ক্রীড়া ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের ক্রিকেটারদের সামাজিক মাধ্যমে জবাব দেওয়া উচিত নয়—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এমন কথা বলেছিলেন। লিটন দাস-জাকের আলী অনিকদের ভালোর জন্যই এমন উপদেশ তিনি দিয়েছিলেন। কারণ, বাজে পারফরম্যান্স করলে নেটিজেনরা ক্রিকেটারদের নিয়ে নানারকম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেন।
যদি নেটিজেনদের জবাব দিতেই বেশি সময় চলে যায়, মাঠের পারফরম্যান্সে সেটার প্রভাব অবশ্যই পড়বে। ইদানীং যেমন জাকেরকে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে অনেক বেশি সমালোচনা চলছে। খেলার সময় চুইংগাম চিবোতে থাকেন বলে তাঁর নাম হয়ে গেছে ‘চুইংগাম জাকের’। এ ছাড়া বিদ্রুপ করে জাকেরকে তুলনা হয় গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে। ম্যাক্সওয়েল ‘লেগ সাইডে’ শট খেলে কতটা সফল, সেটা সকলেরই জানা। সামাজিক মাধ্যমের কথাবার্তা না হয় একপাশে সরিয়ে রাখা গেল। সবচেয়ে বড় কথা মাঠের পারফরম্যান্সে জাকেরের খেলার ‘ইমপ্যাক্ট’টা আসলে কী।
একজন ক্রিকেটার এক সাইডে ভালো খেলতেই পারেন। সেক্ষেত্রে টেকনিকটাও তো ঠিক হতে হবে। কিন্তু জাকের তো ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন না। বলের মেরিট না বুঝে লেগ সাইডে মুখস্ত শট খেলতে গিয়ে বারবার সমস্যায় পড়েছেন। কারণ, বোলাররাও তাঁর দুর্বলতা বুঝে ফেলেছেন। অফ সাইডের অনেক বাইরের বল লেগে টানতে গিয়ে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারছেন না। এভাবেই বোলাররা তাঁর বিপক্ষে ডটের পর ডট আদায় করে নিচ্ছেন। টি-টোয়েন্টি যেখানে ‘ধর তক্তা মার পেরেকে’র খেলা, সেক্ষেত্রে অনেক সময় একটা ডটও দলকে বেশ বিপদে ফেলে দেয়। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির কথাই ধরে নেওয়া যাক। ১৭ বল খেলে করেছেন ১৮ রান। নায়ক হওয়ার যখন সুবর্ণ সুযোগ ছিল, সেটা তিনি হেলায় হারিয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৭ বলের মধ্যে ৮ বল অফে খেলেছেন। ডিপ কাভার দিয়ে একটি চারও মেরেছেন। এক বল ডট দিয়েছেন ও আরেকটা খেলেছেন সোজা বোলার বরাবর। লেগ সাইডে যে ৭ বল খেলেছেন, তার মধ্যে কেবল একটি বাউন্ডারি মারতে পেরেছেন। কয়েকবার আউট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি পুল করতে গিয়েই ডিপ মিড উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা খ্যারি পিয়েরের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। জাকের আউট হওয়ার পর ১৩ বলে ২৬ রানের সমীকরণ তৈরি হয় বাংলাদেশের সামনে। স্বাগতিকেরা ম্যাচটা হেরে যায় ১৪ রানে।
চট্টগ্রামে গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জাকের যে সুযোগ পেয়েছেন, সেটা নুরুল হাসান সোহানের পরিবর্তে। এর আগে সবশেষ খেলেছিলেন ১১ অক্টোবর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে ও সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিটা তাঁর কেটেছে বেঞ্চে বসে। অথচ তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করেছিল। কিন্তু বাজে ফর্মের কারণে একাদশেই এখন তিনি নিয়মিত না। লেগ সাইডে শট খেলতে গিয়ে যেমন লেজেগোবরে করে ফেলছেন, তেমনি অফসাইডে সোজা ফিল্ডার বরাবর শট খেলেন বারবার। ‘ফিনিশার’ তকমা পাওয়া জাকেরের যে ব্যাটিংটা প্রয়োজন, চাহিদা অনুযায়ী সেটা তিনি করতে পারছেন না।
আবুধাবিতে সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে জাকের দাবি করেছিলেন, বাতাসের কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা একপাশে ঠিকমতো খেলতে পারেননি। সেই জাকের আফগানিস্তানের বিপক্ষে ডেথ ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে টানা তিনটা ডট দিয়েছিলেন। লেগ সাইডে মুখস্ত শট খেলতে গিয়ে যে ডটগুলো দিয়েছিলেন, সেগুলো ছিল দৃষ্টিকটু। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টে সব মিলিয়ে ৬ ম্যাচে ২৩.৬৭ গড় ও ১০৭.৫৭ স্ট্রাইকরেটে করেছিলেন ৭১ রান। টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই স্ট্রাইকরেটে খেলতে তো পারেননি, এমনকি মারতে পারেননি একটি ছক্কাও। শুধু ২০২৫ এশিয়া কাপই নয়, ২০২৩ এশিয়ান গেমস ক্রিকেট, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে অনুষ্ঠিত এই চার টুর্নামেন্ট ছক্কাশূন্য হিসেবে কাটিয়েছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের ক্রিকেটারদের সামাজিক মাধ্যমে জবাব দেওয়া উচিত নয়—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এমন কথা বলেছিলেন। লিটন দাস-জাকের আলী অনিকদের ভালোর জন্যই এমন উপদেশ তিনি দিয়েছিলেন। কারণ, বাজে পারফরম্যান্স করলে নেটিজেনরা ক্রিকেটারদের নিয়ে নানারকম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেন।
যদি নেটিজেনদের জবাব দিতেই বেশি সময় চলে যায়, মাঠের পারফরম্যান্সে সেটার প্রভাব অবশ্যই পড়বে। ইদানীং যেমন জাকেরকে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে অনেক বেশি সমালোচনা চলছে। খেলার সময় চুইংগাম চিবোতে থাকেন বলে তাঁর নাম হয়ে গেছে ‘চুইংগাম জাকের’। এ ছাড়া বিদ্রুপ করে জাকেরকে তুলনা হয় গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে। ম্যাক্সওয়েল ‘লেগ সাইডে’ শট খেলে কতটা সফল, সেটা সকলেরই জানা। সামাজিক মাধ্যমের কথাবার্তা না হয় একপাশে সরিয়ে রাখা গেল। সবচেয়ে বড় কথা মাঠের পারফরম্যান্সে জাকেরের খেলার ‘ইমপ্যাক্ট’টা আসলে কী।
একজন ক্রিকেটার এক সাইডে ভালো খেলতেই পারেন। সেক্ষেত্রে টেকনিকটাও তো ঠিক হতে হবে। কিন্তু জাকের তো ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন না। বলের মেরিট না বুঝে লেগ সাইডে মুখস্ত শট খেলতে গিয়ে বারবার সমস্যায় পড়েছেন। কারণ, বোলাররাও তাঁর দুর্বলতা বুঝে ফেলেছেন। অফ সাইডের অনেক বাইরের বল লেগে টানতে গিয়ে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারছেন না। এভাবেই বোলাররা তাঁর বিপক্ষে ডটের পর ডট আদায় করে নিচ্ছেন। টি-টোয়েন্টি যেখানে ‘ধর তক্তা মার পেরেকে’র খেলা, সেক্ষেত্রে অনেক সময় একটা ডটও দলকে বেশ বিপদে ফেলে দেয়। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির কথাই ধরে নেওয়া যাক। ১৭ বল খেলে করেছেন ১৮ রান। নায়ক হওয়ার যখন সুবর্ণ সুযোগ ছিল, সেটা তিনি হেলায় হারিয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৭ বলের মধ্যে ৮ বল অফে খেলেছেন। ডিপ কাভার দিয়ে একটি চারও মেরেছেন। এক বল ডট দিয়েছেন ও আরেকটা খেলেছেন সোজা বোলার বরাবর। লেগ সাইডে যে ৭ বল খেলেছেন, তার মধ্যে কেবল একটি বাউন্ডারি মারতে পেরেছেন। কয়েকবার আউট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি পুল করতে গিয়েই ডিপ মিড উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা খ্যারি পিয়েরের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। জাকের আউট হওয়ার পর ১৩ বলে ২৬ রানের সমীকরণ তৈরি হয় বাংলাদেশের সামনে। স্বাগতিকেরা ম্যাচটা হেরে যায় ১৪ রানে।
চট্টগ্রামে গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জাকের যে সুযোগ পেয়েছেন, সেটা নুরুল হাসান সোহানের পরিবর্তে। এর আগে সবশেষ খেলেছিলেন ১১ অক্টোবর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে ও সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিটা তাঁর কেটেছে বেঞ্চে বসে। অথচ তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে আফগানিস্তানকে ধবলধোলাই করেছিল। কিন্তু বাজে ফর্মের কারণে একাদশেই এখন তিনি নিয়মিত না। লেগ সাইডে শট খেলতে গিয়ে যেমন লেজেগোবরে করে ফেলছেন, তেমনি অফসাইডে সোজা ফিল্ডার বরাবর শট খেলেন বারবার। ‘ফিনিশার’ তকমা পাওয়া জাকেরের যে ব্যাটিংটা প্রয়োজন, চাহিদা অনুযায়ী সেটা তিনি করতে পারছেন না।
আবুধাবিতে সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে জাকের দাবি করেছিলেন, বাতাসের কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা একপাশে ঠিকমতো খেলতে পারেননি। সেই জাকের আফগানিস্তানের বিপক্ষে ডেথ ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে টানা তিনটা ডট দিয়েছিলেন। লেগ সাইডে মুখস্ত শট খেলতে গিয়ে যে ডটগুলো দিয়েছিলেন, সেগুলো ছিল দৃষ্টিকটু। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টে সব মিলিয়ে ৬ ম্যাচে ২৩.৬৭ গড় ও ১০৭.৫৭ স্ট্রাইকরেটে করেছিলেন ৭১ রান। টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই স্ট্রাইকরেটে খেলতে তো পারেননি, এমনকি মারতে পারেননি একটি ছক্কাও। শুধু ২০২৫ এশিয়া কাপই নয়, ২০২৩ এশিয়ান গেমস ক্রিকেট, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে অনুষ্ঠিত এই চার টুর্নামেন্ট ছক্কাশূন্য হিসেবে কাটিয়েছেন তিনি।

এ মুহূর্তে সাকিব আল হাসান খেলছেন আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে। দুই দিন আগে ফোনে দুবাই থেকে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে সাকিবের বর্তমান জীবনটা যেন উঠে এল। আজ থাকছে দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রানা আব্বাস।
২১ মিনিট আগে
একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
১২ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে