নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মাত্রই শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজটি ছিল আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরে দুই বোর্ডের দ্বিপক্ষীয় আয়োজন। সিলেটে প্রথম টেস্টে নতজানু পারফরম্যান্সের পর চট্টগ্রামে ইনিংস ও ১০৬ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। তবে এই সিরিজ শেষেই টি-টোয়েন্টি। তাই নাজমুল হোসেন শান্তদের ভাবতে হচ্ছে টি-টোয়েন্টি নিয়ে।
সামনে এশিয়া কাপ ক্রিকেট ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সব ঠিক থাকলে এ বছর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা। আর আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে বড় এ দুটি টুর্নামেন্ট সামনে রেখে প্রস্তুতি ও নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ দলের সামনে। আর এই প্রস্তুতির শুরু এ মাস থেকেই। কদিন আগে চূড়ান্ত হয়েছে পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি সফরের সূচি। গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টির চূড়ান্ত সূচিও দিয়েছে আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড। মে-জুনে পাকিস্তান সফরের আগে আমিরাতের শারজায় ১৭ ও ১৯ মে হবে ম্যাচ দুটি। এই সিরিজ খেলার পরই পাকিস্তানে চলে যাবেন শান্তরা। লাহোর ও ফয়সালাবাদে খেলবেন ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
এরপর জুন-জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফর। ওই সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি তিন ম্যাচের একটি ওয়ানডে সিরিজও খেলবে বাংলাদেশ। সেই সফরের পর পাকিস্তান আবার বাংলাদেশে আসবে আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে। সিরিজটি চূড়ান্ত হয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে।
২০২৪ সালে ২৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক পঞ্জিকাবর্ষে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড। তবে এ বছরের এশিয়া কাপ ও আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের আগে হাতে এখনো প্রায় তিন মাস সময়। এই সময়ের মধ্যে আরব আমিরাতের সঙ্গে ২টি, পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম-অ্যাওয়ে মিলিয়ে ৮টি, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সম্ভাব্য ৩টি ও ভারতের সঙ্গে ৩টি—মোট ১৬টি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা বাংলাদেশের।
আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস। তিনি বলেন, ‘এশিয়া কাপের আগে আমরা ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলব। এ ছাড়া এশিয়া কাপের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি সিরিজে আরও ৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে। যদিও এখনো এসব সিরিজের সূচি চূড়ান্ত নয়। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ে ম্যাচগুলো হবে।’
এই পাঁচ সিরিজে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ দল নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পরখ করে নিতে চায় সম্ভাব্য স্কোয়াড ও বিকল্প ক্রিকেটারদের। জাতীয় দলের টিম ম্যানেজমেন্ট বলছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে যত ম্যাচ খেলা হবে, তা থেকে বাছাই করা হবে সেরা কম্বিনেশন।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, ‘চট্টগ্রামে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। নিউজিল্যান্ড “এ” দলের বিপক্ষে শক্তিশালী একটি দল গঠনের চেষ্টা করেছি। সামনে অনেক ম্যাচ, তাই এখনই একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করা জরুরি। সিনিয়ররা না থাকলে তাদের জায়গা পূরণে তরুণদের তৈরি করতে হবে। পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম পাটোয়ারীর মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে আমরা আশাবাদী। তারা ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করেছে। এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুযোগ দিতে হবে বেশি।’
গাজী আশরাফ হোসেন আরও বলেন, ‘দেশে এখন দক্ষিণ আফ্রিকার হাই পারফরম্যান্স দল ও নিউজিল্যান্ড “এ” দলের সঙ্গে সিরিজ চলছে। প্রথমে আমি সিলেটে যাব। তারপর এইচপির ম্যাচ দেখব রাজশাহীতে। আমাদের নজর এখন প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের দিকে।’
আরও খবর পড়ুন:

মাত্রই শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজটি ছিল আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরে দুই বোর্ডের দ্বিপক্ষীয় আয়োজন। সিলেটে প্রথম টেস্টে নতজানু পারফরম্যান্সের পর চট্টগ্রামে ইনিংস ও ১০৬ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। তবে এই সিরিজ শেষেই টি-টোয়েন্টি। তাই নাজমুল হোসেন শান্তদের ভাবতে হচ্ছে টি-টোয়েন্টি নিয়ে।
সামনে এশিয়া কাপ ক্রিকেট ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সব ঠিক থাকলে এ বছর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা। আর আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে বড় এ দুটি টুর্নামেন্ট সামনে রেখে প্রস্তুতি ও নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ দলের সামনে। আর এই প্রস্তুতির শুরু এ মাস থেকেই। কদিন আগে চূড়ান্ত হয়েছে পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি সফরের সূচি। গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টির চূড়ান্ত সূচিও দিয়েছে আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড। মে-জুনে পাকিস্তান সফরের আগে আমিরাতের শারজায় ১৭ ও ১৯ মে হবে ম্যাচ দুটি। এই সিরিজ খেলার পরই পাকিস্তানে চলে যাবেন শান্তরা। লাহোর ও ফয়সালাবাদে খেলবেন ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
এরপর জুন-জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফর। ওই সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি তিন ম্যাচের একটি ওয়ানডে সিরিজও খেলবে বাংলাদেশ। সেই সফরের পর পাকিস্তান আবার বাংলাদেশে আসবে আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে। সিরিজটি চূড়ান্ত হয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে।
২০২৪ সালে ২৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক পঞ্জিকাবর্ষে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড। তবে এ বছরের এশিয়া কাপ ও আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের আগে হাতে এখনো প্রায় তিন মাস সময়। এই সময়ের মধ্যে আরব আমিরাতের সঙ্গে ২টি, পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম-অ্যাওয়ে মিলিয়ে ৮টি, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সম্ভাব্য ৩টি ও ভারতের সঙ্গে ৩টি—মোট ১৬টি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা বাংলাদেশের।
আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস। তিনি বলেন, ‘এশিয়া কাপের আগে আমরা ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলব। এ ছাড়া এশিয়া কাপের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি সিরিজে আরও ৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে। যদিও এখনো এসব সিরিজের সূচি চূড়ান্ত নয়। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ে ম্যাচগুলো হবে।’
এই পাঁচ সিরিজে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ দল নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পরখ করে নিতে চায় সম্ভাব্য স্কোয়াড ও বিকল্প ক্রিকেটারদের। জাতীয় দলের টিম ম্যানেজমেন্ট বলছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে যত ম্যাচ খেলা হবে, তা থেকে বাছাই করা হবে সেরা কম্বিনেশন।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, ‘চট্টগ্রামে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। নিউজিল্যান্ড “এ” দলের বিপক্ষে শক্তিশালী একটি দল গঠনের চেষ্টা করেছি। সামনে অনেক ম্যাচ, তাই এখনই একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করা জরুরি। সিনিয়ররা না থাকলে তাদের জায়গা পূরণে তরুণদের তৈরি করতে হবে। পারভেজ হোসেন ইমন ও শামীম পাটোয়ারীর মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে আমরা আশাবাদী। তারা ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করেছে। এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুযোগ দিতে হবে বেশি।’
গাজী আশরাফ হোসেন আরও বলেন, ‘দেশে এখন দক্ষিণ আফ্রিকার হাই পারফরম্যান্স দল ও নিউজিল্যান্ড “এ” দলের সঙ্গে সিরিজ চলছে। প্রথমে আমি সিলেটে যাব। তারপর এইচপির ম্যাচ দেখব রাজশাহীতে। আমাদের নজর এখন প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের দিকে।’
আরও খবর পড়ুন:

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কি আমরা টাকা ফেরত চাচ্ছি—বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম আজ বিকেলে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর দুঃখপ্রকাশ করেছে বিসিবি। এমনকি সেই পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্য
১১ মিনিট আগে
নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে