ক্রীড়া ডেস্ক

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ১৫ মাস পর আবারও ক্রিকেটে ফিরলেন নাসির হোসেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৯ রান ফিরলেও বল হাতে ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন এ অলরাউন্ডার। তাঁর দল রূপগঞ্জ টাইগার্সও জিতেছে ৮ উইকেটে। লম্বা সময় পর মাঠে ফিরে উচ্ছ্বসিত নাসির, তবে ম্যাচশেষে তাঁর কণ্ঠে ঝরেছে আক্ষেপও। নিজেকে বললেন ‘দুর্ভাগা’।
জয়ের পর আবারও মাঠে ফেরার অনুভূতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে নাসির বললেন, ‘অবশ্যই ভালো লাগছে। যেই জিনিসটা মিস করছিলাম, ক্রিকেট খেলা, তাই দেড় বছর পর আবার মাঠে ফিরে খুব ভালো লাগছে। বাইরে থাকলেও বেশ বিন্দাস ছিলাম। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, ভালো ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ। তবে ক্রিকেটটা অবশ্যই মিস করেছি।’
প্রায় দেড় বছর পর ফিরে সবকিছু নতুন লাগছিল নাসিরের কাছে, ‘অভিষেক ম্যাচের মতো মনে হয়নি, তবে অনেক কিছুই নতুন নতুন লাগছিল। ব্যাগ গোছানো, প্রস্তুতি নেওয়া—সবকিছুই নতুন লাগছিল। ভালো লাগত যদি আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারতাম।’
নিজেকে দুর্ভাগাও বললেন নাসির, ‘আমি অনেক আনলাকি! ম্যাচ ছিল বিধায় খেলতে পেরেছি। অনেক দলের প্রস্তাব ছিল, তবে যেটা মনে হয়েছে আমার জন্য ভালো হবে, সেটাই বেছে নিয়েছি। আমি কোনো দলের অপশন হয়ে থাকতে চাইনি।’
বাংলাদেশ দলের হয়ে সবশেষ ২০২৮ সালে মাঠে নেমেছিলেন নাসির। এখনো জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখেন নাসির, ‘আমরা সবাই জাতীয় দলে খেলার জন্যই খেলি। স্বপ্ন দেখি। যদি পারফর্ম করি এবং সেটার মূল্যায়ন হয়, তাহলে অবশ্যই জাতীয় দলে ফিরতে পারব। তবে পারফর্ম করার পরও যদি ডাক না আসে, তাহলে কঠিন।’
দারুণ প্রতিভা নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করলেও দ্রুত হারিয়ে গেলেন নাসির। দলে টিকতে না পারার দায় নির্বাচকদেরও দিকেও ইঙ্গিত দিলেন এ অলরাউন্ডার, ‘আমার মনে হয়, আপনি যখন নির্বাচক প্যানেলে থাকবেন...যদি বাইরের দেশে দেখেন, দুই বছর পরপর নির্বাচক প্যানেল বদলায়। ধরেন আমি নির্বাচক হিসেবে আছি। আমার চোখে কিন্তু সবাইকে সমান ভালো লাগবে না। এটাই স্বাভাবিক। দুই বছর পরপর বদলালে, আমার চোখে যাকে ভালো লাগত না, অন্য কারও চোখে তাকে ভালো লাগতেও পারে। আপনি যদি এখন ৯-১০ বছর ধরে একই জায়গায় থাকেন, যাকে ভালো লাগবে না, তার তো ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে গেল প্রায়। আমি মনে করি, আমার ক্ষেত্রে এই জিনিসটা হয়েছে। আমি যদি ৫টা সুযোগ পাই, বাকিদেরও ৫টা সুযোগই পাওয়া উচিত। এমন না হয় যেন, ওরা ২০টা সুযোগ পেল, আমি ৫টা সুযোগ পেলাম। আমার মনে হয়, আমার ক্ষেত্রে এই জিনিসটাই হয়েছে। হইতে পারে। আমার কাছে তা-ই মনে হয়।’
মাঠের বাইরেও বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় থাকেন নাসির। তবে সমালোচকদের তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করলেন তিনি, ‘এগুলো হচ্ছে ভুয়া কথা, তারকা-মারকা বলে কিছু নেই। না খেয়ে থাকলে আপনারা কেউ এসে বলবেন না, ভাই খান। এগুলো তাই কোনো কিছু নয়। আমি যেমন আছি, ভালো আছি। আমি আপনাদের মতোই মানুষ। আমারও জীবন আছে, পরিবার আছে।’
২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি টি-টেন লিগ খেলতে গিয়েই নাসির মূলত বিপাকে পড়েন। গত বছরের জানুয়ারিতে আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিযুক্ত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার কাছে নাসির একটি উপহারের রসিদ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এটি ছিল একটি আইফোন ১২। তখন তাঁকে ছয় মাসের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ ২ বছর নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। নিষেধাজ্ঞার খড়্গ কাটিয়ে আজ ফিরেছেন মাঠে।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ১৫ মাস পর আবারও ক্রিকেটে ফিরলেন নাসির হোসেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৯ রান ফিরলেও বল হাতে ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন এ অলরাউন্ডার। তাঁর দল রূপগঞ্জ টাইগার্সও জিতেছে ৮ উইকেটে। লম্বা সময় পর মাঠে ফিরে উচ্ছ্বসিত নাসির, তবে ম্যাচশেষে তাঁর কণ্ঠে ঝরেছে আক্ষেপও। নিজেকে বললেন ‘দুর্ভাগা’।
