
আলোচনা চলছিল গলে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজ নিয়ে। সেই আলোচনা পরে গড়িয়েছে দল নির্বাচন প্রক্রিয়ায়। তাতে নিজের ক্ষোভ আড়াল করে রাখতে পারেননি আহমেদ শেহজাদ। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে তুমুল বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান তিনি।
লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে উদ্বোধনী ব্যাটার শেহজাদ। পাকিস্তানের জার্সি সর্বশেষ গায়ে জড়ানোর সুযোগ হয়েছে ২০১৯ সালে। জাতীয় দলে ফেরার ‘সোপান’ ঘরোয়া ক্রিকেটেও খুব একটা ভালো করতে পারছেন না। তা ছাড়া বর্তমানে তিন সংস্করণেই ওপেনিংয়ে আছে থিতু ব্যাটার। ৩০ পেরোনো শেহজাদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তাই বেশ কঠিন।
তবে শেহজাদের বড় আক্ষেপ পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সর্বশেষ আসরেও সুযোগ না পাওয়া। নিজের ক্যারিয়ার-নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সামা টিভির এক অনুষ্ঠানে আলাপের মধ্যেই এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
আফ্রিদি তখন জানান, শেহজাদকে সুযোগ দিলেও তিনি হেলায় হারিয়েছেন, ‘আমি (অধিনায়ক থাকাকালে) ওকে সুযোগ দিয়েছিলাম। সে কাজে লাগাতে পারেনি। অনেকে মনে করত আমি ওকে বেশি সুযোগ দিয়েছি। সেটা ঠিক নয়। ও ভালো খেলত বলেই সুযোগ দিয়েছিলাম। যখন ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে, দল থেকেও বাদ পড়েছে।’
আফ্রিদির এ কথার পরেই গলার স্বর বদলে যায় শেহজাদের, ‘শহীদ (আফ্রিদি) ভাই, আপনাকে বড় ভাই মানি। আপনি যা ইচ্ছা বলতে পারেন। কিন্তু মাঝে মাঝে এ রকম কথা কষ্ট দেয়।’
এ সময় উঠে আসে শেহজাদের মাঠের বাইরের বিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গও। শেহজাদ যদিও নিজেকে সুশৃঙ্খল মানুষ হিসেবেই দেখাতে চেয়েছেন।
আফ্রিদি পরে মনে করিয়ে দেন, পাকিস্তান দলে ফিরতে হলে রান করে দেখাতে হবে, ‘রান না পেলে নির্বাচকেরা তোমাকে ডাকবে কেন? সুযোগ তৈরি করতে হলে আগে রান করতে হবে। রান কর, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে থাকার চেষ্টা করো।’
আফ্রিদির কথা কেড়ে নিয়ে শেহজাদের পাল্টা জবাব, ‘অবশ্যই আমি রান করতে চাই। সেই রানটা কোথায় করব? নিজের বাড়িতে? প্রশ্নটা আপনাকেই করছি। আগে সুযোগ দিয়ে দেখুন, রান করতে পারি কি না।’
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হস্তক্ষেপ করেন। দুজনকেই শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নয়। গত বছর শোয়েব আখতার টিভি অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নোমান নিয়াজের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। অপমানের অভিযোগ এনে অনুষ্ঠান ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন গতিতারকা। পরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল নোমানকে।

আলোচনা চলছিল গলে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজ নিয়ে। সেই আলোচনা পরে গড়িয়েছে দল নির্বাচন প্রক্রিয়ায়। তাতে নিজের ক্ষোভ আড়াল করে রাখতে পারেননি আহমেদ শেহজাদ। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে তুমুল বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান তিনি।
লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে উদ্বোধনী ব্যাটার শেহজাদ। পাকিস্তানের জার্সি সর্বশেষ গায়ে জড়ানোর সুযোগ হয়েছে ২০১৯ সালে। জাতীয় দলে ফেরার ‘সোপান’ ঘরোয়া ক্রিকেটেও খুব একটা ভালো করতে পারছেন না। তা ছাড়া বর্তমানে তিন সংস্করণেই ওপেনিংয়ে আছে থিতু ব্যাটার। ৩০ পেরোনো শেহজাদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তাই বেশ কঠিন।
তবে শেহজাদের বড় আক্ষেপ পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সর্বশেষ আসরেও সুযোগ না পাওয়া। নিজের ক্যারিয়ার-নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সামা টিভির এক অনুষ্ঠানে আলাপের মধ্যেই এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
আফ্রিদি তখন জানান, শেহজাদকে সুযোগ দিলেও তিনি হেলায় হারিয়েছেন, ‘আমি (অধিনায়ক থাকাকালে) ওকে সুযোগ দিয়েছিলাম। সে কাজে লাগাতে পারেনি। অনেকে মনে করত আমি ওকে বেশি সুযোগ দিয়েছি। সেটা ঠিক নয়। ও ভালো খেলত বলেই সুযোগ দিয়েছিলাম। যখন ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে, দল থেকেও বাদ পড়েছে।’
আফ্রিদির এ কথার পরেই গলার স্বর বদলে যায় শেহজাদের, ‘শহীদ (আফ্রিদি) ভাই, আপনাকে বড় ভাই মানি। আপনি যা ইচ্ছা বলতে পারেন। কিন্তু মাঝে মাঝে এ রকম কথা কষ্ট দেয়।’
এ সময় উঠে আসে শেহজাদের মাঠের বাইরের বিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গও। শেহজাদ যদিও নিজেকে সুশৃঙ্খল মানুষ হিসেবেই দেখাতে চেয়েছেন।
আফ্রিদি পরে মনে করিয়ে দেন, পাকিস্তান দলে ফিরতে হলে রান করে দেখাতে হবে, ‘রান না পেলে নির্বাচকেরা তোমাকে ডাকবে কেন? সুযোগ তৈরি করতে হলে আগে রান করতে হবে। রান কর, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে থাকার চেষ্টা করো।’
আফ্রিদির কথা কেড়ে নিয়ে শেহজাদের পাল্টা জবাব, ‘অবশ্যই আমি রান করতে চাই। সেই রানটা কোথায় করব? নিজের বাড়িতে? প্রশ্নটা আপনাকেই করছি। আগে সুযোগ দিয়ে দেখুন, রান করতে পারি কি না।’
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হস্তক্ষেপ করেন। দুজনকেই শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নয়। গত বছর শোয়েব আখতার টিভি অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নোমান নিয়াজের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। অপমানের অভিযোগ এনে অনুষ্ঠান ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন গতিতারকা। পরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল নোমানকে।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
২০ মিনিট আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দিনের প্রথম ম্যাচের মতো আজ বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচও মাঠে গড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটানসের ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও টসের সময় (সাড়ে ৫টা) ইতোমধ্যেই পেরিয়েছে। দুই দলের কেউই এখনো মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
এম নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) থাকলে মাঠে ফিরবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রিকেটাররা। বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মিঠুন সংবাদ সম্মেলন শেষে এমনটা জানানোর অল্প কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে অব্যহতি দিয়েছে বিসিবি। তবে তাঁকে পরিচালক পদ থেকে সরানোর সুযো
৩ ঘণ্টা আগে