
১৩, ২, ০, ০, ২০, ০, ০, ০, ২, ১, ৪—এসব সংখ্যাকে কোনো এলোমেলো গাণিতিক রাশি বলে ভুল হতে পারে যে কারও। তবে বেঙ্গালুরু টেস্টে ভারতের স্কোরবোর্ডে তাকালেই পরিস্কার হয়ে যাবে সব। আজ মাত্র ৪৬ রানে গুটিয়ে কী লজ্জায় না পড়তে হলো রোহিত শর্মাদের। তার মধ্যে অতিরিক্ত ৪ রান না হলে স্কোরটা ছোট হতো আরও।
নিজেদের মাটিতে নিউজিল্যান্ড পেসারদের সামনে ভারতীয় ব্যাটারদের এমন নাজেহাল হতে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসাহাসি শুরু করেছেন খোদ ভারতীয়রাই। এক্স হ্যান্ডলে একজন স্কোরবোর্ডের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘৬ ডাক’। অবশ ৬ নয়, ডাক মেরেছেন ৫ ব্যাটার। আর সেই পাঁচজন—বিরাট কোহলি, সরফরাজ খান, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টেস্টে এক ইনিংসে এটিই কোনো দলের যুগ্মভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ডাকসংখ্যা।
আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারতীয় ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসের বেলুন ফুটো হয়ে যেতে দেখে এক্স পোস্টে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে খোঁচা দিয়েছেন মাইকেল ভন, ‘ভারতীয় সমর্থকেরা ভালো দিকটিও দেখুন...কমপক্ষে ৩৬ তো পার হলো।’ চার বছর আগে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যে লজ্জায় পড়তে হয়েছিল সেটির চেয়ে এবার ১০ রান বেশি করেছে ভারত। তবে লজ্জা বোধহয় তাতে কমছে না। এবার যে ঘরের সমর্থকদের সামনেই এমন অঘটনের শিকার হলে রোহিতরা!
৪৬—নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে ভারতের এটিই তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগের দুটি ৩৬ ও ৪২। প্রথমটি ২০২০ সালে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাডিলেডে। আর দ্বিতীয়টি ১৯৭৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে। তবে ঘরের মাটিতে এটিই সর্বনিম্ন ভারতের। আগেরটি ছিল ৭৫, দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
বৃষ্টির কারণে বেঙ্গালুরু টেস্টের প্রথম দিনে হয়নি একটি বলও। আজ দ্বিতীয় দিনে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই এমন দুরাবস্থা হলো ভারতের। ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্ত ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেননি। সপ্তাহ দুয়েক আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতে উড়তে থাকা ভারতকে এমনভাবে মাটিতে নামিয়েছেন দুই কিউই পেসার ম্যাট হেনরি ও উইলিয়াম ও’রুর্কি। দুজনে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
তার মধ্যে ৫ উইকেট নিয়ে যুগ্মভাবে (২৬ ইনিংস) নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় দ্রুততম বোলার হিসেবে ছুঁয়েছেন ১০০ উইকেটের মাইলফলক। ও’রুর্কির শিকার ৪ উইকেট। বাকি উইকেটটি আরেক পেসার টিম সাউদির। উপমহাদেশের উইকেট স্পিনসহায়ক হলেও কিউই পেসাররায় ৩১.২ ওভারের মধ্যে সবকিছু সেরে ফেলে ফেলেন। অধিনায়ক রোহিতকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন সাউদি। এরপর ৩৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকেরা। দারুণ সব ক্যাচ নিয়ে সফরকারী বোলারদের সাফল্য এনে দেন ফিল্ডাররাও।
বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় দিনটি পুরোপুরি নিউজিল্যান্ডের। প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে দিন পার করেছে কিউইরা। লিড নিয়েছে ১৩৪ রান। কিউইদের একটু হতাশা বলতে, দিনের শেষ দিকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে ৯ রানের জন্য ডেভন কনওয়ের সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আগামীকাল তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামবেন রাচিন রবীন্দ্র (২২) ও ড্যারিল মিচেল (১৪)। তার মধ্যে ভারতের অস্বস্তি বাড়িয়েছে উইকেটরক্ষক পন্তের চোট। জাদেজার করা ইনিংসের ৩৭তম ওভারের শেষ বলে কনওয়েকে স্টাম্পিং করতে গিয়ে চোট পান তিনি। বল বাঁ পায়ে লাগে পন্তের। মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ভারত উইকেটরক্ষককে। তাঁর বদলি হিসেবে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়ান ধ্রুব জুরেল।

১৩, ২, ০, ০, ২০, ০, ০, ০, ২, ১, ৪—এসব সংখ্যাকে কোনো এলোমেলো গাণিতিক রাশি বলে ভুল হতে পারে যে কারও। তবে বেঙ্গালুরু টেস্টে ভারতের স্কোরবোর্ডে তাকালেই পরিস্কার হয়ে যাবে সব। আজ মাত্র ৪৬ রানে গুটিয়ে কী লজ্জায় না পড়তে হলো রোহিত শর্মাদের। তার মধ্যে অতিরিক্ত ৪ রান না হলে স্কোরটা ছোট হতো আরও।
নিজেদের মাটিতে নিউজিল্যান্ড পেসারদের সামনে ভারতীয় ব্যাটারদের এমন নাজেহাল হতে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসাহাসি শুরু করেছেন খোদ ভারতীয়রাই। এক্স হ্যান্ডলে একজন স্কোরবোর্ডের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘৬ ডাক’। অবশ ৬ নয়, ডাক মেরেছেন ৫ ব্যাটার। আর সেই পাঁচজন—বিরাট কোহলি, সরফরাজ খান, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টেস্টে এক ইনিংসে এটিই কোনো দলের যুগ্মভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ডাকসংখ্যা।
আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারতীয় ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসের বেলুন ফুটো হয়ে যেতে দেখে এক্স পোস্টে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে খোঁচা দিয়েছেন মাইকেল ভন, ‘ভারতীয় সমর্থকেরা ভালো দিকটিও দেখুন...কমপক্ষে ৩৬ তো পার হলো।’ চার বছর আগে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যে লজ্জায় পড়তে হয়েছিল সেটির চেয়ে এবার ১০ রান বেশি করেছে ভারত। তবে লজ্জা বোধহয় তাতে কমছে না। এবার যে ঘরের সমর্থকদের সামনেই এমন অঘটনের শিকার হলে রোহিতরা!
৪৬—নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে ভারতের এটিই তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগের দুটি ৩৬ ও ৪২। প্রথমটি ২০২০ সালে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাডিলেডে। আর দ্বিতীয়টি ১৯৭৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে। তবে ঘরের মাটিতে এটিই সর্বনিম্ন ভারতের। আগেরটি ছিল ৭৫, দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
বৃষ্টির কারণে বেঙ্গালুরু টেস্টের প্রথম দিনে হয়নি একটি বলও। আজ দ্বিতীয় দিনে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই এমন দুরাবস্থা হলো ভারতের। ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্ত ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেননি। সপ্তাহ দুয়েক আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতে উড়তে থাকা ভারতকে এমনভাবে মাটিতে নামিয়েছেন দুই কিউই পেসার ম্যাট হেনরি ও উইলিয়াম ও’রুর্কি। দুজনে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
তার মধ্যে ৫ উইকেট নিয়ে যুগ্মভাবে (২৬ ইনিংস) নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় দ্রুততম বোলার হিসেবে ছুঁয়েছেন ১০০ উইকেটের মাইলফলক। ও’রুর্কির শিকার ৪ উইকেট। বাকি উইকেটটি আরেক পেসার টিম সাউদির। উপমহাদেশের উইকেট স্পিনসহায়ক হলেও কিউই পেসাররায় ৩১.২ ওভারের মধ্যে সবকিছু সেরে ফেলে ফেলেন। অধিনায়ক রোহিতকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন সাউদি। এরপর ৩৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকেরা। দারুণ সব ক্যাচ নিয়ে সফরকারী বোলারদের সাফল্য এনে দেন ফিল্ডাররাও।
বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় দিনটি পুরোপুরি নিউজিল্যান্ডের। প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে দিন পার করেছে কিউইরা। লিড নিয়েছে ১৩৪ রান। কিউইদের একটু হতাশা বলতে, দিনের শেষ দিকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে ৯ রানের জন্য ডেভন কনওয়ের সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আগামীকাল তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামবেন রাচিন রবীন্দ্র (২২) ও ড্যারিল মিচেল (১৪)। তার মধ্যে ভারতের অস্বস্তি বাড়িয়েছে উইকেটরক্ষক পন্তের চোট। জাদেজার করা ইনিংসের ৩৭তম ওভারের শেষ বলে কনওয়েকে স্টাম্পিং করতে গিয়ে চোট পান তিনি। বল বাঁ পায়ে লাগে পন্তের। মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ভারত উইকেটরক্ষককে। তাঁর বদলি হিসেবে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়ান ধ্রুব জুরেল।

শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
৩০ মিনিট আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটের হালহকিকত যাঁরা জানেন, তাঁদের কাছে বৈভব সূর্যবংশী নামটাও অজানা নয়। তাঁর বয়স সবে ১৪; মুখাবয়বে এখনো শৈশবের ছোঁয়া। কিন্তু এই বয়সেই ক্রিকেটের এই বিস্ময় বালক ব্যাট হাতে আগুনের হলকা তুলছেন। যুব ক্রিকেট তো বটেই, তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা আইপিএলের কল্যাণেও ক্রিকেটপ্রেমীদের জানা। সেই সূর্যবংশীদের বিপক্ষে
২ ঘণ্টা আগে
গৃহবিবাদ কেটেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে যে জট লেগে আছে, তা কাটবে কি? এটাই এখন প্রশ্ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা না খেলার ইস্যুর সমাধান এখনো হয়নি; অথচ সময় আর বেশি বাকি নেই।
২ ঘণ্টা আগে