
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে। কাগজে-কলমে শক্তির বিচারে আর্জেন্টিনা স্পষ্ট ফেবারিট হলেও লিওনেল স্কালোনির দৃষ্টিতে এই ম্যাচ মোটেও সহজ নয়। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে শেষ বত্রিশে ওঠা আফ্রিকার দলটিকে যথেষ্ট সমীহ করছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কোচ। তাঁর মতে, কেপ ভার্দে ভাগ্যের জোরে নয়, নিজেদের সামর্থ্য দিয়েই এই পর্যায়ে জায়গা করে নিয়েছে।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কাল ভোর ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি। বিশ্বকাপ শুরুর আগেও কেপ ভার্দেকে নিয়ে তেমন মাতামাতি ছিল না। তবে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়েকে রুখে নিজেদের জানান দেয় তারা। তাই নকআউটের এই লড়াইয়ে কোনো ধরনের আত্মতুষ্টির সুযোগ দেখছেন না আর্জেন্টিনা কোচ।
স্কালোনি বলেন, ‘ওরা এমন একটা দল যারা এখনো একটা ম্যাচও হারেনি, এমনকি সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচের মতো কিছু জায়গায় ওরাই জয় পাওয়ার যোগ্য ছিল। বাকি ম্যাচগুলোতে ওদের কিছুটা ভুগতে হলেও ডিফেন্সটা বেশ ভালোই সামলেছে। ওরা খুব দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠতে পারে। বেশ গোছানো একটা দল। আমরা ওদের খেলা আগেই দেখেছি, এমন নয় যে এখন ওদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলেই ভিডিও দেখছি। ওদের পারফরম্যান্স আমাদের অবাক করেনি; ওরা যথেষ্ট ভালো প্রতিপক্ষ এবং ভাগ্যের জোরে হুট করে এখানে চলে আসেনি।’
কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচটি স্কালোনির জন্যও বিশেষ। আর্জেন্টিনা কোচ হিসেবে এটিই হবে তাঁর ১০০তম ম্যাচ। ব্যক্তিগত এই মাইলফলকের চেয়ে তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দলকে শেষ ষোলোয় তোলা। গুঞ্জন আছে চুক্তি বাড়াতে সম্মতি দিতে পারেন তিনি।
তবে গুঞ্জনকে আর খোলাসা করার সুযোগ দিলেন না স্কালোনি, ‘এই মুহূর্তে আমি এখানে বিশ্বকাপে আছি এবং আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এখানেই থাকব। এরপর কী হবে, তা পরে দেখা যাবে। স্তাবিলের ১২৪ ম্যাচের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছানো? জাতীয় দলের কোচ হিসেবে এটা অনেক বড় সংখ্যা, অনেকগুলো ম্যাচ। আপাতত, সবাই যা জানে আমি তারই উত্তর দিচ্ছি। পরবর্তীতে আমরা একসঙ্গে বসব; এখন আমরা দলের প্রতি সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, দেখা যাক সামনে কী হয়।’

তবে পর্তুগালকে ইউরোপের সেরা করলেও বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি এখনো রোনালদোর জন্য অধরাই রয়ে গেছে। নিজের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এই একটি আক্ষেপ ঘোচানোই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। কাতিয়া বলেন, ‘যাঁরা বুদ্ধিমান এবং ফুটবল ভালোবাসেন, তাঁদের রোনালদোকে পছন্দ করতেই হবে। যারা তাঁকে পছন্দ করে না, ক্ষতিটা আসলে তাদ
৩২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণভাগ যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি তাদের সাফল্যের বড় ভিত্তি হয়ে উঠেছে রক্ষণ। আর সেই রক্ষণের শেষ আস্থার জায়গায় থাকা সিমন প্রমাণ করলেন শিরোপার স্বপ্ন দেখতে হলে গোলরক্ষকের দৃঢ়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
১ ঘণ্টা আগে
হতাশা আর গৌরবের ব্যবধান কতটুকু? হ্যারি কেইনকে জিজ্ঞেস করলে উত্তরটা হবে—মাত্র ১১ মিনিট। আটলান্টায় তখন ইংলিশ সমর্থকদের চোখে অন্ধকার। ডিআর কঙ্গোর কাছে ১-০ গোলে পিছিয়ে বিশ্বসেরা তারকায় ঠাসা ইংল্যান্ড দাঁড়িয়ে ছিল আরেকটি অপ্রত্যাশিত বিদায়ের সামনে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমে অপেক্ষা, তারপর আধিপত্য, শেষে উদ্যাপন। স্পেনের জয়ের গল্পটা এমনই। গোল পেতে কিছুটা সময় লেগেছে, কিন্তু একবার গোলের দেখা পাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর হাতছাড়া করেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। লস অ্যাঞ্জেলেসে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দাপটের সঙ্গেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন।
১ ঘণ্টা আগে