আগামীকাল শুরু হচ্ছে অ্যালান বোর্ডার-সুনীল গাভাস্কার সিরিজ। এ সিরিজে খেলার কথা ছিল ঋষভ পন্তেরও। তবে গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ভারতীয় ব্যাটারের অকস্মাৎ ছিটকে যাওয়াকে মেনে নিতে পারছেন না কপিল দেব।
এ জন্য পন্তের ওপর ভীষণ চটেছেন কপিল। উইকেটরক্ষক ব্যাটারের না থাকাতে দলের কম্বিনেশন ভেঙে গেছে বলে মনে করছেন ভারতের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। তার শাস্তিস্বরূপ পন্তকে চড় মারতে চেয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন কপিল। তবে চড়টা পন্তের মঙ্গলের জন্যই মারতে চেয়েছেন তিনি। ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেছেন, ‘তাকে খুব ভালোবাসি। সে শিগগির সুস্থ হোক এমনটা চাই। তবে সুস্থ হলেই তাকে চড় মারব। তাকে বলব নিজের খেয়াল রাখতে। এরপর বলব দেখ, তোমার চোট দলের কম্বিনেশন নষ্ট করে দিয়েছে। তার প্রতি ভালোবাসা ও স্নেহের সঙ্গে ক্ষোভও আছে। আজকের সময়ের তরুণেরা কেন যে এমন ভুল করে। এ জন্য হলেও একটা চড় খাওয়া উচিত।’
বর্তমানে চোট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন পন্ত। সবশেষ বাংলাদেশ সফর শেষে বাড়ি ফেরার পথে গত ৩০ ডিসেম্বর সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন ভারতীয় ব্যাটার। গাড়ি চালিয়ে ঘরে ফেরার পথে ঘুমিয়ে পড়লে উত্তরাখন্ডের রুরকি শহরের কাছে ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা খায় তাঁর গাড়ি। এতে তাঁর গাড়ি পুড়ে গেলেও অল্পতে রক্ষা পেয়েছেন ২৫ বছর বয়সী ব্যাটার।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে