
এই ভালো তো এই খারাপ—মোস্তাফিজুর রহমানের ক্যারিয়ার চলছে এভাবেই। কখনো স্লোয়ার-কাটারের জাদুতে ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করছেন, আবার কখনো মুক্তহস্তে রান বিলিয়ে দিচ্ছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও মোস্তাফিজের যাচ্ছে অম্লমধুর। এরই মধ্যে তিনি করে ফেলেছেন এক বিশ্ব রেকর্ড।
শারজায় পরশু শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ১১৪২ ডট বল দেওয়ার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। আফগানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই চার ওভার করে বোলিং করেছেন। ৪৮ বলের মধ্যে ১৭ বল ডট দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ডট বল দেওয়ার রেকর্ডে মোস্তাফিজের পরে আছেন টিম সাউদি। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নিউজিল্যান্ডের এই পেসারের ১১৩৮ বল থেকে ব্যাটাররা কোনো রান করতে পারেননি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই আফগানিস্তান আগে ব্যাটিং পেয়েছে। শারজায় পরশু প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪ ওভারে ২৪ রান খরচ করে মোস্তাফিজ নিয়েছেন ১ উইকেট। বাংলাদেশের বাঁহাতি এই পেসার দিয়েছেন ১০ ডট। তবে গত রাতে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মোস্তাফিজ তাঁর ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি। ৪ ওভারে ৪০ রান খরচ করেছেন। পাননি কোনো উইকেট।
টি-টোয়েন্টিতে ১০ ইকোনমির বোলিংকে বাজে বলার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কিন্তু আফগানদের রান গতকাল যে ১৫০-এর মধ্যে আটকে রাখা গেছে, তাতে কি মোস্তাফিজের কোনো অবদান নেই? হ্যাঁ, তিনি অবদান রেখেছেন ডেথ ওভারের বোলিংয়ে। ৪০ রানের মধ্যে নিজের প্রথম দুই ওভারে তিনি দিয়েছেন ২৪ রান। এই সময়ে ডট দিয়েছেন তিন বল। তবে ১৬ থেকে ২০—এই পাঁচ ওভারের মধ্যে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার করেছেন দুই ওভার। এ সময় তিনি চার ডট বল দিয়েছেন। খরচ করেন ১৬ রান। যেখানে ইনিংসের শেষ ওভারে মোহাম্মদ নবির কাছে দুটি চার খেয়েছেন মোস্তাফিজ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষের দিকে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই মূলত মোস্তাফিজ পেছনে ফেলেছেন সাউদিকে। নবি, আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো ব্যাটারদের যেখানে চড়াও হওয়ার কথা, সেই সময় তাঁদের রান আটকানো চাট্টিখানি কথা নয়। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টির চেয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বরং কম রান করেছেন আফগানরা। প্রথম ও দুই টি-টোয়েন্টিতে ১৫১ ও ১৪৭ রান করেছে রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০০-এর বেশি ডট দেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনজন। সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টিতে দিয়েছেন ১০৭৮ ডট।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাকিব এক বছর ধরে বাইরে আছেন। এখন যদি তিনি ফেরেন, তবু দেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টি খেলার কোনো সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শেষ ম্যাচ তিনি খেলেছেন ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০০৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১২৯ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সাকিব। ৬.৮১ ইকোনমিতে নিয়েছেন ১৪৯ উইকেট। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার তালিকায় তিনি এখন পাঁচ নম্বরে। এই তালিকায় সবার ওপরে থাকা রশিদ খানের উইকেট ১৭৯। দুই, তিন ও চারে থাকা টিম সাউদি, মোস্তাফিজ ও ইশ সোধির উইকেট ১৬৪, ১৫২ ও ১৫০।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি রশিদ হলেও ডট দেওয়ার তালিকায় তিনি একটু পেছনে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে তিনি দিয়েছেন ৯৮৪ ডট বল। এখানে তিনি পাঁচ নম্বরে আছেন। চারে থাকা আদিল রশিদ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দিয়েছেন ৯৮৮ ডট। বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৫.৮৭ ইকোনমিতে রশিদ খান নিয়েছেন ৬ উইকেট।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ডট বল দেওয়ার রেকর্ড
| খেলোয়াড়ের নাম | ডট বল |
|---|---|
| মোস্তাফিজুর রহমান | ১১৪২ |
| টিম সাউদি | ১১৩৮ |
| সাকিব আল হাসান | ১০৭৮ |
| আদিল রশিদ | ৯৮৮ |
| রশিদ খান | ৯৮৪ |

জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথম দুই ওয়ানডে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে ধবলধোলাই এড়িয়েছে সফরকারীরা। সিরিজ হারলেও শেষ ম্যাচের পারফরম্যান্স থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর বিশ্বাস, এই জয় এবং জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে দলে
৩০ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে সবচেয়ে সহজ পথ পাড়ি দিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসিরা এখন এমন এক রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে, যেখানে শীর্ষ ১৫-এর কোনো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি না হয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারে তারা।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন বুকভরা শোক নিয়ে। প্রিয় দাদির মৃত্যুর মাত্র এক দিন পরও দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছিলেন জেইডেন অ্যাডামস। সেই হৃদয়ছোঁয়া গল্পের এক মাসও পেরোয়নি, এবার নিজেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা এই মিডফিল্ডার।
১ ঘণ্টা আগে
সেঞ্চুরির জন্য কম চেষ্টা করলেন না তানজিদ হাসান তামিম। সফল হননি এই ওপেনার। ছক্কার উদ্দেশে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়লে তাঁর ইনিংস কাটা পড়ে। তামিমের পরই পরই বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয়। টানা দুই উইকেট হারালেও আজ আর হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়নি বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে