লিওনেল মেসির নামের পাশে ট্রফি জয়, গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা নকআউট পর্বে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া পারফরম্যান্স— সব কিছু্ই আছে। তবে মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে তাঁর নামের পাশে যুক্ত হলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড।
আটলান্টায় ম্যাচের ২১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি থেকে গোল করার দায়িত্ব নেন অধিনায়ক মেসি। কিন্তু তাঁর বাঁ পায়ের শট নিচের ডান কোণে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। ফলে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সুবিধা ধরে রাখে মিসর।
এই পেনাল্টি মিসের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নতুন এক রেকর্ডের মালিক হয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নেওয়া আটটি পেনাল্টির মধ্যে চারটিতেই গোল করতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো খেলোয়াড়ের এত বেশি পেনাল্টি মিসের নজির নেই।
শুধু তা–ই নয়, টাইব্রেকার বাদে বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলারও হয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এর আগে গ্রুপ পর্বেও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পটকিক থেকে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
৭ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১৫ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২৪ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৪০ মিনিট আগে