রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩৬৯ রান তাড়া করে জেতা তো দূরের কথা, আজ ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম সেশনও টিকতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। চতুর্থ দিন শুরু করতে নেমে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে ১৯৬ রানেই অলআউট স্বাগতিকেরা। এতে ২ টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে ১৭২ রানের জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
ওয়েলিংটনের সবুজ উইকেটে লায়ন যে রাজত্ব করবেন, তার আভাস প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। আর গতকাল যখন কিউইদের পার্টটাইম বোলার গ্লেন ফিলিপস ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট পান, তখনই যেন নিশ্চিত হয়েছিলেন চতুর্থ দিন অজিদের স্পিন বিষের মুখে পড়তে যাচ্ছেন স্বাগতিকদের ব্যাটাররা। আজ তা-ই হয়েছে। একাই কিউইদের ব্যাটিং ধসিয়ে দিলেন লায়ন।
দলীয় ৩ উইকেটে ১১১ রান নিয়ে আজ ব্যাটিংয়ে নামেন গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার রাচিন রবীন্দ্র ও ড্যারিল মিচেল। ৫৬ রানে দিন শুরু করা রবীন্দ্র আজ নিজের ইনিংসে মাত্র ৩ রান যোগ করতে পেরেছেন। ৫৯ রানে তাঁকে আউট করেই আজ টেস্ট জয়ের শুরুটা এনে দেন লায়ন। ওই ওভারেই রানের খাতা খোলার আগেই টম ব্ল্যান্ডেলকেও ড্রেসিংরুমে ফেরান অজি অফ স্পিনার। নিজের পরের ওভারে ফিলিপসকেও আউট করেন তিনি। এতে টেস্টে ২৪তম বারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন ৩৬ বছর বয়সী স্পিনার। গত দিন ২ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। আর শেষ দিকে টিম সাউদিকে আউট করে ম্যাচে ১০ উইকেটে পূর্ণ করেন।
লায়নের টানা ২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১২৮ রান। সতীর্থের আসা-যাওয়ার মিছিলে এক প্রান্ত আগলে রেখে হারের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন মিচেল। তবে খুব বেশি কমাতে পারেননি। শেষ দিকে ব্যাটাররাও তাঁকে যে সঙ্গ দিতে পারেনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৩৮ রান করেছেন ১৩০ বলের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে।
অবশ্য দল যে ১৯৬ রান পর্যন্ত করে সেটার পেছনে অবদান রয়েছে পেসার স্কট কুগেলাইনের। আটে নেমে ২৮ বলে ২৬ রান করেন তিনি। আজ মাত্র ২৩.৪ ওভার টিকতে পেরেছে কিউইরা। দুর্দান্ত বোলিং করে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিলেও প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ১৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন ক্যামেরন গ্রিন। সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেট নেন তিনি।
এতে নিজেদের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেকর্ড ভাঙা হয় না নিউজিল্যান্ডের। ১৯৬৯ সালে অকল্যান্ডে ৩৪৫ রান তাড়া করে তাদের বিপক্ষে জয় পায় ক্যারিবিয়ানরা। কিউইদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড ৩২৪। ১৯৯৪ সালে ক্রাইস্টচার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৯ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে