
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও রক্ষণের ভুলে গোল হজম করতে হয় সেলেসাওদের।
হিউস্টনে ম্যাচের ২৮ মিনিটে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক ভুল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলো। সেই সুযোগে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ সাজায় জাপান। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাপানি মিডফিল্ডার কাইশু সানো আড়াআড়ি এক জোরাল শটে বল জালে জড়ান। গোলরক্ষক আলিসন ঝাঁপিয়ে পড়েও বলের নাগাল পাননি। এর আগে ২৬ মিনিটে উয়েদার একটি বিপজ্জনক হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে রক্ষা পায় ব্রাজিল।
অথচ ম্যাচের প্রথম ১৩ মিনিটে ব্রুনো গিমারেস, ভিনিসিউস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনিহার হাত ধরে দুর্দান্ত কিছু আক্রমণ চালিয়েছিল ব্রাজিল। ম্যাচের ১১ মিনিটে ভিনিসিউসকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জাপানের সানো। তবে ১৩ মিনিটে ব্রাজিলের ক্যাসেমিরোও হলুদ কার্ডের গ্যাঁড়াকলে পড়েন। আপাতত এক গোলে পিছিয়ে থেকে সমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ব্রাজিল।


দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আনচেলত্তি দাবি করেন, এই ম্যাচে জয় ব্রাজিলেরই প্রাপ্য ছিল। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পরও দল যে খেই হারিয়ে ফেলেনি, সেটাই কোচের কাছে সবচেয়ে স্বস্তির বিষয়। তিনি বলেন, ‘আমরা দারুণ ফুটবল খেলেছি এবং এই জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমরা বেশ কিছু গোলের সুযোগ মিস করেছি সত্যি
২৬ মিনিট আগে
সব শঙ্কা, স্নায়ুযুদ্ধ আর নাটকীয়তার অবসান ঘটল শেষ মুহূর্তের এক জাদুকরী স্পর্শে। সবাই যখন ধরে নিয়েছিল নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ১-১ সমতা ভাঙা অসম্ভব এবং ম্যাচটি নিশ্চিতভাবেই অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়াচ্ছে। ঠিক তখনই যোগ করা সময়েরে পঞ্চম মিনিটে হিউস্টনের গ্যালারিকে উল্লাসে মাতালেন গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলকে সমতায় ফেরালেন কাসেমিরো। প্রথমার্ধে ১–০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেলেও শেষ পর্যন্ত ৫৬ মিনিটে দারুণ এক হেডে জাপানের জালে বল ফেলেন কাসেমিরো।
২ ঘণ্টা আগে