
দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ৭১ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হারই দেখল ব্রাজিল। সেটিও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। গতকাল রাতে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের কাছে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে তারা। এই প্রতিযোগিতায় এটি ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় হার।
ভেনেজুয়েলার মিসায়েল দেলগাদো স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১ মিনিটেই ৩ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৬ষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে দেন ইয়ার সুবিয়াব্রে। ৮ম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন সদ্য ম্যানচেস্টার সিটিতে নাম লেখানো ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ক্লাদিও এচেভেরি। দুটি গোলেরই উৎস ছিলেন ভ্যালেন্তিনো আকুনা।
এর তিন মিনিট পর আত্মঘাতী গোল খেয়ে ৩-০ তে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। এই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতি থেকে ফিরে আরও ৩ গোল করে আর্জেন্টিনা। ৫২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অগাস্তিন রুবের্তো। দুই মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এচেভেরি। ৭৮ মিনিটে ব্রাজিলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সান্তিয়াগো হিদালগো। চিলিতে আগামী সেপ্টেম্বরে হবে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আমেরিকার এই চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে শীর্ষ চার দল সুযোগ পাবে সেই বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে।
‘এ’ ও ‘বি’ দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে ১০টি দল দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে লড়ছে। গ্রুপের শীর্ষ তিন দলকে নিয়ে ছয় দলের রাউন্ড রবিন খেলা হবে। সেখান থেকে শীর্ষ চার দল জায়গা পাবে চিলি বিশ্বকাপে। জাতীয় দলের যে কোনো স্তর (অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে সিনিয়র দল) বিবেচনায় ব্রাজিলের বিপক্ষে এটাই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। এর আগে ১৯৪০ সালে রোকা কাপে ব্রাজিলকে ৬-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টাইনরা।

সংস্করণ বদলেছে, বদলেছে টুর্নামেন্টের ধরনও। তবে বদলাননি নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তান সিরিজের ফর্মটা টেনে এনেছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল)। তাঁর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে দাপুটে জয় পেয়েছে আবাহনী।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শুরু হতে ২০ দিনও বাকি নেই। ১১ জুন মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। আর আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ১৭ জুন। যা এখন থেকে হিসেব করলে ২৫ দিন পর। তবে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর আগেই আর্জেন্টিনার কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ।
২ ঘণ্টা আগে
ইয়োহান ক্রুইফ, মার্কো ফন বাস্তেন, রুড গুলিত, ডেনিস বার্গক্যাম্প, আরিয়ান রোবেন—চাইলে ডাচ কিংবদন্তি ফুটবলারদের এই তালিকাটাকে অনেক লম্বা করা যায়। বিশ্ব ফুটবলে ছাপ রাখা অনেক ফুটবলারই জন্ম নিয়েছে দেশটিতে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, কখনোই বিশ্বকাপ জিততে পারেনি নেদারল্যান্ডস।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের কাছে ধবলধোলাইয়ের পর সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের ওপর দিয়ে। রমিজ রাজা, বাসিত আলী, কামরান আকমালরা ধুয়ে দিচ্ছেন পাকিস্তানকে। সবচেয়ে বেশি ঝড় বয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদের ওপর দিয়ে। বাংলাদেশের কাছে ধবলধোলাই হওয়ার পর নেতৃত্ব হারানোর শঙ্কায় আছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে