
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ব্রাজিলকে ফেবারিটের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং দলের খেলোয়াড়দের সামর্থ্য নিয়ে ওঠা সমালোচনায় বেশ চটেছেন ব্রুনো গিমারেস। নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে তাদের বুকেই জ্বলজ্বল করছে পাঁচ-পাঁচটি বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ‘দ্য রিজ’ হোটেলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন গিমারেস। মিসরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২-১ ব্যবধানের জয়ে চমৎকার এক গোল করা এই মিডফিল্ডার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হওয়া সব নেতিবাচক পূর্বাভাস উড়িয়ে দেন।
সম্প্রতি বায়ার্ন মিউনিখের ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল অলিসে মন্তব্য করেছিলেন, বর্তমান ব্রাজিল দলে ‘আলাদা করে চেনার মতো’ কোনো বড় তারকা নেই। মেক্সিকান কিংবদন্তি হুগো সানচেস এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল বড়জোর ষষ্ঠ স্থান পর্যন্ত যেতে পারবে।
সমালোচকদের এমন মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গিমারেস বলেন, ‘আমার মনে হয় অনেকে কেবল মনোযোগ আকর্ষণের জন্যই এসব কথা বলেন। ব্রাজিল যেকোনো টুর্নামেন্টে খেলতে গেলেই সব সময় ফেবারিট থাকে। আর অন্য কোনো দলের বুকে আমাদের মতো পাঁচটি তারকা নেই।’
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনিয়াদের মতো সতীর্থদের উদাহরণ টেনে গিমারেস আরও বলেন, ‘আমরা জানি মাঠের লড়াইয়ে অতীতের তারকা কোনো প্রভাব ফেলে না, তবে আমরা এখানে নিজেদের সেরাটা দিতেই এসেছি। বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলোয় আমাদের খেলোয়াড়েরা দারুণ ফর্মে আছে। আমাদের খেলোয়াড়দের যে সম্মান প্রাপ্য, তা দেওয়া উচিত।’
দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইপর্বে ১০ দলের মধ্যে পঞ্চম স্থানে থেকে মূল পর্বের টিকিট কেটেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। শীর্ষ স্থানে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার চেয়ে তারা ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে ছিল। তবে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামার আগে দুটি প্রীতি ম্যাচের জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে সেলেসাওদের। রিও ডি জেনিরোতে পানামাকে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর ওহাইওতে মিসরকে হারায় ২-১ ব্যবধানে।
রোববার নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। গ্রুপ ‘সি’তে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।
তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই চোটের ধাক্কা লেগেছে ব্রাজিল শিবিরে। ঊরুর চোটে দল থেকে ছিটকে গেছেন রোমার রাইট ব্যাক ওয়েসলি। তাঁর জায়গায় আতালান্তার ২৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার এদেরসনকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছেন কোচ আনচেলত্তি।
সতীর্থের ছিটকে যাওয়া নিয়ে গিমারেস বলেন, ‘খবরটা আমাদের সবার জন্যই ভীষণ কষ্টের। বিশ্বকাপ খেলা যেকোনো ফুটবলারের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ শিখর। টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র পাঁচ দিন আগে এমন চোট সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। মাঠে আমাদের দৌড়ানোর এক হাজারটি কারণ তো ছিলই, এখন ওয়েসলির জন্য আরও একটি কারণ যুক্ত হলো।’
৩৪ বছর বয়সী তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারকে নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। ২০২৩ সালের পর জাতীয় দলের জার্সি না পরা এই সান্তোস ফরোয়ার্ডকে চোটের ঝুঁকি সত্ত্বেও দলে রেখেছিলেন আনচেলত্তি। কিন্তু কাফ মাসলের (পায়ের পেশি) নতুন চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে তিনি মাঠে নামতে পারবেন কি না, তা নিয়ে এখনো অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেলেসাওদের।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি শুধু গোল কিংবা খেলার মানের জন্য নয়, বরং রেফারি উইলতন সাম্পাইওর কার্ডের ছড়াছড়ির জন্য দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে। মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ছিল এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। ফুটবল বিশ্বকাপের ৮৬
৪ ঘণ্টা আগে
সর্বশেষ ১৯৯৪ সালের ১৬ জুন জার্মানির বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন বলিভিয়ার মার্কো এচেভেরি। ঠিক ৩২ বছর পর আজ আসতেকায় সেই তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটালেন সিথোলে।
৫ ঘণ্টা আগে
বল পেয়ে যান সুযোগ সন্ধানী কিনিয়োনেস। বক্সের ভেতর ঢুকে দারুণ দক্ষতায় ও ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের দুই পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসান কলম্বিয়ান বংশোদ্ভূত এই মেক্সিকান উইঙ্গার। সঙ্গে নিজের নামটা গেঁথে নেন ইতিহাসের পাতায়। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে গ্যালারিতে বিয়ার হাতে ‘সিয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
ভিনদেশি খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে নেওয়া নিয়ে একসময় মেক্সিকান ফুটবলে বেশ বিতর্ক ছিল। তবে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল—যাঁদের মেক্সিকান জাতীয়তা, ফুটবলীয় দক্ষতা ও দেশের হয়ে খেলার সদিচ্ছা আছে, তাঁদের ‘প্রথম’ বা ‘দ্বিতীয়’ শ্রেণির মেক্সিকান হিসেবে ভেদাভেদ করা হবে না।
৬ ঘণ্টা আগে