম হচ্ছে, যেহেতু ডিআরএস নেই, ফিল্ডার যা বলবে, সেটাই সিদ্ধান্ত। মাশরাফিরা (রূপগঞ্জ) অভিযোগ করেছে, এই যে কানকাশন নিয়মটা পুরোপুরি ওই দলের ওপরে নির্ভর করে। রান নিতে গিয়ে ঘাড়ে চোট পেয়েছে। ওই দলের চিকিৎসক যদি বলে এই সমস্যা, তখন ম্যাচ রেফারিকে সেটা দিতেই হবে। এটাই নিয়ম।’
ডিপিএলে থার্ড আম্পায়ার পদ্ধতি চালু প্রসঙ্গে মিঠুর ব্যাখ্যা, ‘এটা ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাপার, টাকার ব্যাপার। ডিআরএস খুবই ব্যয়বহুল। এখন স্ট্রিমিং করছে একেবারে সস্তাভাবে, মিনিমাম একটা... (বাজেটে)। এটা সিসিডিএমেরও দোষ না। এখন খেলোয়াড়েরাও খুব বাড়াবাড়ি করে ফেলছে, অফিশিয়ালরাও বাড়াবাড়ি করে ফেলছে। যেসব ম্যাচ নিয়ে অভিযোগ, আমরা এখন সেগুলো ভালোভাবে দেখব, যাচাই করব নিজেদের মধ্যে।’
বাজেট নিয়ে মিঠু আরও যোগ করলেন, ‘আমাদের বাজেট দেয় ক্রিকেট বোর্ড। আমরা বোর্ডকে বলি, কতগুলো ম্যাচ হবে, ওই অনুযায়ী বাজেট হয়।’
বিশ্বের অন্যতম ধনি ক্রিকেট বোর্ডের চলতি অর্থবছরেও সম্ভাব্য ব্যয় ৪০৭ কোটি টাকা। বিসিবির বাজেটে চলতি অর্থবছরে সিসিডিএমের জন্য রাখা হয়েছে ১১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আর আম্পায়ার্স কমিটির জন্য রাখা ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রিমিয়ার লিগে গত অর্থবছরে বিসিবির খরচ ছিল ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কমিটির জন্য বরাদ্দ বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয় যে লিগে, সেখানে থার্ড আম্পায়ারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসানও, ‘থার্ড আম্পায়ার খুব প্রয়োজন হয়ে গেছে। খেলা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হচ্ছে, অযথা আম্পায়ারদের ওপর একটা চাপ তৈরি হয়। এগুলো ধরা যাবে ডিআরএস থাকলে। ডিআরএসে থার্ড আম্পায়ার থাকবে। সে ম্যাচ রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ করবে, তারা দেখবে। ফিল্ড আম্পায়ার চাইবে, থার্ড আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত কী।’

আবু হায়দার রনির পা সীমানাদড়ি স্পর্শ করেছে, সেই ছবির সঙ্গে তিনটা ইমোজি জুড়ে দিয়ে গত পরশু মুশফিকুর রহিমের ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন—‘মাশা আল্লাহ’। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজের বিতর্কিত আউট নিয়ে একধরনের প্রতিবাদই করেছেন এই তারকা ক্রিকেটার। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের আম্পায়ারিংয়ে যে বিতর্ক পিছু ছাড়ে না, মুশফিকের এ পোস্টে আবারও সেটা স্পষ্ট হয়েছে।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং নিয়ে বিতর্ক সব সময় আলোচিত এক বিষয়। অতীতে নানাভাবে এর প্রতিবাদও করেছেন তারকা ক্রিকেটাররা। লাথি মেরে স্টাম্প উপড়ে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুশফিকের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ কিংবা তামিম ইকবালের মাঠ ছাড়ার ডাক—এত অপ্রীতিকর দৃশ্য দেখেও সমস্যার সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি বিসিবিকে। বরং তাদের দাবি, কয়েক বছর ধরে বেশ উন্নতি হয়েছে ঘরোয়া লিগের আম্পায়ারিংয়ে।
গত ১৫ এপ্রিল আবাহনীর ওপেনার নাইম শেখের এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন করেন প্রাইম ব্যাংকের খেলোয়াড়েরা, আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। প্রাইমের সিনিয়র সদস্য তামিম সতীর্থদের মাঠ ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। কিছু সময় খেলা বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়।
২৩ এপ্রিল রেলিগেশন লিগের প্রথম ম্যাচে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে বোল্ড হয়ে গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমির ব্যাটার ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা শুরু করলেন, তখন লেগ আম্পায়ারের সংকেত নো-বল! এসব বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এড়াতে ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে থার্ড আম্পায়ারের প্রয়োজনীয়তা বারবার সামনে এলেও বিসিবির ঢাকা মহানগরী ক্রিকেট ক্লাব কমিটি (সিসিডিএম) যেন নীরব ভূমিকায়।
থার্ড আম্পায়ারের ব্যাপারে বাজেটের প্রসঙ্গ টেনে সিসিডিএম চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘এটা আম্পায়ার্স কমিটি ভালো বলতে পারবে। আমরা চাইব সব ধরনের পদ্ধতি থাক (আম্পায়ারিংয়ে)। এগুলোর সঙ্গে খরচেরও একটা ব্যাপার জড়িত থাকে। আমার মনে হয়, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টাই করছে। গত ৩ বছরে তারা অনেক কিছু উন্নতি করেছে। তাদের জন্য আমাদের এই স্বীকারোক্তি দিতেই হবে। তবু উন্নতির জায়গা থাকে। আমরা চাই এ ধরনের কিছু হোক (থার্ড আম্পায়ার)। কিন্তু এটা যদি আম্পায়ার্স কমিটির বাজেটের মধ্যে না থাকে, একটা ঝামেলা হয়ে যায়। এটা তাদের সঙ্গে কথা বললে ভালো উত্তর পাওয়া যাবে।’
বিষয়টি নিয়ে আম্পায়ার্স কমিটির প্রধান ইফতেখার রহমান মিঠুর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, পুরোপুরি আউটের নিয়ম না জেনেই মন্তব্য করে। মুশফিকের আউটের নিয়ম হচ্ছে, যেহেতু ডিআরএস নেই, ফিল্ডার যা বলবে, সেটাই সিদ্ধান্ত। মাশরাফিরা (রূপগঞ্জ) অভিযোগ করেছে, এই যে কানকাশন নিয়মটা পুরোপুরি ওই দলের ওপরে নির্ভর করে। রান নিতে গিয়ে ঘাড়ে চোট পেয়েছে। ওই দলের চিকিৎসক যদি বলে এই সমস্যা, তখন ম্যাচ রেফারিকে সেটা দিতেই হবে। এটাই নিয়ম।’
ডিপিএলে থার্ড আম্পায়ার পদ্ধতি চালু প্রসঙ্গে মিঠুর ব্যাখ্যা, ‘এটা ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাপার, টাকার ব্যাপার। ডিআরএস খুবই ব্যয়বহুল। এখন স্ট্রিমিং করছে একেবারে সস্তাভাবে, মিনিমাম একটা... (বাজেটে)। এটা সিসিডিএমেরও দোষ না। এখন খেলোয়াড়েরাও খুব বাড়াবাড়ি করে ফেলছে, অফিশিয়ালরাও বাড়াবাড়ি করে ফেলছে। যেসব ম্যাচ নিয়ে অভিযোগ, আমরা এখন সেগুলো ভালোভাবে দেখব, যাচাই করব নিজেদের মধ্যে।’
বাজেট নিয়ে মিঠু আরও যোগ করলেন, ‘আমাদের বাজেট দেয় ক্রিকেট বোর্ড। আমরা বোর্ডকে বলি, কতগুলো ম্যাচ হবে, ওই অনুযায়ী বাজেট হয়।’
বিশ্বের অন্যতম ধনি ক্রিকেট বোর্ডের চলতি অর্থবছরেও সম্ভাব্য ব্যয় ৪০৭ কোটি টাকা। বিসিবির বাজেটে চলতি অর্থবছরে সিসিডিএমের জন্য রাখা হয়েছে ১১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আর আম্পায়ার্স কমিটির জন্য রাখা ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রিমিয়ার লিগে গত অর্থবছরে বিসিবির খরচ ছিল ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কমিটির জন্য বরাদ্দ বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয় যে লিগে, সেখানে থার্ড আম্পায়ারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসানও, ‘থার্ড আম্পায়ার খুব প্রয়োজন হয়ে গেছে। খেলা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হচ্ছে, অযথা আম্পায়ারদের ওপর একটা চাপ তৈরি হয়। এগুলো ধরা যাবে ডিআরএস থাকলে। ডিআরএসে থার্ড আম্পায়ার থাকবে। সে ম্যাচ রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ করবে, তারা দেখবে। ফিল্ড আম্পায়ার চাইবে, থার্ড আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত কী।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে