প্রাণীদেহে প্রোটিন ভাঙনের (প্রোটিন ডিগ্রেডেশন) নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে বড় সাফল্য পেয়েছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। এই অগ্রগতি ক্যানসার থেকে শুরু করে স্নায়বিক অবক্ষয়জনিত রোগের চিকিৎসায় এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সেলে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় জানানো হয়, গবেষকেরা এমন একটি নতুন কৌশল উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে জীবন্ত দেহে নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিনকে স্থান ও সময়—দুই দিক থেকেই নিয়ন্ত্রিতভাবে ধ্বংস করা সম্ভব।
প্রোটিন মানবদেহের জৈবিক কার্যক্রমের মূল নিয়ন্ত্রক। কিন্তু প্রোটিনের অস্বাভাবিক প্রকাশ বা কার্যকারিতার ব্যাঘাত থেকে জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। প্রচলিত অনেক ওষুধ প্রোটিনের কার্যক্ষম অংশে আটকে প্রোটিনের কাজ বন্ধ করে দেয়। তবে অনেক রোগসম্পর্কিত প্রোটিনের ক্ষেত্রে এমন কার্যকর ওষুধ আটকানোর ‘পকেট’ না থাকায় সেগুলো চিকিৎসার বাইরে থেকে যায়। এ সীমাবদ্ধতা কাটাতে চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ইনস্টিটিউট অব কেমিস্ট্রির গবেষকেরা উদ্ভাবন করেছেন সুপ্রামলিকিউলার টার্গেটিং কাইমেরা নামের একটি নতুন প্রযুক্তি। এটি কোষের নিজস্ব একটি ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ্যবস্তু প্রোটিনকে ধ্বংসকারী ব্যবস্থার কাছে নিয়ে যায় এবং প্রোটিনটিকে ভেঙে ফেলে।
গবেষণার প্রধান লেখক ও ইনস্টিটিউট অব কেমিস্ট্রির অধ্যাপক ওয়াং মিং বলেন, বিদ্যমান অনেক টার্গেটেড প্রোটিন ডিগ্রেডেশন প্রযুক্তিতে কখন ও কোথায় প্রোটিন ভাঙন হবে—সেটার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দুর্বল, ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন প্রযুক্তিতে বিভিন্ন প্রাণী মডেলে—এমনকি নন-হিউম্যান প্রাইমেটেও স্থিতিশীল ও কার্যকরভাবে প্রোটিন ভাঙনে সক্ষম।
সূত্র: চায়না ডেইলি

বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
১০ দিন আগে
ধনকুবের এবং যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে এখন সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে শিশুকামিতা, কিশোরী পাচার, রাজনীতি ও কূটনীতি। তবে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছিল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য।
১০ দিন আগে
বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহটির তার নিজ নক্ষত্র মণ্ডলের বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থান করার প্রায় ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা রাখে। তবে এটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গলগ্রহের মতো অত্যন্ত শীতল হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।
১৬ দিন আগে
ইন্দোনেশিয়ার গুহায় আবিষ্কৃত চিত্রকর্ম বদলে দিতে পারে মানবজাতির ইতিহাস। প্রায় ৬৮ হাজার বছর পুরনো একটি হাতের ছাপ (হ্যান্ড স্টেনসিল) আবিষ্কার হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের একটি চুনাপাথরের গুহা থেকে। গবেষকেরা এই গুহাচিত্র পরীক্ষা করে দাবি করছেন, মানবজাতির প্রতীকী সংস্কৃতির সূচনা ইউরোপে নাও হয়ে
২০ দিন আগে