১৯৮৪ সালের ২০ জানুয়ারি। ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিনের ম্যাচে সকালের সেশনে ইয়ান স্মিথকে আউট করে ৫ উইকেট তুলে নেন ইয়ান বোথাম। ইংল্যান্ড ১১৫ রানে ৫ উইকেট হারালে ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন বোথাম। ডেরেক র্যান্ডালের সঙ্গে জুটি গড়ে টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন। একই দিনে সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি গড়েছিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। ৪১ বছর পরে বোথামের সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ।
চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ১৬ রানে। আজ তৃতীয় দিনে তাইজুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিবের সঙ্গে কার্যকর দুটি জুটি গড়ে তুলে নেন দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। তাঁর সেঞ্চুরির সৌজন্যে দল পায় ২১৭ রানের লিড, তাতে তৈরি হয় জয়ের ভিতও। মিরাজের থামেন ১০৪ রানে।
বল হাতেও জিম্বাবুয়েকে দ্বিতীয় ইনিংসে ধসিয়ে দেন মিরাজ। দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে ওপেনার বেন কারেন ও অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এ জুটি ভেঙে দলকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-থ্রু এনে দেন মিরাজ। দুই ব্যাটারকেই ফেরান ঘূর্ণি জাদুতে। তারপর ওয়েসলে মাধেভেরে ও তাফাদজাওয়া সিগাকে রানের খাতা খোলার আগেই ফেরান। মিরাজের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড অফে তাইজুল ইসলামের হাতে ধরা পড়েন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তাতেই বোথামের সঙ্গে একই রেকর্ড ভাগ করে ফেলেছেন মিরাজ।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বোথামের সেই ইনিংস ম্যাচ জিততে পারেনি। ইংল্যান্ড সেই ম্যাচ ড্র করেছিল। কিন্তু মিরাজের বীরত্বে বাংলাদেশ জিতল চট্টগ্রাম টেস্ট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রানের দিক থেকে যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়—ইনিংস ও ১০৬ রানের ব্যবধানে। ম্যাচসেরার সঙ্গে সিরিজ সেরা পুরস্কারও হাতে তুলেছেন এই অলরাউন্ডার।

মোসেঙ্গো-ওম্বা বলেন, ‘মানুষ তাদের সব সমস্যা ভুলে লেপার্ডসদের পেছনে ছুটছে। কঙ্গো থেকে আসা মানেই ইবোলা নয়। কঙ্গো বিশাল একটি দেশ এবং আমরা এই রোগের সঙ্গে অনেকবার লড়েছি। বিশ্বের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’
৪ ঘণ্টা আগে
ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর বোলারদের র্যাঙ্কিংয়েও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম দুই ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ১১ নম্বরে উঠে এসেছেন। ক্যারিয়ারসেরা ৭৩২ রেটিং পয়েন্টে ওঠা বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম এগিয়েছেন দুই ধাপ। এর আগে তাঁর সর্বোচ্চ
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যা কিছু শিখেছি তা দলের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই যাতে আমরা শিরোপা জিততে পারি। গতবার আমি অত্যন্ত আবেগ ও উদ্দীপনা নিয়ে খেলেছিলাম, তবে এবার আমার ভেতরের জেদ ও চেতনা আরও তীব্র। আশা করি এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার জন্য সবাই প্রস্তুত।’
৫ ঘণ্টা আগে
মেডিকেল পরীক্ষার পর আজ বিকেল ৫টায় শুরু হবে ব্রাজিলের প্রথম অনুশীলন। দলের মূল খেলোয়াড়দের পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাবগুলোর যুব দলের তিন তরুণ—ফ্লেমেঙ্গোর গোলরক্ষক লিও নানেত্তি, বোতাফোগোর ফেলিপে সুজা এবং ভাস্কোর ব্রুনো রিবেইরো এই ক্যাম্পে যুক্ত হচ্ছেন। লিও নানেত্তি বিশ্বকাপ জুড়েই দলের সঙ্গে অনুশীলনে থাকবেন।
৮ ঘণ্টা আগে