২০২৫ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফট হয়েছে আজ। খেলোয়াড় ধরে রাখা, সরাসরি চুক্তি ও নিলাম মিলিয়ে প্রত্যাশিতভাবে বেশির ভাগ ক্রিকেটারই দল পেয়েছেন। তবে অন্যবারের মতো এবারও কিছু নাম রয়েছে, যাঁরা বিপিএলের ১১তম সংস্করণে দল পাননি।
বাংলাদেশ দলের পেসার রুবেল হোসেনের কাছে দল না পাওয়া যেন কিছুটা অবাক হওয়ার মতো। অবাক হওয়াটাও স্বাভাবিক, ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বিপিএলে দল পাওয়া হলো না তাঁর। ২০২১ সালের এপ্রিলের পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়নি রুবেলের।
সর্বশেষ বিপিএলে রুবেলের পারফরম্যান্স ছিল না সন্তোষজনক। খুলনা টাইগার্সের হয়ে তিন ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন একাদশে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন নিজেই। তিন ম্যাচে সব মিলিয়ে করেছেন ৫ ওভার, রান দিয়েছেন ৭২। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ১৪.৪, বিপরীতে ছিলেন উইকেটশূন্য।
আগের বারের পারফরম্যান্সে রুবেলের ক্যারিয়ারে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। তারপরও যেটা আগে কখনো হয়নি—প্রথমবার দল না পাওয়ায় রুবেলের কণ্ঠে বিস্ময়ের সুর, ‘আমার ক্যারিয়ারে কখনো হয়নি (দল না পাওয়া)। গত বিপিএলটা আমার ভালো যায়নি বলে দল পাব না, আমি খুব অবাক হয়েছি। এমন কিছু খেলোয়াড় দল পেয়েছে, অথচ আমি দল পাইনি, অবাকই হয়েছি। বুঝলাম না কোনো সিন্ডিকেট হয়েছে কি না।’
রুবেল ছাড়াও সর্বশেষ বিপিএলে দুর্দান্ত ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক শুভাগত হোম চৌধুরী দল পাননি এবার। গতবার বিপিএলের মাঝপথে রংপুর রাইডার্স দলে ভিড়িয়েছিল মুমিনুল হককে। এই বাঁহাতি ব্যাটারকেও এবার নেয়নি কোনো দল।
ফজলে মাহমুদ রাব্বিও রংপুরের হয়ে খেলেছিলেন গতবার। এই বাঁহাতি ব্যাটারও দল পাননি এবার। এই তালিকায় আছেন সাদমান ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মেহেদী হাসান রানারাও।

দারুণ এই গোলের পর আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দোরিয়েলতন। গা থেকে জার্সি খুলে বুনো ও ভিন্ন রকম এক উদ্যাপনে মাতেন তিনি। এই হ্যাটট্রিকের মধ্য দিয়ে আসরে নিজের গোল সংখ্যাকে ১২-তে নিয়ে গেলেন দোরিয়েলতন, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই
২২ মিনিট আগে
ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) ষষ্ঠ রাউন্ডে আলো ছড়ালেন জাকের আলী অনিক। সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন আবাহনী লিমিটেডের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তাঁর মতো সেঞ্চুরি না করলেও এদিন ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নজর কেড়েছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের তাওহীদ হৃদয়।
১ ঘণ্টা আগে
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের কাছে ধবল ধোলাই হয়েছে পাকিস্তান। সিরিজজুড়ে স্বাগতিকদের পেসারদের সামনে অসহায় ছিল শান মাসুদের দল। নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদদের গতিতে কেঁপেছে সফরকারীরা। এমন দারুণ একটি সিরিজ শেষে বাংলাদেশের পেসারদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ‘বিপদের বন্ধু’ হিসেবে জিম্বাবুয়ের ভালোই পরিচিতি রয়েছে। যখন বাজে ফর্মের ভেতর দিয়ে যায়, তখনই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফেলে ফর্মে ফেরে বাংলাদেশ। বর্তমান পাকিস্তান দল যেন বাংলাদেশের কাছে জিম্বাবুয়ের মতোই। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় একরকম অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। সিলেটে আজ ঐতিহাসিক জয়ে নাজমুল হোস
৩ ঘণ্টা আগে