ক্রীড়া ডেস্ক

শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান—টানা চার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। উইন্ডিজ সিরিজ দিয়েই অধিনায়ক হিসেবে ফিরেছেন লিটন দাস। কিন্তু তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ জয়ে রাঙাতে পারল না বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ তিন টি-টোয়েন্টির তিনটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০২৪-এর ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশ ধবলধোলাই করেছিল লিটনের নেতৃত্বে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অধরা জয়ের খোঁজে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি উইন্ডিজের প্রিয় সংস্করণ হলেও ঘরের মাঠে ‘ফেবারিট’ তকমা নিয়েই খেলতে নেমে বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতার পুরোনো রোগ থেকে যে বাংলাদেশ বের হতে পারছেই না। সাইফ হাসান, লিটন, তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহানের মতো স্বীকৃত ব্যাটাররা ব্যর্থ হয়েছেন। তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদরা পেটালেও সেটা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ হেরেছে ১৬ রানে।
১৬৬ রানের লক্ষ্যে নেমে প্রথম ওভারেই কোনো উইকেট না হারিয়ে ১২ রান করে ফেলে বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আকিল হোসেনকে জার ও ছক্কা মেরেছেন তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে জেইডেন সিলসকেও চার মারেন তানজিদ তামিম। কিন্তু বেশি বেপরোয়া হতে গিয়েই নিজের উইকেটটা হারান তামিম (১৫)। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে রোমারিও শেফার্ড মিড অন থেকে উল্টোদিকে ঘুরে অসাধারণ এক ক্যাচ ধরেন।
তামিমের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ১.২ ওভারে ১ উইকেটে ১৫ রান। উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর খেই হারাতে থাকে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা বাংলাদেশ ১২ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৭ রানে পরিণত হয়। লিটন (৫), সাইফ (৮), নুরুল হাসান সোহান (৫), শামীম হোসেন পাটোয়ারী (১), হৃদয় (২৮) কেউই দায়িত্বশীল ব্যাটারের পরিচয় দিতে পারেননি। যেখানে ১২তম ওভারের পঞ্চম বলে হৃদয়ের ভুলে তানজিম হাসান সাকিব রানআউট হতে হতে বেঁচে গিয়েছেন। ঠিক তার পরের বলে সিলসের স্লোয়ার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে কী করলেন হৃদয়, সেটা তিনিই (হৃদয়) ভালো বলতে পারবেন। এজ হওয়া বল শর্ট ফাইন লেগে দুইবারের চেষ্টায় ধরেছেন আকিল হোসেন। ২৫ বল খেলে ২ চারে হৃদয় করেছেন ২৮ রান।
হাতে ৪ উইকেট নিয়ে শেষ ৮ ওভারে ৮৯ রান তখন বাংলাদেশের জন্য অনেক দূরের পথ মনে হচ্ছিল। তবে নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের ব্যাটিংয়ে আবারও আশা জাগে স্বাগতিকদের। সপ্তম উইকেটে তাঁরা (নাসুম-তানজিম সাকিব) ২৩ বলে ৪০ রানের জুটি গড়েছেন। তবে ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে তানজিম হাসান সাকিব আউট হয়ে গেলে জয়ের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। ২৭ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ রান করেন তানজিম সাকিব।
শেষের দিকে মোস্তাফিজ-তাসকিন পেটালেও হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছে শুধু। ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে শেফার্ডকে ছক্কা মারার পরও আউট হয়েছেন তাসকিন। কারণ, ছক্কা মারার আগেই তাসকিন উইকেটে পা দিয়ে হিট উইকেট হয়েছেন। ১৯.৪ ওভারে ১৪৯ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তানজিম সাকিবের ৩৩ রানই ইনিংস সর্বোচ্চ। আর ১৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন নাসুম আহমেদ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিলস, হোল্ডার তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। রয়েসয়ে শুরু করতে থাকা ক্যারিবীয়দের স্কোর এক পর্যায়ে ছিল ১২.২ ওভারে ৩ উইকেটে ৮২ রান। যেখানে ১৩তম ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ব্র্যান্ডন কিং (৩৩) ও শারফেন রাদারফোর্ডকে (০) ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। টানা দুই বলে উইকেট হারানোর কোনো রকম চাপ অনুভব করেনি উইন্ডিজ। চতুর্থ উইকেটে ৪৬ বলে ৮৩ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন শাই হোপ ও রভম্যান পাওয়েল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে উইন্ডিজ। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন হোপ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন পাওয়েল। দুজনেই সমান ২৮ বল খেলেছেন। তিনিই পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান—টানা চার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। উইন্ডিজ সিরিজ দিয়েই অধিনায়ক হিসেবে ফিরেছেন লিটন দাস। কিন্তু তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ জয়ে রাঙাতে পারল না বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ তিন টি-টোয়েন্টির তিনটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০২৪-এর ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশ ধবলধোলাই করেছিল লিটনের নেতৃত্বে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অধরা জয়ের খোঁজে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি উইন্ডিজের প্রিয় সংস্করণ হলেও ঘরের মাঠে ‘ফেবারিট’ তকমা নিয়েই খেলতে নেমে বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতার পুরোনো রোগ থেকে যে বাংলাদেশ বের হতে পারছেই না। সাইফ হাসান, লিটন, তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহানের মতো স্বীকৃত ব্যাটাররা ব্যর্থ হয়েছেন। তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদরা পেটালেও সেটা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ হেরেছে ১৬ রানে।
১৬৬ রানের লক্ষ্যে নেমে প্রথম ওভারেই কোনো উইকেট না হারিয়ে ১২ রান করে ফেলে বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আকিল হোসেনকে জার ও ছক্কা মেরেছেন তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে জেইডেন সিলসকেও চার মারেন তানজিদ তামিম। কিন্তু বেশি বেপরোয়া হতে গিয়েই নিজের উইকেটটা হারান তামিম (১৫)। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে রোমারিও শেফার্ড মিড অন থেকে উল্টোদিকে ঘুরে অসাধারণ এক ক্যাচ ধরেন।
তামিমের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ১.২ ওভারে ১ উইকেটে ১৫ রান। উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর খেই হারাতে থাকে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা বাংলাদেশ ১২ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৭ রানে পরিণত হয়। লিটন (৫), সাইফ (৮), নুরুল হাসান সোহান (৫), শামীম হোসেন পাটোয়ারী (১), হৃদয় (২৮) কেউই দায়িত্বশীল ব্যাটারের পরিচয় দিতে পারেননি। যেখানে ১২তম ওভারের পঞ্চম বলে হৃদয়ের ভুলে তানজিম হাসান সাকিব রানআউট হতে হতে বেঁচে গিয়েছেন। ঠিক তার পরের বলে সিলসের স্লোয়ার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে কী করলেন হৃদয়, সেটা তিনিই (হৃদয়) ভালো বলতে পারবেন। এজ হওয়া বল শর্ট ফাইন লেগে দুইবারের চেষ্টায় ধরেছেন আকিল হোসেন। ২৫ বল খেলে ২ চারে হৃদয় করেছেন ২৮ রান।
হাতে ৪ উইকেট নিয়ে শেষ ৮ ওভারে ৮৯ রান তখন বাংলাদেশের জন্য অনেক দূরের পথ মনে হচ্ছিল। তবে নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের ব্যাটিংয়ে আবারও আশা জাগে স্বাগতিকদের। সপ্তম উইকেটে তাঁরা (নাসুম-তানজিম সাকিব) ২৩ বলে ৪০ রানের জুটি গড়েছেন। তবে ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে তানজিম হাসান সাকিব আউট হয়ে গেলে জয়ের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। ২৭ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ রান করেন তানজিম সাকিব।
শেষের দিকে মোস্তাফিজ-তাসকিন পেটালেও হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছে শুধু। ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে শেফার্ডকে ছক্কা মারার পরও আউট হয়েছেন তাসকিন। কারণ, ছক্কা মারার আগেই তাসকিন উইকেটে পা দিয়ে হিট উইকেট হয়েছেন। ১৯.৪ ওভারে ১৪৯ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তানজিম সাকিবের ৩৩ রানই ইনিংস সর্বোচ্চ। আর ১৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন নাসুম আহমেদ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিলস, হোল্ডার তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। রয়েসয়ে শুরু করতে থাকা ক্যারিবীয়দের স্কোর এক পর্যায়ে ছিল ১২.২ ওভারে ৩ উইকেটে ৮২ রান। যেখানে ১৩তম ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ব্র্যান্ডন কিং (৩৩) ও শারফেন রাদারফোর্ডকে (০) ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। টানা দুই বলে উইকেট হারানোর কোনো রকম চাপ অনুভব করেনি উইন্ডিজ। চতুর্থ উইকেটে ৪৬ বলে ৮৩ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন শাই হোপ ও রভম্যান পাওয়েল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে উইন্ডিজ। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন হোপ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন পাওয়েল। দুজনেই সমান ২৮ বল খেলেছেন। তিনিই পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
২ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ে
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৪ ঘণ্টা আগে