
লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে তাঁর ১০ নম্বর জার্সিতে আবেগঘন বার্তা লিখেছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। জার্সিটির পেছনে লেখা ‘ধন্যবাদ’ শব্দের সঙ্গে প্রত্যেকে যোগ করেছেন নিজেদের অনুভূতি। সেখানে উঠে এসেছে মেসির নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণা এবং আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে তাঁর অবদানের কথা।
সতীর্থদের লেখা বার্তাগুলোর ছবি প্রকাশ করেছে দলের কিট স্পন্সর। এর মধ্যে মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু রদ্রিগো দি পলের বার্তাটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এসবের কিছুই সম্ভব হতো না। ভালোবাসি তোমাকে, ভাই।’
ক্রিস্তিয়ান রোমেরো মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কখনো হাল না ছাড়ার শিক্ষা দেওয়ার জন্য। এই ডিফেন্ডার লিখেছেন, ‘কখনো হাল না ছাড়তে এবং সবকিছুই সম্ভব, এমন বিশ্বাস রাখতে আমাদের শেখানোর জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালোবাসি তোমাকে, অধিনায়ক।’
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস লিখেছেন, ‘আমাকে বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক বানানোর জন্য ধন্যবাদ। পুরো হৃদয় দিয়ে তোমার গোলগুলো ঠেকিয়েছি।’
লিসান্দ্রো মার্তিনেসের বার্তায় উঠে এসেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে মেসির অবদানের কথা, ‘লিও, আমাদের জাতীয় দলের ইতিহাস বদলে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। শেষ পর্যন্ত তুমি আমাদের জন্য বেঁচেছ, লড়েছ। তোমাকে খুব মিস করব। ভালোবাসি তোমাকে।’
লাওতারো মার্তিনেস লিখেছেন, ‘তোমার উত্তরাধিকার এবং আমাকে আরও ভালো খেলোয়াড় হতে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ। সব সময় কৃতজ্ঞ থাকব।’ অন্যদিকে, লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বার্তা ছিল সংক্ষিপ্ত, ‘আমাদের এত আনন্দ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালোবাসি তোমাকে।’
নিকোলাস তাগলিয়াফিকোও মেসির প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘লিও, ফুটবল ও এই জার্সির প্রতি তোমার নিঃশর্ত ভালোবাসার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’
দলের কিট স্পন্সরের উদ্যোগে জার্সিতে বার্তা লেখার পাশাপাশি মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন খেলোয়াড়েরা। সেখানে রোমেরো বলেন, ‘সে অসাধারণ একজন মানুষ। সত্যি বলতে, আমি তাকে ভালোবাসি।’
মেসির প্রভাব তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থদের পাশাপাশি তরুণ ফুটবলারদের মধ্যেও স্পষ্ট। ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় থাকা নিকোলাস পাস ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোও মেসির কাছ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
বর্তমানে ফিওরেন্তিনায় খেলা পাসের কাছে মেসির সঙ্গে মাঠে নামা ছিল স্বপ্নের মতো। আর কোমোর হয়ে খেলা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো বলেছেন, ‘আমি তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এ জন্য তাঁর প্রতি আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়নস। তাদের ২১৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। শেষ পর্যন্ত জয় পেলেও তাই প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। প্রতিপক্ষ যে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল, সেটাও স্বীকার করলেন তিনি।
৭ মিনিট আগে
লিটন দাস ক্যাচ ধরার পরপরই করলেন আবেদন। হাসান মাহমুদ ঘুরে তাকাতেই আম্পায়ার আলাউদ্দিন পালেকের আঙুল তুলে দিলেন। আফগানিস্তানের টেলএন্ডার ব্যাটার ইয়ামিন আহমাদজাই রিভিউ নিয়ে শুধু হাসানের অপেক্ষাই বাড়ালেন। আল্ট্রা এজে স্পাইক ধরা পড়তেই হাসান আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের পিচে সিজদা দিয়েছেন।
২৮ মিনিট আগে
দিনের প্রথম সেশনে উইকেট পড়ল ৮টি। আফগানিস্তানের ৬টার বিপরীতে বাংলাদেশ হারাল দুটি। বড় লিড নেওয়ায় সেশনটা হয়ে থাকল সফরকারীদের।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ নারী দল। হারের পর মাথা ঠান্ডা রেখে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়কের সে কথার প্রতিফলনই যেন ফুটে উঠল সোবহানা মোস্তারির ব্যাটে।
৩ ঘণ্টা আগে