
ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দিতে ‘ওস্তাদ’ এনামুল হক বিজয়। কিন্তু যখন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলতে নামেন, তখন তাঁকে খুঁজেই পাওয়া যায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একের পর এক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারছেন না।
গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলে বিজয় ৩০ বলে করেছেন ৪ রান। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে (এসএসসি) আজ শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্টের একাদশেও আছেন তিনি। লঙ্কান ক্রিকেটারদের পিচ্ছিল ফিল্ডিংয়ে একাধিক সুযোগও পেয়েছেন। তবে বিজয় সেই সুযোগগুলো লুফে নেওয়া দূরে থাক, আউট হয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই।
এসএসসিতে আজ শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ওপেনিংয়ে নেমেছেন সাদমান ইসলাম ও বিজয়। দলীয় ১ রানেই ভেঙে যেতে পারত সফরকারীদের উদ্বোধনী জুটি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে শ্রীলঙ্কার পেসার আসিথা ফার্নান্দোকে খোঁচা মারেন বিজয়। এজ হওয়া বল ডান দিকে ঝাঁপিয়েও লুফে নিতে পারেননি লঙ্কান উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিস। তিনি হাত না বাড়ালে প্রথম স্লিপের ফিল্ডার হয়তো ধরতে পারতেন। ঠিক তার পরের বলে আবারও এজ হয়েছে। এবার ফিল্ডারের কাছে পৌঁছানোর আগেই বল ড্রপ খেয়েছে।
একাধিকবার জীবন পাওয়া বিজয়কে ফিরিয়েছেন ফার্নান্দোই। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফার্নান্দোর অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন বিজয়। ১০ বল খেলেও কোনো রান না করেই ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন বাংলাদেশের এই ওপেনার। টেস্টে এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো শূন্য রানে ফিরলেন তিনি। বিজয়ের ডাক মারার দিনে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায় ৫ রানেই। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭ ওভারে ১ উইকেটে ৬ রান করেছে সফরকারীরা। সাদমান করেছেন ৫ রান। সদ্য উইকেটে আসা মুমিনুল হকের স্কোর ১।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৩ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে