
জেমস ভিন্স, আন্দ্রে রাসেল, টিম ডেভিড—বাংলাদেশে এসেছেন আজই। তাঁরা আসা মাত্রই রংপুর রাইডার্স নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে তাঁদের তিন জনের ছবি জুড়ে দিয়ে একটি ফটোকার্ড বানিয়েছে। আসার কয়েক ঘণ্টা পরই তাঁদের মাঠে নামতে হয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে রংপুর রাইডার্স-খুলনা টাইগার্সের এলিমিনেটরের ম্যাচ।
হারলেই বিদায়—রংপুর, খুলনা দুই দল খেলছে এই সমীকরণ নিয়ে। জিতলেও আরেকটা ধাপ অতিক্রম করতে হবে ফাইনাল খেলতে। তবে রংপুর যা খেলল, সেটা দিয়ে কি আর জয়ের আশা করা যায়! খুলনা টাইগার্সের আগুনে বোলিংয়ে ৮৫ রানেই গুটিয়ে গেছে নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন রংপুর। তাতে বিপিএলের প্লে-অফে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল রংপুর। এর আগে ‘লজ্জাজনক’ এই রেকর্ডটি ছিল খুলনা টাইগার্সেরই। মিরপুরে ২০১৬ বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে খুলনা টাইগার্সকে ৮৬ রানে অলআউট করেছিল ঢাকা ডায়নামাইটস।
বাঁচা-মরার ম্যাচে আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক সোহান। রাসেল, ভিন্স, ডেভিডের সঙ্গে পাকিস্তানের আকিফ জাভেদ—একাদশে এই চার বিদেশি নিয়েছে রংপুর। তবে খুলনার আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে রংপুরের ব্যাটাররা চোখে রীতিমতো সর্ষেফুল দেখেছেন। ১২.৩ ওভারে ৯ উইকেটে ৫২ রানে পরিণত হয় সোহানের দল। যেখানে ১৩ তম ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে রাকিবুল হাসান, সোহান-এই দুই ব্যাটারকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ।
৯ উইকেট পড়ার পর রংপুরের গুটিয়ে যাওয়া তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। সেই সময় টেলএন্ডার জাভেদের ক্যামিওর কারণে দলের ইনিংসটা যা একটু দীর্ঘায়িত হয়েছে। পাকিস্তানি এই ক্রিকেটার ১৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ রান করেছেন। ১৭ তম ওভারের পঞ্চম বলে জাভেদকে ফিরিয়ে রংপুরের ইনিংসের ইতি টেনেছেন মুশফিক হাসান। ম্যাচে নিজের প্রথম ওভার বোলিংয়ে এলেও সেটা পূর্ণ করতে পারলেন না মুশফিক। জাভেদের পর রংপুরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন সোহান।
জাভেদ, সোহান ছাড়া রংপুরের বাকি ব্যাটারদের স্কোর ছিল মোবাইল নম্বরের মতো। সৌম্য সরকার ডাক মেরেছেন কোনো বল মোকাবিলা না করেই। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ভিন্সের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়েছেন সৌম্য। আজ যোগ দেওয়া তিন বিদেশি ভিন্স, রাসেল ও ডেভিড করেছেন ১,৪ ও ৭ রান। খুলনার মিরাজ, নাসুম আহমেদ নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন হাসান, মুশফিক ও নাওয়াজ।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৯ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে