
আর্জেন্টিনা ফুটবল দল নিয়ে বাংলাদেশে কী পরিমাণ উন্মাদনা, সেটা গত কয়েক বিশ্বকাপেই ভালোমতো টের পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের সময় প্রজেক্টরে খেলা দেখা, প্রিয় আর্জেন্টিনা দলের সমর্থনে ভুভুজেলা বাজিয়ে, নেচে-গেয়ে উদ্যাপনের খবর চলে যায় আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমে। এমিলিয়ানো মার্তিনেসেরও সেই গল্পটা ভালোই জানা। এবারের বিশ্বকাপে তিনি শুনিয়েছেন তাঁর বাংলাদেশ প্রীতির গল্প। যা এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।
বাংলাদেশ সময় গতকাল সকালে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচ হলেও ডালাসের স্থানীয় সময় অনুযায়ী পরশু সন্ধ্যায় হয়েছে ম্যাচটি। ৩-১ গোলে জয়ের পর মিক্সড জোনে যখন এমি মার্তিনেস কথা বলছিলেন, তখন সেখানে ছিলেন কয়েকজন বাংলাদেশি সাংবাদিকও। বাংলাদেশ নামটা শুনেই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক থেমে দাঁড়ালেন ও শোনালেন তাঁর বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার কথা। মার্তিনেসের বাংলাদেশ প্রীতির গল্প প্রায় পুরো পৃথিবীতেই ছড়িয়ে পড়েছে। ডায়রিও ওলেসহ আর্জেন্টিনার একাধিক সংবাদমাধ্যম সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করেছে। এমনকি ফিফাও এটা পোস্ট করেছে। ডায়রিও ওলে ক্যাপশন দিয়েছে, ‘দিবু মার্তিনেসের প্রিয় গন্তব্য বাংলাদেশ।’
ডালাসে জর্ডানের বিপক্ষে জয়ের পর আজকের পত্রিকায় ক্যামেরায় ধরা পড়েন মার্তিনেস। হেঁটে যাওয়ার সময় প্রতিবেদক যখন ‘বাংলাদেশ’ থেকে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন, তখন ফিরে তাকান আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। বাংলাদেশের ভক্তদের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে মার্তিনেস বলেন, ‘ও বাংলাদেশ। আমি বাংলাদেশকে পছন্দ করি।’ এরপর প্রতিবেদক তাঁকে এ দেশের ভক্তদের নিয়ে কিছু বলতে বললে মার্তিনেস বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ভক্তদের অনেক ভালোবাসি। সেখানে গিয়েছিলাম। সত্যিই দেশটাকে ভালোবাসি।’
বাংলাদেশের ভক্তরা আবার আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে দেখতে চায়, প্রতিবেদকের এই কথার জবাবে মার্তিনেস বলেন, ‘আমি জানি তারা আমাদের কাছে কী চায়। আমাদের জন্য তারা কতটা ক্রেজি (পাগল)। সেখানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। আমি তাদের সমর্থনটা খুব পছন্দ করি। তারা যে আন্তরিকতায় নিজেদের আর্জেন্টিনারই একজন মনে করে, সেটিই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। বাংলাদেশের প্রতি অনেক ভালোবাসা।’
২০২৩ সালে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন মার্তিনেস। ঠিক তার কয়েক মাস আগেই ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতে গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক যেন প্রতিপক্ষের সামনে ‘চীনের মহাপ্রাচীর’। এবারও আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ মিলিয়ে দিয়েছে ৮ গোল। বিপরীতে হজম করেছে ১ গোল। মার্তিনেস কীভাবে আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট সামলাচ্ছেন, যাঁরা খেলা দেখেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের দুঃখের অপর নাম টাইব্রেকার—কেউ এমনটা বললে সেটা মোটেও ভুল নয়। মূল ম্যাচে ডাচরা খেলে দাপট দেখিয়ে। এবারের বিশ্বকাপে তারা বইয়ে দিয়েছে গোলের বন্যা। কিন্তু পেনাল্টি শুটআউটের সময় কী যেন হয়ে যায় তাদের। স্নায়ুচাপের কাছেই হার মেনে যায় ইউরোপের এই দল।
১৪ মিনিট আগে
যতই দিন যাচ্ছে, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ততই জমে উঠছে। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শুরু হয়ে গেছে নকআউট পর্ব। গোলের বিশ্বকাপে একের পর এক রেকর্ড যেমন হচ্ছে, তেমনি ঘটছে অনেক চমক জাগানিয়া ঘটনাও। যেখানে গত রাত থেকে শুরু করে ৮-৯ ঘণ্টার ব্যবধানে বাদ পড়ে গেছে ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি। যারা এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা
১ ঘণ্টা আগে
জার্মানিকে হারিয়ে অঘটন ঘটানোর পর পুরো প্যারাগুয়ে মেতেছে উদযাপনে। ভক্ত-সমর্থকদের উন্মাদনা দেখে লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ নিয়ে বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে কী পরিমাণ উন্মাদনা দেখা যায়, সেটা কারও অজানা নয়। প্রিয় দলের সমর্থনে গলা ফাটানো, গোলের সময় হইচই করা, জয়ের পর উদযাপন—সব মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। ফুটবলাররাও জানেন
২ ঘণ্টা আগে