
লিওনেল মেসি ব্যর্থ! তা-ও আবার ২০২৬ বিশ্বকাপে!
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপে সেরা সময় কাটাচ্ছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ৮ গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে গোলদাতার তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। এরপরও একটা জায়গায় পুরোপুরি ব্যর্থ ১০ নম্বর জার্সিধারী। সেটা পেনাল্টি।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এখন পর্যন্ত দুটি পেনাল্টি নিয়েছেন মেসি। গ্রুপপর্বে অস্ট্রিয়া কিংবা শেষ ষোলোতে মিসর—কোনো ম্যাচেই পেনাল্টি শুটআউট থেকে জাল খুঁজে নিতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবে আলোচনা হচ্ছিল, সুইজারল্যান্ড ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে পেনাল্টি কে নেবেন। উত্তরে ভক্তরা নিজেদের মতো করে হুলিয়ান আলভারেস, লাউতারো মার্তিনেসকে বেছে নিচ্ছেন।
ভক্তরা তো নিজেদের মতো করে অভিমত দিতেই পারেন। তবে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি কী ভাবছেন?
বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে রোববার সকাল ৭টায় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। তার আগে স্কালোনির সোজাসাপ্টা উত্তর, পেনাল্টি নিয়ে এখনো মেসির ওপর আস্থা আছে তাঁর। পেনাল্টি প্রসঙ্গে স্কালোনি বলেন, ‘মেসি যদি চায়, তাহলে সে-ই পেনাল্টি নেবে। পেনাল্টি নেওয়ার মতো ফুটবলার আমাদের দলে অনেকে আছে। কিন্তু সে যদি নিতে চায়, তাহলে নেবে।’
মেসির পজিশন নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘মেসি সাধারণত মাঝখানেই বেশি খেলে। তবে যারা তার আশপাশে খেলে, তারা মেসিকে কেন্দ্র করেই খেলে। খেলার স্বাভাবিক প্রবাহের মধ্যেই এটা ঘটেছে (মিসরের বিপক্ষে শেষ দিকে ডান দিকে খেলেছিলেন)। দল বুঝতে পেরেছিল যে সে ওই দিক থেকে প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করছে। কারণ, মেসি বিপরীত দিকে পাস দিতে পারছিল, সতীর্থদের খুঁজে নিতে পারত। এটা সবাই দেখেছে।’

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পথচলার সঙ্গে সঙ্গে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ছড়িয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে যাত্রা শুরু করা কানসাস সিটি আবারও পরিণত হয়েছে নীল-সাদা সমর্থকদের মিলনমেলায়।
১ ঘণ্টা আগে
ক্লাব পর্যায়ে আরও আগেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন আর্লিং হালান্ড। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেও চেনা চেহারায় এই স্ট্রাইকার। ধারাবাহিকভাবে গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে আছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চারদিকে এখন হালান্ড বন্দনা। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার হ্যারি কেইনও তাঁর প্রশংসা করতে ভুললেন না।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভক্তদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তাঁর জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে শত শত অভিভাবক নিজেদের নবজাতক সন্তানের নাম রেখেছেন হালান্ডের নামে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শেষ হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র ফাইনাল। কে শিরোপা জিতবে, তা জানতে ফুটবলভক্তরা ফাইনালের প্রত্যেক মুহূর্ত দেখবেন অধীর আগ্রহ নিয়ে। শুধু কি তাই! চাইলে বিশ্বকাপ ফাইনালের ঘাসও নিজ ঘরে শোভাবর্ধনের কাজে ব্যবহার করা
৩ ঘণ্টা আগে