জয়ের পর আবারও মাঠে ফেরার অনুভূতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে নাসির বললেন, ‘অবশ্যই ভালো লাগছে। যেই জিনিসটা মিস করছিলাম, ক্রিকেট খেলা, তাই দেড় বছর পর আবার মাঠে ফিরে খুব ভালো লাগছে। বাইরে থাকলেও বেশ বিন্দাস ছিলাম। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, ভালো ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ। তবে ক্রিকেটটা অবশ্যই মিস করেছি।’
প্রায় দেড় বছর পর ফিরে সবকিছু নতুন লাগছিল নাসিরের কাছে, ‘অভিষেক ম্যাচের মতো মনে হয়নি, তবে অনেক কিছুই নতুন নতুন লাগছিল। ব্যাগ গোছানো, প্রস্তুতি নেওয়া—সবকিছুই নতুন লাগছিল। ভালো লাগত যদি আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারতাম।’
নিজেকে দুর্ভাগাও বললেন নাসির, ‘আমি অনেক আনলাকি! ম্যাচ ছিল বিধায় খেলতে পেরেছি। অনেক দলের প্রস্তাব ছিল, তবে যেটা মনে হয়েছে আমার জন্য ভালো হবে, সেটাই বেছে নিয়েছি। আমি কোনো দলের অপশন হয়ে থাকতে চাইনি।’
বাংলাদেশ দলের হয়ে সবশেষ ২০২৮ সালে মাঠে নেমেছিলেন নাসির। এখনো জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখেন নাসির, ‘আমরা সবাই জাতীয় দলে খেলার জন্যই খেলি। স্বপ্ন দেখি। যদি পারফর্ম করি এবং সেটার মূল্যায়ন হয়, তাহলে অবশ্যই জাতীয় দলে ফিরতে পারব। তবে পারফর্ম করার পরও যদি ডাক না আসে, তাহলে কঠিন।’
দারুণ প্রতিভা নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করলেও দ্রুত হারিয়ে গেলেন নাসির। দলে টিকতে না পারার দায় নির্বাচকদেরও দিকেও ইঙ্গিত দিলেন এ অলরাউন্ডার, ‘আমার মনে হয়, আপনি যখন নির্বাচক প্যানেলে থাকবেন...যদি বাইরের দেশে দেখেন, দুই বছর পরপর নির্বাচক প্যানেল বদলায়। ধরেন আমি নির্বাচক হিসেবে আছি। আমার চোখে কিন্তু সবাইকে সমান ভালো লাগবে না। এটাই স্বাভাবিক। দুই বছর পরপর বদলালে, আমার চোখে যাকে ভালো লাগত না, অন্য কারও চোখে তাকে ভালো লাগতেও পারে। আপনি যদি এখন ৯-১০ বছর ধরে একই জায়গায় থাকেন, যাকে ভালো লাগবে না, তার তো ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে গেল প্রায়। আমি মনে করি, আমার ক্ষেত্রে এই জিনিসটা হয়েছে। আমি যদি ৫টা সুযোগ পাই, বাকিদেরও ৫টা সুযোগই পাওয়া উচিত। এমন না হয় যেন, ওরা ২০টা সুযোগ পেল, আমি ৫টা সুযোগ পেলাম। আমার মনে হয়, আমার ক্ষেত্রে এই জিনিসটাই হয়েছে। হইতে পারে। আমার কাছে তা-ই মনে হয়।’
মাঠের বাইরেও বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় থাকেন নাসির। তবে সমালোচকদের তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করলেন তিনি, ‘এগুলো হচ্ছে ভুয়া কথা, তারকা-মারকা বলে কিছু নেই। না খেয়ে থাকলে আপনারা কেউ এসে বলবেন না, ভাই খান। এগুলো তাই কোনো কিছু নয়। আমি যেমন আছি, ভালো আছি। আমি আপনাদের মতোই মানুষ। আমারও জীবন আছে, পরিবার আছে।’
২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি টি-টেন লিগ খেলতে গিয়েই নাসির মূলত বিপাকে পড়েন। গত বছরের জানুয়ারিতে আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিযুক্ত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার কাছে নাসির একটি উপহারের রসিদ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এটি ছিল একটি আইফোন ১২। তখন তাঁকে ছয় মাসের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ ২ বছর নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। নিষেধাজ্ঞার খড়্গ কাটিয়ে আজ ফিরেছেন মাঠে।

খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৩ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৪ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে