
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভক্তদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। তাঁর জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে শত শত অভিভাবক নিজেদের নবজাতক সন্তানের নাম রেখেছেন হালান্ডের নামে।
পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের (রেনিয়েক) বরাতে এএফপি জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৬৮ জন নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে হালান্ড। এ ছাড়া আরও ৯১ জনের পুরো নাম নিবন্ধিত হয়েছে আর্লিং হালান্ড হিসেবে।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন হালান্ড। রাউন্ড অব সিক্সটিনে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ে দুটি গোলই করেছিলেন ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। সেমিফাইনালে ওঠার মিশনে আজ দিবাগত রাত তিনটায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে ইউরোপের দলটি।
পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ইভান তোরেস পানআমেরিকানা টেলিভিশনকে বলেন, ‘ফুটবলের বিভিন্ন তারকা পেরুর মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। তাই অনেকেই তাঁদের সন্তানদের নাম এসব তারকার নামে নিবন্ধন করেন।’
তোরেস জানান, বিশ্বকাপ শুরুর পরের কয়েক সপ্তাহেই হালান্ডের নামে সবচেয়ে বেশি নবজাতকের নাম নিবন্ধিত হয়েছে। নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার পর সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। মজা করেই তিনি বলেন, ‘হালান্ডও এখন পেরুভিয়ান।’
পেরুতে অবশ্য ফুটবল তারকাদের নামে সন্তানের নাম রাখার ঘটনা নতুন নয়। দেশটিতে মেসি নামে রয়েছেন ৩ হাজার ৪০২ জন, যার মধ্যে ২৯২ জনের পুরো নাম লিওনেল মেসি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নামে রয়েছেন ১ হাজার ১৮৫ জন। স্পেনের উদীয়মান তারকা লামিনে ইয়ামালের নামে ইয়ামাল নাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ২৪১ জনের। তবে সবচেয়ে এগিয়ে ব্রাজিলের তারকা নেইমার। তাঁর নামে পেরুতে রয়েছেন ৩৩ হাজার ৮০৯ জন।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পথচলার সঙ্গে সঙ্গে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ছড়িয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে যাত্রা শুরু করা কানসাস সিটি আবারও পরিণত হয়েছে নীল-সাদা সমর্থকদের মিলনমেলায়।
২৩ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এখন পর্যন্ত দুটি পেনাল্টি নিয়েছেন মেসি। গ্রুপপর্বে অস্ট্রিয়া কিংবা শেষ ষোলোতে মিসর—কোনো ম্যাচেই পেনাল্টি শুটআউট থেকে জাল খুঁজে নিতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা হচ্ছিল, সুইজারল্যান্ড ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে পেনাল্টি কে নেবেন। উত্ত
১ ঘণ্টা আগে
ক্লাব পর্যায়ে আরও আগেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন আর্লিং হালান্ড। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেও চেনা চেহারায় এই স্ট্রাইকার। ধারাবাহিকভাবে গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে আছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চারদিকে এখন হালান্ড বন্দনা। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার হ্যারি কেইনও তাঁর প্রশংসা করতে ভুললেন না।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শেষ হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র ফাইনাল। কে শিরোপা জিতবে, তা জানতে ফুটবলভক্তরা ফাইনালের প্রত্যেক মুহূর্ত দেখবেন অধীর আগ্রহ নিয়ে। শুধু কি তাই! চাইলে বিশ্বকাপ ফাইনালের ঘাসও নিজ ঘরে শোভাবর্ধনের কাজে ব্যবহার করা
৩ ঘণ্টা আগে