নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশের ভেতরে-বাইরে কয়েকটি পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে করে যুব বাঙালি। সংগঠনটির নেতারা মনে করছেন, ওই সব পক্ষ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, তা মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিকল্প নেই।
আজ শুক্রবার রাজধানীর পরীবাগে কাজী আবদুল লতিফ সাজু স্মৃতি পাঠাগার মিলনায়তনে আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ পরাধীনতা বিরোধী লড়াই-সংগ্রামে যুব সমাজের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, অভ্যন্তরীণ পরাধীনতাবিরোধী লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে জাতীয় ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেয়।
তাঁরা বলেন, সংস্কার কার্যক্রম ঠেকিয়ে পুরোনো শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতে দেশে-বিদেশে ওই বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা বিশৃঙ্খলা ও নানাভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। আন্দোলনকারী শক্তিসমূহের কারও কারও কার্যক্রম শুধু জাতীয় ঐক্যেই ফাটল ধরাচ্ছে না; বরং ভেতর-বাইরে সক্রিয় পক্ষগুলোকে শক্তি জোগাচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যকে কাঠামোগত রূপ দিতে এবং অভ্যন্তরীণ পরাধীনতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণ-যুবসমাজকে অতীতের মতোই ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সভাপতি রায়হান তানভীরের সভাপতিত্বে ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী পারভেজের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন মন্টু, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা শরীফ মোহাম্মদ খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আঞ্চলিক (কুমিল্লা) সমন্বয়ক লুতফর হাসান রুমি, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা যোবায়ের হোসেন, বিএলএর কেন্দ্রীয় সংগঠক আয়নুল ইসলাম বিশাল, অ্যাড. এ ইউ জেড প্রিন্স, যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সংগঠক জাশেম আলম, নাট্য নির্মাতা সাকিল সৈকত, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জেএসডি) সভাপতি তৌফিকুজ্জামান পীরাচা, যুব বাঙালির উপদেষ্টা কামরুজ্জাম অপু, কাজী তানসেন, কেন্দ্রীয় সংগঠক কাজী কাওছার, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মশিউর রহমান দীপু, ওয়ালিদ হাসান ভুবন প্রমুখ।

ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশের ভেতরে-বাইরে কয়েকটি পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে করে যুব বাঙালি। সংগঠনটির নেতারা মনে করছেন, ওই সব পক্ষ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, তা মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিকল্প নেই।
আজ শুক্রবার রাজধানীর পরীবাগে কাজী আবদুল লতিফ সাজু স্মৃতি পাঠাগার মিলনায়তনে আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ পরাধীনতা বিরোধী লড়াই-সংগ্রামে যুব সমাজের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, অভ্যন্তরীণ পরাধীনতাবিরোধী লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে জাতীয় ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেয়।
তাঁরা বলেন, সংস্কার কার্যক্রম ঠেকিয়ে পুরোনো শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতে দেশে-বিদেশে ওই বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা বিশৃঙ্খলা ও নানাভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। আন্দোলনকারী শক্তিসমূহের কারও কারও কার্যক্রম শুধু জাতীয় ঐক্যেই ফাটল ধরাচ্ছে না; বরং ভেতর-বাইরে সক্রিয় পক্ষগুলোকে শক্তি জোগাচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যকে কাঠামোগত রূপ দিতে এবং অভ্যন্তরীণ পরাধীনতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। স্বাধীন দেশ উপযোগী রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণ-যুবসমাজকে অতীতের মতোই ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সভাপতি রায়হান তানভীরের সভাপতিত্বে ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী পারভেজের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন মন্টু, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা শরীফ মোহাম্মদ খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আঞ্চলিক (কুমিল্লা) সমন্বয়ক লুতফর হাসান রুমি, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা যোবায়ের হোসেন, বিএলএর কেন্দ্রীয় সংগঠক আয়নুল ইসলাম বিশাল, অ্যাড. এ ইউ জেড প্রিন্স, যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সংগঠক জাশেম আলম, নাট্য নির্মাতা সাকিল সৈকত, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জেএসডি) সভাপতি তৌফিকুজ্জামান পীরাচা, যুব বাঙালির উপদেষ্টা কামরুজ্জাম অপু, কাজী তানসেন, কেন্দ্রীয় সংগঠক কাজী কাওছার, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মশিউর রহমান দীপু, ওয়ালিদ হাসান ভুবন প্রমুখ।

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে