
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে কিছুক্ষণ পরই মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। শেষ বত্রিশের এই ম্যাচ ঘিরে টেক্সাসের হিউস্টনে যেমন উত্তাপ, তার বড় একটা ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। জাপানের ডাগআউটে থাকা প্রধান কোচের কারণে তৈরি হয়েছে ভিন্ন এক রোমাঞ্চ। ব্রাজিলের বিপক্ষে কৌশল যিনি সাজাচ্ছেন, সেই জাপানি কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর নামের পাশে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ।
খেলেয়াড়ি জীবনে নব্বইয়ের দশকে মোরিয়াসু ছিলেন জাপানের অন্যতম সেরা রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার। ১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ফুটবলার হিসেবে তিনি মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে সেই বাছাইপর্বের দুই লেগেই জাপানের শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি।
প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জাপান। সেই ম্যাচে মাঝমাঠ সামলেছিলেন মোরিয়াসু। দারুণ খেলে রক্ষণের পাশাপাশি আক্রমণেও রাখেন অবদান। ফিরতি লেগে দুবাইয়ের মাঠে বাংলাদেশকে ৪-১ ব্যবধানে হারানোর ম্যাচেও পুরো ৯০ মিনিট খেলেন সাবেক এই মিডফিল্ডার। খেলোয়াড়ি জীবনের তিন দশক পর, ২০২৩ সালেও প্রধান কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে ডাগআউটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
জাপানের হয়ে ৩৫ ম্যাচ খেলা মোরিয়াসু গোল করেন মাত্র একটি। খেলোয়াড়ি জীবনের স্মৃতি পেছনে ফেলে কোচ হিসেবেও সফল মোরিয়াসু ২০১৮ সাল থেকে জাপানের ডাগআউট সামলাচ্ছেন। ২০২২ বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়া এই কোচ জাপানি ফুটবলে এনেছেন শৃঙ্খলা ও আধুনিকতা। বর্তমানে ২০২৬ বিশ্বকাপের তাঁর কৌশলই জাপানের মূল শক্তি। গ্রুপ এফ রানার্সআপ হয়ে তারা পা রেখেছে শেষ বত্রিশে।

ব্রাজিলকে সমতায় ফেরালেন কাসেমিরো। প্রথমার্ধে ১–০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেলেও শেষ পর্যন্ত ৫৬ মিনিটে দারুণ এক হেডে জাপানের জালে বল ফেলেন কাসেমিরো।
৪১ মিনিট আগে
ম্যাচের ৩৭ মিনিটে মাঠের ভেতর পজিশন নিয়ে লুকাস পাকেতা ও মাথিয়াস কুনিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়। ৪০ মিনিটে মাঝমাঠে কাসেমিরোর কাছ থেকে সহজেই বল কেড়ে নেন জাপানের মায়েদা। এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি ব্রাজিল।
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের ২৮ মিনিটে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক ভুল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলো। সেই সুযোগে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ সাজায় জাপান। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাপানি মিডফিল্ডার কাইশু সানো আড়াআড়ি এক জোরাল শটে বল জালে জড়ান। গোলরক্ষক আলিসন পুরো ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি।
১ ঘণ্টা আগে
১৯৮৬ সালের ২৯ জুন মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। কার্লোস বিলার্দোর অধীনে গড়া সেই ঐতিহাসিক দলকে ঘিরে চার দশক পরও ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কমেনি। দিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুকরি পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সেই দলে থাকা ২২ জন খেলোয়াড়ের
২ ঘণ্টা আগে