প্রথম দল হিসেবে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে আজ প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারতের মেয়েরা।
১০৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং করতে থাকে ভারত। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৩ রান যোগ করেন শেফালি ভার্মা ও শ্বেতা শেহরাওয়াত। চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে শেফালিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন আন্না ব্রাউনিং। ৯ বলে ১০ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক। এরপর উইকেটে আসেন সৌম্য তিওয়ারি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেই জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের। তিওয়ারি-শ্বেতা দ্বিতীয় উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়েন।
দ্বিতীয় উইকেটের এই জুটিও ভাঙেন ব্রাউনিং। ২৬ বলে ২২ রান করা তিওয়ারি বোল্ড হয়ে যান ব্রাউনিংয়ের বলে। ৯৫ রানে ২ উইকেট হারানো ভারত খুব দ্রুতই জয় নিশ্চিত করে ফেলে। ১৫ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্রাউনিংকে চার মেরে ভারতকে ফাইনালে তোলেন শ্বেতা। ৪৫ বলে ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন ভারতীয় এই ওপেনার।
ম্যাচসেরা হয়েছেন পরশভি চোপড়া। ৪ ওভার বোলিং করে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন চোপড়া। এক ওভার মেইডেনও দিয়েছেন ভারতীয় এই লেগস্পিনার।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক শেফালি। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৭ রান করে নিউজিল্যান্ডের মেয়েরা। ৩২ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন জর্জিও প্লিমার। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন চোপড়া।

ডাবল সেঞ্চুরি করে আগের দিন অপরাজিত ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। সেই ইনিংসটাকে আরও বড় করে ত্রিপল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন। প্রথম কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে বিদেশের মাটিতে ত্রিপল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন এই ব্যাটার।
১৫ মিনিট আগে
চোটাক্রান্ত ক্রিকেটারদের দলে ফেরানোর ক্ষেত্রে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সাম্প্রতিক সময়ে সমালোচনার মুখে পড়ার পর এবার ফিটনেস ইস্যুতে কঠোর হতে যাচ্ছে বিসিসিআই।
২৪ মিনিট আগে
চোট নিয়ে বিতর্কের জেরে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ইমাম উল হক। বিষয়টি তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে এই ওপেনারের—সূত্রের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে জিও সুপার।
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় সবশেষ সফরে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়লেও হাসেনি মুশফিকুর রহিমের ব্যাট। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটি—সব কিছু থাকলেও মুশফিকের নেই কোনো ফিফটি। তাঁদের মধ্যে শুধু উন্নতি হয়েছে মুশফিকের। সতীর্থদের কারও অবনতি হয়েছে, কেউবা আগের জায়গাতেই আছেন।
১ ঘণ্টা আগে